সংবাদ শিরোনামঃ
নীলডুমুর ১৭ বিজিবি কতৃক আটককৃত ৩১ কোটি ৯৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৩৫০ টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে  উপকূলের পরিবেশ পুনরুদ্ধারে  ১০ লক্ষ বীজ রোপণ উদ্যোগের শুভ উদ্বোধন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান উপজেলা বিএনপির ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন হওয়ায় শ্যামনগরে আনন্দ মিছিল  সাতক্ষীরায় রোগীর খাবার খেয়ে সন্তুষ্ট স্বাস্থ্যমন্ত্রী বারসিক’র উদ্যোগে প্রাণী স্বাস্থ্য কর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রদান সুন্দরবনে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই বিষ দিয়ে মাছ শিকার, ২৯০ কেজি চিংড়ি বিক্রির অভিযোগ কয়রায় জমি দখল, চাঁদাবাজি ও মৎস্যঘের দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন মহাসড়কের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এমপি শ্যামনগর বুড়িগোয়ালিনীতে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত, নওয়াবেঁকি মিতালী সংঘের ২-০ গোলের জয়
সাতক্ষীরার উপকূলে বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন গড়ে উঠেছে নতুন নতুন দর্শনীয় স্থান — পর্যটনের নতুন দিগন্ত

সাতক্ষীরার উপকূলে বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন গড়ে উঠেছে নতুন নতুন দর্শনীয় স্থান — পর্যটনের নতুন দিগন্ত

এম এ হালিম ঃ
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তঘেঁষা সাতক্ষীরা জেলা বঙ্গোপসাগরের তীরঘেঁষে বিস্তৃত এক অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভূমি। এ জেলার দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগরের সংযোগস্থলে গড়ে উঠেছে অসংখ্য মনোরম ও আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থান। এর মধ্যে রয়েছে মান্দারবাড়িয়া, পুটনির দ্বীপ, বঙ্গবন্ধুর চর, হিরণ পয়েন্ট, দুবলার চরসহ আরও অনেক প্রাকৃতিক এলাকা, যা প্রতিদিনই দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করছে।
বঙ্গোপসাগরের বিশাল ঢেউ ও সুন্দরবনের ঘন সবুজ গাছপালা মিলিয়ে এ অঞ্চল যেন এক জীবন্ত চিত্রপট। মান্দারবাড়িয়া সৈকতকে বলা হয় “পশ্চিম সুন্দরবনের লুকানো সমুদ্রসৈকত”। এখানকার শান্ত পরিবেশ, বালুময় চর ও কেওড়া গাছের সারি দর্শনার্থীদের বিমোহিত করে।
অপরদিকে, পুটনির দ্বীপ এখন নতুন করে পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে গড়ে উঠছে। বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে ওঠা এই দ্বীপে রয়েছে অসংখ্য সামুদ্রিক পাখি, বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক উদ্ভিদরাজি।
বঙ্গবন্ধুর চর এবং হিরণ পয়েন্টকেও এখন পর্যটনবান্ধব এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বনবিভাগের তত্ত্বাবধানে এখানে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্র ও নৌপথে ভ্রমণ ব্যবস্থার পরিকল্পনা চলছে। হিরণ পয়েন্ট ইউনেস্কো ঘোষিত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সুন্দরবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে বিরল প্রজাতির হরিণ, বানর, পাখি ও রয়েল বেঙ্গল টাইগার দেখা যায়।
এছাড়াও, সাতক্ষীরার উপকূলজুড়ে জেগে ওঠা দুর্লভ চরগুলো এখন ধীরে ধীরে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে। এসব স্থানে সরকারি উদ্যোগে পর্যটন অবকাঠামো নির্মাণ করা হলে স্থানীয় অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
স্থানীয় পর্যটন উদ্যোক্তারা বলছেন, সুন্দরবনের এই সাগরকূলের দর্শনীয় স্থানগুলোকে যদি যথাযথভাবে প্রচার ও সংরক্ষণ করা যায়, তবে সাতক্ষীরা শিগগিরই দেশের অন্যতম প্রধান ইকো-ট্যুরিজম গন্তব্যে পরিণত হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *