আল-হুদা মালী,শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা দুর্গাপূজা উৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় করেছেন, ১২নং গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আলহাজ্ব জি.এম. মাছুদুল আলম। এ সময় তিনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আলহাজ্ব জি.এম. মাছুদুল আলম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) শ্যামনগর উপজেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য। ‘লোনা পানির সোনার ছেলে’ হিসেবে পরিচিত এই জননেতা, তিনি দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন, এবং উৎসবের সার্বিক খোঁজখবর নেন।
এ সময় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মতবিনিময়কালে আলহাজ্ব জি.এম. মাছুদুল আলম বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের সমান অধিকার রয়েছে। প্রত্যেক মানুষ যেন নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। ধর্মীয় উৎসব মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করে। আমরা এমন একটি সমাজ চাই, যেখানে কোনো মানুষ ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে বৈষম্য বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার হবেন না।
তিনি আরও বলেন, ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবাই মিলেই আমাদের বাংলাদেশ। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সহযোগিতার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলতে হবে। দুর্গাপূজাসহ সব ধর্মীয় উৎসব আনন্দ, উৎসাহ ও নিরাপদ পরিবেশে উদ্যাপিত হোক এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
সফর সঙ্গীতের মতে, ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে এমন শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। উৎসব কেবল আনন্দ-উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি পারস্পরিক সহমর্মিতা, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করারও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।
গাবুরার দুর্গাপূজা উৎসবকে ঘিরে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের এই বার্তায় সব ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আরও সুদৃঢ় হবে এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। ধর্মীয় স্বাধীনতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে ওঠুক এটাই সবার প্রত্যাশা।
Leave a Reply