সংবাদ শিরোনামঃ
দৃষ্টিশক্তি হারানো যুবদল নেতা আলমগীরের পাশে কৃষক দলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন লিটন দ্বিতীয় টাকি’ খ্যাত শ্যামনগর দুর্গাবাটিতে হাজারো দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে প্রতিমা বিসর্জন সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল মামুনের পিতা ইন্তেকাল করেছেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন দেবহাটায় চেয়ারম্যান প্রার্থী মোখলেছুর রহমান মুকুলের মোটরসাইকেল শোডাউন এর মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু গাবুরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত সাইদুল ইসলাম সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরার খবর পেয়ে তাকে দেখতে জান সালাউদ্দিন লিটন  স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও জেলেখালি ভাই ভাই সংঘের সভাপতি কৃষ্ণপদ পরমান্য সার্ভেয়ার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন গাবুরায় দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শনে চেয়ারম্যান মাছুদুল আলম মহানবমীতে শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন যুবদল নেতা শাহজাহান রনি শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে মন্দির পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় কালিগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে শাড়ি বিতরণ
দ্বিতীয় টাকি’ খ্যাত শ্যামনগর দুর্গাবাটিতে হাজারো দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে প্রতিমা বিসর্জন

দ্বিতীয় টাকি’ খ্যাত শ্যামনগর দুর্গাবাটিতে হাজারো দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে প্রতিমা বিসর্জন

এম এ হালিম।
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের ‘দ্বিতীয় টাকি’ খ্যাত দুর্গাবাটিতে হাজারো দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিমা বিসর্জন। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বিকেল থেকে দুর্গাবাটি এলাকায় শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও দর্শনার্থীদের মিলনমেলা। দিনভর উৎসবের আমেজ, মানুষের ভিড় এবং নদীবক্ষে প্রতিমা প্রদর্শনকে ঘিরে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় আনন্দঘন পরিবেশ।
দুর্গাপূজার সমাপনী দিনে দুর্গাবাটি ও খোলপেটুয়া নদীকে ঘিরে এই আয়োজন উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের কাছে এক বিশেষ আকর্ষণে পরিণত হয়।
শ্যামনগরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষ দুর্গা প্রতিমার শোভাযাত্রা ও বিসর্জন দেখতে দুর্গাবাটিতে সমবেত হন। নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন শাখার নবনির্বাচিত,সদস্য সচিব বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন বিএনপি,বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী,জিএম রুস্তম আলীর সার্বিক উদ্যোগ ও প্রথম প্রচেষ্টায় দুর্গাবাটির এই মিলনমেলার আয়োজন করা হয়। তাঁর উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, দর্শনার্থীদের সমাগম এবং প্রতিমা প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে উৎসবের ভিন্নমাত্রা যোগ হয়।
বিকেল থেকে দুর্গাবাটি এলাকায় বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিমা নিয়ে আসতে থাকেন পূজারিরা। শত শত ট্রলারের মাধ্যমে নদীতে প্রতিমা ঘোরানো হয়। নদীবক্ষে সাজানো প্রতিমা দেখতে দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। নৌযানে করে প্রতিমা প্রদর্শনের এ দৃশ্য উপভোগ করতে নদীর দুই পাড়েও ভিড় করেন অসংখ্য মানুষ। উৎসবকে ঘিরে দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে দুর্গাবাটি ও আশপাশের এলাকা।
সন্ধ্যার পর খোলপেটুয়া নদীতে একে একে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। এ সময় আনন্দের পাশাপাশি ভক্তদের মধ্যে ছিল বিদায়ের আবেগ ও আগামী বছর আবারও দেবী দুর্গার আগমনের প্রত্যাশা।
স্থানীয়দের কাছে ‘দ্বিতীয় টাকি’ হিসেবে পরিচিত দুর্গাবাটির এ আয়োজন কেবল প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; এটি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়। ধর্মীয় সম্প্রীতি, সামাজিক বন্ধন ও উপকূলীয় জনপদের ঐতিহ্যকে ধারণ করে এমন আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশা দর্শনার্থীদের।
সব মিলিয়ে, হাজারো মানুষের অংশগ্রহণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শত শত ট্রলারে প্রতিমা প্রদর্শন এবং খোলপেটুয়া নদীতে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শ্যামনগরের দুর্গাবাটিতে শারদীয় দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *