সংবাদ শিরোনামঃ
কালিগঞ্জে ছনকা মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠনঃসভাপতি লুৎফর, সহ সভাপতি লিটন শ্যামনগর উপজেলার গাবুরায় বেড়িবাঁধ রক্ষায় কঠোর অভিযানে চেয়ারম্যান  দেবহাটায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস যথাযথ ভাবে উদযাপন  দেবহাটা উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ আটুলিয়ায় ভিক্ষুকসহ তিন অসহায় মানুষের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বিকাশ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে, এলাকায় ক্ষোভ সাতক্ষীরার পারুলিয়ায় মৎস্যঘেরে ডাকাতিতে বাধা দেওয়ায় কুপিয়ে জখম। দেবহাটায় ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, অভিযুক্ত আটক সুন্দরবনে শিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকা বন্য শুকর উদ্ধার, বনবিভাগের অভিযানে অবমুক্ত পলাতক আসামী ফরিদকে আটক করেছে কালিগঞ্জ থানা পুলিশ         কালিগঞ্জে এডিবি’র বরাদ্ধে সংসদ সদস্যের মাধ্যমে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ
 উপকূলীয় অঞ্চল(শ্যামনগর) প্রতিনিধি।
সাতক্ষীরা-৪ আসনের নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য (শ্যামনগর কালীগঞ্জ আংশিক) এস, এম আতাউল হক দোলন এর সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন শ্যামনগর উপজেলায় কর্তব্যরত সাংবাদিক বৃন্দ।
(১৬ জানুয়ারি) মঙ্গলবার বেলা দেড়টার সময়  এমপি এস.এম আতাউল হক দোলনের নিজস্ব বাসভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন শ্যামনগর উপজেলায় কর্মরত টেলিভিশন ও দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক বৃন্দ।
নবনির্বাচিত সাতক্ষীরা- ৪ আসনের সংসদ সদস্যের সাথে দৈনিক সমকাল পত্রিকার শ্যামনগর প্রতিনিধি সামিউল ইমাম আযম মনির, এশিয়ান টেলিভিশনের শ্যামনগর প্রতিনিধি মেহেদী হাসান মারুফ, দৈনিক সাত নদী পত্রিকার শ্যামনগর প্রতিনিধি ও সংবাদ শ্যামনগর পেজের এ্যাডমিন আমজাদ হোসেন মিঠু, দৈনিক ভোরের পাতা পত্রিকার শ্যামনগর প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান মুকুল, আজকের সাতক্ষীরা পত্রিকার শ্যামনগর প্রতিনিধি আব্দুস সালাম, দৈনিক রানার পত্রিকার রামনগর প্রতিনিধি অনাথ মন্ডল, দৈনিক প্রতিদিনের কথা পত্রিকার শ্যামনগর প্রতিনিধি উৎপল মন্ডল,  দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার শ্যামনগর প্রতিনিধি বেল্লাল হোসেন,
দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার উপকূলীয় অঞ্চল প্রতিনিধি আব্দুল হালিম, দৈনিক সত্যপাঠ পত্রিকার শ্যামনগর প্রতিনিধি জিল্লুর রহমান , দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি বিভাষ মন্ডল, দৈনিক কাফেলা পত্রিকার সুন্দরবন প্রতিনিধি আব্দুল কাদের, সুপ্রভাত সাতক্ষীরা মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি মাসুম বিল্লাহ, সুপ্রভাত সাতক্ষীরা পত্রিকার রমজান নগর নুরুন্নবী ইমন, সাতক্ষীরার সকাল পত্রিকার রমজাননগর প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম, প্রতিদিনের সংবাদ শ্যামনগর প্রতিনিধি জিএম মনিরুজ্জামান শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সাতক্ষীরা -৪ আসনের নবনির্বাচিত এমপি র” সাথে সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা বিনিময় 

 উপকূলীয় অঞ্চল(শ্যামনগর) প্রতিনিধি। সাতক্ষীরা-৪ আসনের নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য (শ্যামনগর কালীগঞ্জ আংশিক) এস, এম আতাউল হক দোলন এর সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন শ্যামনগর উপজেলায় কর্তব্যরত সাংবাদিক বৃন্দ। (১৬ জানুয়ারি) মঙ্গলবার বিস্তারিত....

সাগর তালুকদার রনি, বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ

আজকে গরম খবর, জানতে পত্রিকা পড়ুন” এমনিভাবে ডাকতে থাকে পত্রিকার হকার। সকাল থেকে শহরের অলিগলি রাস্তায়, বাসা বাড়ির সামনে, কিংবা হাটবাজারে পত্রিকা ফেরি করে হকারগন। হকারদের সম্পর্কে কেউ তেমন জানতে চান না। জানতে চান না তাদের সুখ-দুঃখের কথা। সমাজের আর দশটা মানুষের মতো তাদেরও আছে সুন্দর আগামীর স্বপ্ন, আছে জীবনের সুখের চেয়ে দুঃখের অনেক গল্প। কিন্তু তাদের জীবনপাতার গল্পগুলো লিখা হয় জীবন সংগ্রামের কাহিনী দিয়ে। নীরবে নিভৃতে তারা চালিয়ে যায় জীবন সংগ্রাম।

তেমনি একজন হকার দীপক বিশ্বাস (৫৫)। তার বাড়ি বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার বারইখালী ইউনিয়নের চৌধুরী কাচারী গ্রামে । তার বাড়ি থেকে মোরেলগঞ্জ শহর প্রায় ৫-৬ কি.মি. দূরে।

প্রতিদিন সকালে তিনি বাড়ি থেকে পায়ে হেটে উপজেলা শহরে এসে পত্রিকা নিয়ে মোরেলঞ্জ শহরের অলি-গলি, বাসা বাড়ি কিংবা অফিস-কার্যলয়ে পত্রিকা বিলি করে চলছে এই হকার।

শত শত পত্রিকার পাঠক ও গ্রাহকের পরিচিত নাম হকার দীপক । রাত পোহালেই যার অপেক্ষায় চেয়ে থাকে পাঠক ও গ্রাহকরা।
রোদ-বৃষ্টি-ঝড় উপেক্ষা করে দীর্ঘ ৪০ বৎসরেরও বেশি সময় ধরে গ্রাহকের দ্বারে দ্বারে পত্রিকা পৌঁছে দেন হকার দীপক বিশ্বাস। সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে তিনি পত্রিকা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

অনেক কষ্টে কাটছে তার জীবন। পত্রিকা বিক্রি করে যা উপার্জন হয় তা ২ছেলের লেখাপড়া খরচ এবং পরিবারের ভরণপোষণ মেটাতেই শেষ। তার নিজস্ব স্বাদ আহ্লাদ বলতে কিছুই নেই। পত্রিকা বিক্রি থেকে যা রোজগার হয় তা দিয়ে কোনমতে দিনাতিপাত করছেন এই হকার দিপক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সময়ের আবর্তন প্রতিবেদককে জানান, আমার বাবা ঋষিকেশ বিশ্বাসের হাত ধরেই এ পেশা বেছে নিয়েছি পত্রিকা বিক্রির। আর কোন কাজও শিখি নাই। প্রতিদিনকার আয় দিয়ে চলে ২ সন্তান, স্ত্রী ও নিজের ভরনপোষণ । বড় ছেলে এইচ এস সি পরিক্ষার্থী ও ছোট ছেলে নবম শ্রেণিতে পড়াশুনা করছে। সন্তানদের ভবিষ্যত নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আগে প্রতিদিন শ’পাঁচেক পত্রিকা বিক্রি করলেও এখন সে দিন আর নেই। মানুষ প্রিন্ট পত্রিকা বা কাগজে ছাপা পত্রিকা খুব একটা পড়ে না বললেই চলে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আগেই দেশের খবর পেয়ে যায় মানুষ। কিছু পত্রিকা বিক্রি হয়, যারা পুরোনো ক্রেতা আর বয়স্ক মানুষেরা। প্রায় ৪০ বছর ধরে পত্রিকা বিক্রি পেশার সাথে জড়িত। আগে ৪/৫ জন হকার থাকলেও, এখন আমি একাই বিক্রি করি। ছাড়তেও পারিনা। তবে মালিকের দেনা লাখ টাকার উপরে।কিন্তু এ দেনা কিভাবে পরিশোধ করবো তা জানা নেই।।তবে সম্পত্তি বলতে বাবার রেখে যাওয়া ১০ শতক বসত ভিটা ছাড়া আর কিছুই নেই।

আমি প্রতিদিন সকালে দেশ ও দশের খবর সবার কাছে পৌঁছে দেই- অথচ আমার খবর নেয়ার কেউ নেই। সংবাদপত্র শিল্প টিকিয়ে রাখতে আমার মতো হকারদের ভূমিকা থাকলেও হকারদের ভাগ্য পরিরর্তনে কেউ এগিয়ে আসেনি। আজ সোমবার সকালে মোরেলগঞ্জ পৌর শহরের পুরাতন থানা রোডে পত্রিকা বিক্রি করতে করতে এভাবেই কথাগুলো অকপটে জানালেন দীপক বিশ্বাস।

মোরেলগঞ্জে ৪০ বৎসরেরও বেশি সময় ধরে পত্রিকা বিলি করে চলছে দীপকের সংসার

সাগর তালুকদার রনি, বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ আজকে গরম খবর, জানতে পত্রিকা পড়ুন” এমনিভাবে ডাকতে থাকে পত্রিকার হকার। সকাল থেকে শহরের অলিগলি রাস্তায়, বাসা বাড়ির সামনে, কিংবা হাটবাজারে পত্রিকা ফেরি করে হকারগন। বিস্তারিত....

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সোমবার সকালে শ্যামনগর উপজেলার নীলডুমুর বাজারে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে  নৌকা প্রতিকের মনোনয়ন প্রত্যাশী সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য গাজী গোলাম মোস্তফা গনসংযোগ করেন।
এসময় বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেত্রী বৃন্দ ও স্থানীয়রা মত বিনিময় করাকালে গোলাম মোস্তফার সঙ্গী হিসেবে গনসংযোগে যোগদেন।
গনসংযোগের সময় বাজার ব্যাবসায়ী,ক্রেতা ও ট্রলার শ্রমিকেদর সাথে কুশল বিনিময় করে, নৌকা প্রতিকে ভোট দেওয়ার আহবান জানান তিনি।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতিকের মনোনয়ন প্রত্যাশী গাজী গোলাম মোস্তফার গনসংযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সোমবার সকালে শ্যামনগর উপজেলার নীলডুমুর বাজারে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে  নৌকা প্রতিকের মনোনয়ন প্রত্যাশী সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য গাজী গোলাম মোস্তফা গনসংযোগ করেন। এসময় বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেত্রী বৃন্দ বিস্তারিত....

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ

পৌষ মাসে জেঁকে বসেছে শীত। শীত নিবারণের জন্য গায়ে গরম কাপড় জড়িয়ে আরামে ঘুমায় মানুষ।এমন কিছু মানুষ আছে গরম কাপড়ের অভাবে কোনো রকম রাত কাটায়।এত কষ্টের পরেও পরিবারের দুবেলা খাবারের যোগানে বের হয়ে যান কাজের সন্ধানে।

আর এসব অসহায় দরিদ্র মানুষের শীত নিবারণের জন্য গভীর রাতে কম্বল নিয়ে অসহায় মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম তারেক সুলতান।

শনিবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে ইউএনও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল জাবিরকে সাথে নিয়ে উপজেলার কেয়ার বাজারে প্রায় ১০০ জন ভ্যানচালক, অটো, যাত্রীবাহী মোটরসাইকেল চালক এবং দুস্থদের মাঝে শীত বস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করেন।

এই শীতের রাতে একটি কম্বল পেয়ে অনেক অসহায় দরিদ্র মানুষগুলোর মুখে হাঁসির ঝলক দেখা যায়। আবার কেউ কম্বল পেয়ে আবেগে কেঁদে ফেলেন।

কম্বল পাওয়া একাধিক শীতার্ত জানান, শীত অনেক বেড়েছে। এই শীতের রাতে ইউএনওর দেওয়া কম্বল তাদের অনেকটাই রক্ষা করছে।

মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম তারেক সুলতান বলেন, উপজেলার প্রকৃত গরিব, বৃদ্ধ ও অসহায়দের হাতে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মোরেলগঞ্জে রাতে অসহায় মানুষের দ্বারে দ্বারে শীত বস্র নিয়ে ছুটছেন ইউএনও

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ পৌষ মাসে জেঁকে বসেছে শীত। শীত নিবারণের জন্য গায়ে গরম কাপড় জড়িয়ে আরামে ঘুমায় মানুষ।এমন কিছু মানুষ আছে গরম কাপড়ের অভাবে কোনো রকম রাত কাটায়।এত কষ্টের পরেও পরিবারের বিস্তারিত....

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে হঠাৎ জেঁকে বসা শীতের কারণে দুর্ভোগে পড়েছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছিন্নমূল মানুষেরা পড়েছে বেশি বিপাকে। শীত তাড়াতে তাদের অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে সাময়িকভাবে একটু প্রশান্তি খোঁজার চেষ্টা করছে। দরিদ্র ও শ্রমজীবীদের দুর্ভোগ বেড়েছে। শীতের সঙ্গে মৃদু ঠাণ্ডা বাতাস বইছে। ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। শনিবার সন্ধ্যার পর ও রবিবার সকালে ছিন্নমূল মানুষগুলোকে পথের ধারে খড়কুটোয় আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা গেছে খেটে খাওয়া মানুষদের।

এদিকে হিমেল হাওয়া আর কুয়াশা প্রবাহে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয় এবং ছিন্নমূল খেটে খাওয়া মানুষেরা। প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে তারা দুর্ভোগে পড়েছে। শীত নিবারণের জন্য কম দামে শীতবস্ত্র কিনতে নিম্ন এবং মধ্যবিত্তরা হুমড়ি খেয়ে পড়েছে ফুটপাতের দোকানগুলোতে।

বিশেষ করে ছিন্নমূল এবং নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোতে শিশু ও বয়স্করা বিপাকে পড়েছে বেশী। গরম কাপড় না পাওয়ায় শীতে আক্রান্ত হয়ে অনেকে অসুস্থ হয়েও পড়ছে। ফলে বাড়ছে শীতজনিত রোগের মাত্রাও।

তবে সরকারি উদ্যোগে ইতিমধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু হয়েছে। সেগুলো এখনও সকলের মাঝে পৌছায় নি,ফলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে মানুষ। আগামী কয়েক দিনে শীত আরো বাড়লে এসব মানুষের ভোগান্তিও বাড়বে ব্যাপক হারে।

পৌর শহরের বাসিন্দা নাসিমা বেগম বলেন, ঠান্ডায় ও বাতাসের কারণে বাচ্চা কাচ্চা নিয়ে আমরা খুব কষ্টে আছি। আমরা আগুন পোহাচ্ছি। আগুন যত সময় পোহাচ্ছি তত সময় ভালো আছি আগুন থেকে উঠে গেলে আমাদের কষ্ট হচ্ছে। এখন পর্যন্ত আমরা কোন সাহায্য সহযোগীতা পাইনি। আমাদের লেপ তোশক ফ্রি দিতে পারেন না?

আরেক বাসিন্দা বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত শীতের কোন সাহায্য পাই নাই। তাই আমরা এখানে আগুন পোহাচ্ছি।

ভ্যান চালক শাহিন বলেন,শীতে ভ্যান চালাতে খুবই কষ্ট হয়। ভোরে ভ্যান চালাতে পারিনা শীতের কারণে।


তবে আবহাওয়া অফিস সুত্রে জানা গেছে, চলতি এ মাস জুড়ে শীতের প্রকোপ আরো বৃদ্ধি পাবে।

সরকারি কম্বল বিতরনের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল জাবির জানান,হতদরিদ্র মানুষের জন্য ইতিমধ্যে আমার দপ্তর থেকে উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের কাছে কম্বল পাঠানো হয়েছে তারা নিজ নিজ এলাকায় বিতরন করবেন।

মোরেলগঞ্জে তীব্র শীতে বিপর্যস্ত নিম্ন আয়ের মানুষ

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে হঠাৎ জেঁকে বসা শীতের কারণে দুর্ভোগে পড়েছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছিন্নমূল মানুষেরা পড়েছে বেশি বিপাকে। শীত তাড়াতে তাদের অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে সাময়িকভাবে একটু প্রশান্তি খোঁজার চেষ্টা বিস্তারিত....

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
প্রতিবছর শীত মৌসুমী ১লা মাঘে সমগ্র সুন্দরবন উপকূলে এলাকা জুড়ে সুন্দরবন নির্ভরশীল বনজীবীরা সুন্দরবনের উপর জীবন জীবিকায় নিরাপত্তায় লক্ষ্য বিশ্বাসে বনবিবি পূজা করে থাকেন। সুন্দরবনের পেশায় জীবন জীবিকা নির্ভরশীল বনজীবীরা বনের রক্ষাকর্তা হিসেবে বনবিবি পূজা তাদের বিশ্বাসের প্রাণ বিন্দু,

লোকা কাহিনীতে বন বিবির ইতিহাসের কথা জানা যায়। অনেক পুরানো সেই ইতিহাস,এতদ্বকালে সুন্দরবনে সে সময় দ্বন্ডবক্ষ নামে এক রাজা ছিলেন।

তিনি ছিলেন প্রজাবৎসল্য সব্যসাচী তার স্ত্রী রায়মনি, তাদের যথেষ্ট আধিপত্য ছিল।প্রজাকুলের দেখভাল করতেন। কথিত আছে জঙ্গলে যত দানব দৈত্য ভূতপ্রেত ডাকেনি যোগিনী সব তার অনুগত্য ছিল।

তার ছিল ৩৭ কোটি সিপাহি লসকার সমুদ্র সৈকতে কোনো একখানে ছিল তার রাজধানী।তাদের ছিল একটি সন্তান নাম দক্ষিণারায়, সে দিনে দিনে দস্তর পরক্রমশালী হয়ে ওঠে।তপস্যা বলে বাঘ মূর্তি ধারণ করে মানুষ ধরে খেত। মানুষ ভীতি সন্ত্রস্ত হয়ে পড়লো।কেউ আর বাদাবনে মধু সংগ্রহ করতে যেতে পারে না,সৃষ্টিকর্তাকে ডাকতে থাকলো মানুষজন।

পরম করুনাময় খোদাতালা দুষ্টের দমনের জন্য বনবিবি ও শাহ জঙ্গলি কে দুনিয়ায় পয়দা করলেন।১৮ ভাটিতে যাওয়ার জন্য হুকুম করলেন। বনবিবির পিতৃপরিচয়ে তৎকালীন মক্কর ধর্মভিরু দরিদ্র এবরহিম ফকিরের দ্বিতীয় স্ত্রী গুলাল বিবির গর্ভে বনবিবি ও শা-জঙ্গুলী নামে জমজ ভাই বোনের তাদের মা বনবাসে থাকাকালীন সুন্দরবনের মধ্যে জন্ম হয়। উল্লেখ্য এবরহিম ফকির তার ১ম স্ত্রী ফুলবিবির সঙ্গে ওয়াদা রক্ষার্থে তার কথামতো পুণ মাসে নিষ্ঠুর ভাবে গুলাল বিবিকে বনবাসে পাঠায়।

পরম করুনাময় রাব্বুল আলামীনের অশেষ কৃপায় জঙ্গলে দুই ভাই বোন ফলমূল হরিণদুগ্ধ পানে বড় হতে থাকে। এক পর্যায়ে দুই ভাই বোন মা ও বাবা ইব্রাহিম ফকিরের সঙ্গে জঙ্গলে তাদের মিলন ঘটে।তারা বাবা মায়ের কান্নাকাটি উপেক্ষা করে দুই ভাই বোন আল্লাহর ডাকে মদিনাতে চলে যান।ওখানে নবীজির আওলাদ এক কামেল সাহেবের কাছে মুরিদ হলো।মারফত কালাম বিদ্যায় তালিমও নিল। খোদার দরবারে দুই ভাই বোন মোনাজাত করলো। আল্লাহ পাক সন্তুষ্টিতে তাদের উপর ওহী নাযিল হলো।

তোমাদেরকে খেলাফত দান করা হলো। ১৮ ভাটিতে চলে যাও। আল্লাহপাক সব সময় তোমাদের সঙ্গে থাকবে। ওখানে ১৮ হাজার জাত( জীব) পয়দা আছে । তুমি যে ১৮ ভাটিতে সবার মা।বিপদে পড়েছে তোমাকে মা বলে ডাক দিবে তাদের উদ্ধার করবে। সেই থেকে বনবিবি বনের দেবতা, মা বলেই জানেন সবাই।

বন বিবির পুথীর ইতিহাসে বলা হয়েছে মায়ের প্রথম পূজা ও তার কীর্তি থেকে বনবিবি ও শা- জঙ্গলী মদিনা থেকে অনেক কষ্ট সহে ভাটির অঞ্চল ১৮ ভাটিতে পৌঁছায়। এবং ভুরকুন্ডে তার শিকড় গাড়েন। এখানে ছিল সেই দুষ্টু শাসক দক্ষিণা রায় তার মা রায় মনিকে যুদ্ধে পরাজিত করে সন্ধি স্থাপন করেন। উল্লেখ্য জঙ্গলে বাদাবনের প্রথম মৌয়াল ধুনাই মৌলে তার বহর নিয়ে জঙ্গলে যায় মধু ভাঙতে। মধু না পেয়ে এক সময় চতুর দক্ষিণা রায়ের সঙ্গে তার দলের পাচক ছোট ছেলে দুখে কে খেতে দিলে তার সপ্তবহর মোম মধু ভরিয়ে দেবে । ফন্দি করে চতুর্থ ধোনাই মৌলে দুখেকে কেঁদো খালি নামক স্থানে কাঠ কাটার জন্য তুলে দেয়।

দক্ষিণা রায় বাঘ রূপ ধারণ করে দুখে কি খেতে আসলে তার অশীতিপর বৃদ্ধ মায়ের আদেশ মত বনবিবিকে মা-মা বলে চিৎকার করতে থাকে। মা-সঙ্গে সঙ্গে মক্ষি রূপে ছুটে আসে। আক্রান্ত দুখে কে কোলে তুলে নিয়ে জলের ছিটে দিলে জ্ঞান ফিরে আসে। দুখে কে অনেক ধন দৌলত দিয়ে সেঁকো নামক কুমিরের পিঠপ তুলে দিয়ে বাড়ি পৌঁছে দেন। দুখেকে বাঘে খেয়েছে বলে ধোনাই মৌলের মিথ্যা প্ররোচনায় দুঃখের মা পাগল বেশে ঘুরতে থাকে। দুখেকে পেয়ে তার বৃদ্ধ মা হয়ে মা বনবিবি সন্তুষ্টির জন্য গলায় কুড়াল ঝুলিয়ে সাত সাতগ্রাম মাং( ভিক্ষা) চাল চিনি দুধ দিয়ে রান্না করে বনবিবির পূজায় দেওয়া হল।

সেই থেকে যুগ যুগ ধরে অদ্যবধি চলে আসছে মায়ের নামে পুথি পাঠ করে বন বিবি পূজা করা। যেহেতু বন বিবি ইসলাম ধর্মীয় অনুকরণীয় তাই তার পূজায় সকল শ্রেণীর মানুষ সহ বনজীবিরা ক্ষীর রান্না করে মোরগ উড়িয়ে মানত নিবেদন করেন।
বনবিবি মা আছেন সুন্দর বনে, থাকুন তিনি অমর হয়ে।

সুন্দরবন নির্ভরশীল বনজীবিদের বিশ্বাসে বনবিবির পূজা

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ প্রতিবছর শীত মৌসুমী ১লা মাঘে সমগ্র সুন্দরবন উপকূলে এলাকা জুড়ে সুন্দরবন নির্ভরশীল বনজীবীরা সুন্দরবনের উপর জীবন জীবিকায় নিরাপত্তায় লক্ষ্য বিশ্বাসে বনবিবি পূজা করে থাকেন। সুন্দরবনের পেশায় জীবন জীবিকা বিস্তারিত....

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে রাতের আঁধারে এক কৃষকের তিন শতাধিক মিষ্টি কুমড়া গাছ কেটে সাবান করে দিয়েছে দুর্বত্তরা শনিবার ১৪ জানুয়ারি দিবাগত রাতে উপজেলার গোবিন্দপুর কলোনীপাড়া গ্রামের সহরব মিস্ত্রীর ছেলে রুহুল কুদ্দুস মিস্ত্রির ক্ষেতের কুমড়া গাছ কেটে এই ক্ষতি করা হয় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক রুহুল কুদ্দুস জানান ১৩ বছর আগে স্থানীয় এক জমির মালিকের কাছ থেকে ১৪ বিঘা জমি লিজ নিয়ে মাছ চাষের সাথে বেড়িতে সবজি চাষ করে আসতেছি এ বছর সমিতি থেকে লোন করে লাভের আশায় সব জমিতে মিষ্টি কুমড়া চাষ করি প্রতিটি গাছে পাঁচ ছয়টা কুমড়ার ফল ধরেছে কিন্তু কে বা কারা সত্যতা করে শনিবার রাতে ফলন্ত গাছগুলো কেটে সাবান করে দিয়ে গেছে এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে দ্বন্দ্ব করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

শ্যামনগরে রাতের আঁধারে ক্লান্ত কুমড়ো গাছ কেটে দিল দুর্বৃত্ত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগরে রাতের আঁধারে এক কৃষকের তিন শতাধিক মিষ্টি কুমড়া গাছ কেটে সাবান করে দিয়েছে দুর্বত্তরা শনিবার ১৪ জানুয়ারি দিবাগত রাতে উপজেলার গোবিন্দপুর কলোনীপাড়া গ্রামের সহরব মিস্ত্রীর ছেলে বিস্তারিত....

কয়রা,খুলনা প্রতিনিধি

কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের ভান্ডারপোল গ্রামের মৃত আঃ কাদের বক্স সানার পুএ হাকিম জালাল উদ্দীন সানার বসত বাড়ির মধ্যে ঢুকে দেয়াল থেকে হাস মুরগী চুরী হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে হাসমুরগী চুরী হওয়ার ঘটেছে।
ভুক্তভোগী হাকিম মোঃ জালাল উদ্দীন জানান, আমরা প্রতিদিনের ন্যায় রাতে ঘুমিয়েছিলাম হঠাৎ করে রাত দেড়টার দিকে কুকুরের ডাকশুনে ঘুম থেকে উঠে বাহিরে এসে দেখি হাস মুরগীর খোপের দরজা খোলা অবস্থায় আছে। ৩ টা চিনা হাস,১ টি পাতিহাস ও ২ টা মুরগী নিয়ে যায়। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, ভান্ডারপোল বিলে আমি বোর চাষের করিতেছি। ৮ ই জানুয়ারী আমার বোর ব্রোক থেকে সেচ মেশিনের তেলের ট্যাংকির সেচ মেশিনের ঢাকনা ও তেলের চাবি দিনের বেলার চুরি করে নিয়ে যায়। চুরির ঘটনা নিয়ে আশপাশের মানুষের মাঝে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

কয়রায় হাকীম জালাল উদ্দীনের বাড়িতে হাসমুরগী চুরি

কয়রা,খুলনা প্রতিনিধি কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের ভান্ডারপোল গ্রামের মৃত আঃ কাদের বক্স সানার পুএ হাকিম জালাল উদ্দীন সানার বসত বাড়ির মধ্যে ঢুকে দেয়াল থেকে হাস মুরগী চুরী হওয়ার অভিযোগ পাওয়া বিস্তারিত....

কয়রা থেকে আল আমিন ( রানা )

সুন্দরবনের পাশে হরিহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে( ১৩ জানুয়ারি ) সকাল হতেই কনকনে শীত উপেক্ষা করে সাত গ্রামের তিন শতাধিক ষাটোর্ধ্ব মানুষ এনজিও সংস্থা বুরো বাংলাদেশের কম্বল নিতে হাজির।শাকবাড়িয়া নদীর দক্ষিণ পাশে সুন্দরবন তখনও কুয়াশার চাদরে মোড়া।তীব্র শীতে কাবু হয়ে পড়েছে সুন্দরবন উপকূলের প্রত্যন্ত এই এলাকার খেটে খাওয়া হতদরিদ্র সাধারণ মানুষ।

শনিবার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের হরিহরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.কামাল হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।এসময় উপস্থিত ছিলেন বুরো বাংলাদেশের খুলনা বিভাগীয় ব্যবস্থাপক আল আমিন খান,উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম,কয়রা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি তারিক লিটু সহ বুরো বাংলাদেশের কর্মকর্তাবৃন্দ।উপজেলার দক্ষিণ ও উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের গাতিরঘের,হলুদবুনিয়া,হরিহরপুর,জোড়সিং,চরামুখা,আংটিহারা,কাটকাটা গ্রামের হতদরিদ্র নিম্ম আয়ের মানুষ কম্বল পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন।

গাতিরঘের গ্রামের মুন্ডা সম্প্রদায়ের ষাটোর্ধ্ব বিদ্যাধারী রাণী বলেন,এতো শীত গেল, কেউ আমাইগা একবারও খোঁজ নিল না। আজ আমাকে বাড়িত থেকে ডেকেএনে একটা কম্বল দিল।শীতের কষ্ট করতেছিলেম, আজ থেকে একটু হলেও শান্তিতে রাতে ঘুমাতে পারবো।

উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের হলুদবুনিয়া গ্রামের সত্তরোর্ধ্ব
মোহতাব উদ্দীন বলেন, এতদিন শীতে কষ্ট পাইছি। এখন আমাগো জন্য বুরো বাংলাদেশ কম্বল দিছে। এ বছর এই প্রথম কম্বল পেলাম। আমাগো আর শীতে কষ্ট করতে হইবো না।

হলুদবুনিয়া গ্রামের ফতেমা খাতুন ও হরিহরপুর গ্রামের দিপিকা মন্ডল বলেন,চেয়ারম্যান মেম্বাররা আমাদের কম্বল ও অন্যান্য সরকারি সহযোগিতা সহজে দিতে চায় না।এনজিও সংস্থা এসে বিতরণ করায় আমরা কম্বল পেয়েছি।দুই-তিন বছর মধ্যে আমরা কুনো কম্বল পাই না।ঠান্ডায় রাতে ঘুমাতে খুব কষ্ট হয়। এই কম্বলখান পেয়ে এখন শান্তিতে ঘুমাবা পারবো।

বুরো বাংলাদেশের খুলনা বিভাগীর ব্যবস্থাপক আল আমিন খান বলেন,ঠাণ্ডা বাতাসের দাপটে সুন্দরবন উপকূলের প্রত্যন্ত এই জনপদে শীত জেঁকে ধরেছে সবাইকে। হিম হিম ঠাণ্ডা আর কুয়াশায় নাকাল জনজীবন। শীতের এই তীব্রতা বেশি কাবু করে নিম্ন আয়ের মানুষদের। শীতার্ত অসহায় ও দুস্থ মানুষের উষ্ণতা দিতে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই বুরো বাংলাদেশ পাশে দাঁড়িয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.কামাল হোসেন বলেন,আপনাদের কাছের মানুষ হতে চাই,আপনাদের গায়ের ঘামের গন্ধ নিতে চাই।আপনাদের বিপদ আপাদে পাশে থাকতে চাই।প্রত্যন্ত এই জনপদের মানুষের নিয়ে কাজ করছি।আজকে প্রত্যন্ত এলাকায় এনজিও’র মাধ্যমে কম্বল দিতে পেরে ভাল লাগছে।

 

কয়রায় কনকনে শীতে বুরো বাংলাদেশের কম্বল পেল অসহায়-দরিদ্ররা

কয়রা থেকে আল আমিন ( রানা ) সুন্দরবনের পাশে হরিহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে( ১৩ জানুয়ারি ) সকাল হতেই কনকনে শীত উপেক্ষা করে সাত গ্রামের তিন শতাধিক ষাটোর্ধ্ব মানুষ এনজিও বিস্তারিত....

কয়রা থেকে আল আমিন (রানা)

খুলনার কয়রা উপজেলা চাকুরিজীবী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেড এর প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দি কো- অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লীগ অব বাংলাদেশ লিমিটেড (কালব) এর সহযোগিতায় শুক্রবার সকালে কয়রা সদরে সুন্দরবন বালিকা বিদ্যালয়ের হল রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা চাকুরিজীবী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেড এর সভাপতি সুজিৎ কুমার রায় এর সভাপতিত্বে ও সুন্দরবন বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খায়রুল আলম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.কামাল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দি কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লীগ অব বাংলাদেশ লিমিটেড কালব এর ট্রেজার নরেশ চন্দ্র বিশ্বাস,কপোতাক্ষ কলেজ অধ্যক্ষ অদ্রিশ আদ্রিত্য মন্ডল,সহ-সভাপতি শাহবাজ আলী,কোষাধ্যক্ষ বিদেশ রঞ্জন, উপজেলা প্রোগাম অফিসার মো.আলমগীর হোসেন সহ অন্যান্যরা।

চাকুরীজীবি কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

কয়রা থেকে আল আমিন (রানা) খুলনার কয়রা উপজেলা চাকুরিজীবী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেড এর প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দি কো- অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লীগ অব বাংলাদেশ লিমিটেড (কালব) বিস্তারিত....