সংবাদ শিরোনামঃ
নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন ১৭ বিজিবির প্রেস ব্রিফিং দেবহাটার হাদিপুর আহ্ছানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত  দেবহাটার নওয়াপাড়ায় ভিজিডব্লিউ প্রকল্পের চাল বিতরণ কয়রায় গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা কয়রায় নৌ-বাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ শ্যামনগরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজন পালিত হচ্ছে পহেলা বৈশাখ বুড়িগোয়ালিনীতে পহেলা বৈশাখে বর্ণিল সাংস্কৃতিক আয়োজন শিক্ষার্থী ফোরামের সদস্যদের সাথে দুই দিনব্যাপী দ্বন্দ্ব-সংবেদনশীল বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত শ্যামনগর বুড়িগোয়ালিনীর খোলপেটুয়া নদীর চরের গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন সিলেটে ১৩ম জাতীয় মুন্ডা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
সাতক্ষীরার উপকূলে বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন গড়ে উঠেছে নতুন নতুন দর্শনীয় স্থান — পর্যটনের নতুন দিগন্ত

সাতক্ষীরার উপকূলে বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন গড়ে উঠেছে নতুন নতুন দর্শনীয় স্থান — পর্যটনের নতুন দিগন্ত

এম এ হালিম ঃ
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তঘেঁষা সাতক্ষীরা জেলা বঙ্গোপসাগরের তীরঘেঁষে বিস্তৃত এক অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভূমি। এ জেলার দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগরের সংযোগস্থলে গড়ে উঠেছে অসংখ্য মনোরম ও আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থান। এর মধ্যে রয়েছে মান্দারবাড়িয়া, পুটনির দ্বীপ, বঙ্গবন্ধুর চর, হিরণ পয়েন্ট, দুবলার চরসহ আরও অনেক প্রাকৃতিক এলাকা, যা প্রতিদিনই দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করছে।
বঙ্গোপসাগরের বিশাল ঢেউ ও সুন্দরবনের ঘন সবুজ গাছপালা মিলিয়ে এ অঞ্চল যেন এক জীবন্ত চিত্রপট। মান্দারবাড়িয়া সৈকতকে বলা হয় “পশ্চিম সুন্দরবনের লুকানো সমুদ্রসৈকত”। এখানকার শান্ত পরিবেশ, বালুময় চর ও কেওড়া গাছের সারি দর্শনার্থীদের বিমোহিত করে।
অপরদিকে, পুটনির দ্বীপ এখন নতুন করে পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে গড়ে উঠছে। বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে ওঠা এই দ্বীপে রয়েছে অসংখ্য সামুদ্রিক পাখি, বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক উদ্ভিদরাজি।
বঙ্গবন্ধুর চর এবং হিরণ পয়েন্টকেও এখন পর্যটনবান্ধব এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বনবিভাগের তত্ত্বাবধানে এখানে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্র ও নৌপথে ভ্রমণ ব্যবস্থার পরিকল্পনা চলছে। হিরণ পয়েন্ট ইউনেস্কো ঘোষিত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সুন্দরবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে বিরল প্রজাতির হরিণ, বানর, পাখি ও রয়েল বেঙ্গল টাইগার দেখা যায়।
এছাড়াও, সাতক্ষীরার উপকূলজুড়ে জেগে ওঠা দুর্লভ চরগুলো এখন ধীরে ধীরে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে। এসব স্থানে সরকারি উদ্যোগে পর্যটন অবকাঠামো নির্মাণ করা হলে স্থানীয় অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
স্থানীয় পর্যটন উদ্যোক্তারা বলছেন, সুন্দরবনের এই সাগরকূলের দর্শনীয় স্থানগুলোকে যদি যথাযথভাবে প্রচার ও সংরক্ষণ করা যায়, তবে সাতক্ষীরা শিগগিরই দেশের অন্যতম প্রধান ইকো-ট্যুরিজম গন্তব্যে পরিণত হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *