সংবাদ শিরোনামঃ
কালিগঞ্জে ছনকা মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠনঃসভাপতি লুৎফর, সহ সভাপতি লিটন শ্যামনগর উপজেলার গাবুরায় বেড়িবাঁধ রক্ষায় কঠোর অভিযানে চেয়ারম্যান  দেবহাটায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস যথাযথ ভাবে উদযাপন  দেবহাটা উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ আটুলিয়ায় ভিক্ষুকসহ তিন অসহায় মানুষের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বিকাশ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে, এলাকায় ক্ষোভ সাতক্ষীরার পারুলিয়ায় মৎস্যঘেরে ডাকাতিতে বাধা দেওয়ায় কুপিয়ে জখম। দেবহাটায় ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, অভিযুক্ত আটক সুন্দরবনে শিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকা বন্য শুকর উদ্ধার, বনবিভাগের অভিযানে অবমুক্ত পলাতক আসামী ফরিদকে আটক করেছে কালিগঞ্জ থানা পুলিশ         কালিগঞ্জে এডিবি’র বরাদ্ধে সংসদ সদস্যের মাধ্যমে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ

গাবুরা (শ‌্যামনগর) পতিনিধিঃ

গাবুরা ইউনিয়‌নের ল‌ক্ষিখালী গ্রা‌মে পা‌নি সেঁচ করার স‌্যা‌লো মে‌শি‌নে জ‌ড়ি‌য়ে মোঃ উজ্বল হো‌সেন (২৭) না‌মে এক ব‌্যা‌ক্তি মারা গে‌ছে। উজ্বল হো‌সে‌ন গাবুরার খ‌লিশাবু‌নিয়া গ্রা‌মের মোঃ হজরত আলী গাইনের ছে‌লে তি‌নি ২ সন্তা‌নের জনক।
গতকাল ১৮ জানুয়া‌রি বৃহস্প‌তিবার রাত ৯ টার সময় উজ্বল তার মৎস‌ঘে‌রের পা‌নি সেঁচ কর‌তে যায়। মৎস‌ঘে‌রের বাসায় তি‌নি একা ছি‌লেন। পর‌দিন আজ সকাল ৭টার সময় এলাকাবাসী মৎস‌ঘে‌রের পা‌নি সেঁ‌চের মে‌শি‌নে জড়া‌নো মৃত‌্যু লাশ দেখ‌তে পায়। ধারনা করা হ‌চ্ছে রা‌তে একাকী অবস্থায় তি‌নি মে‌শি‌নে স্টার্ট কর‌তে যে‌য়ে দুর্ঘটনায় মারা যান। আশপা‌শে বাড়ীঘর না থাকায় এবং রা‌তে গু‌ড়িগু‌ড়ি বৃ‌ষ্টির কার‌ণে এলাকাবাসী টের পান‌নি ব‌লে জানায়।

গাবুরায় পা‌নি সেঁচ কর‌তে যে‌য়ে মে‌শি‌নে জ‌ড়ি‌য়ে এক ব‌্যা‌ক্তির মৃত্যু

গাবুরা (শ‌্যামনগর) পতিনিধিঃ গাবুরা ইউনিয়‌নের ল‌ক্ষিখালী গ্রা‌মে পা‌নি সেঁচ করার স‌্যা‌লো মে‌শি‌নে জ‌ড়ি‌য়ে মোঃ উজ্বল হো‌সেন (২৭) না‌মে এক ব‌্যা‌ক্তি মারা গে‌ছে। উজ্বল হো‌সে‌ন গাবুরার খ‌লিশাবু‌নিয়া গ্রা‌মের মোঃ হজরত আলী বিস্তারিত....

 উপকূলীয় অঞ্চল( শ্যামনগর ) প্রতিনিধিঃ
পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন ও বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণ   প্রকল্প এর আওতায় নাগরিক উদ্যোগ এর আয়োজনে শ্যামনগর উপজেলার ভূরুলিয়া, কাশিমাড়ী, শ্যামনগর সদর, নুরনগর, কৈখালী, মুন্সিগঞ্জ ও রমজাননগর ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রমে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৮ই জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টার সময় শ্যামনগর উপজেলা হলরুমে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা তুষার মজুমদার এর সভাপতিত্বে ও নাগরিক উদ্যোগ খুলনা বিভাগীয় সহকারী সমন্বয়কারী পলাশ দাস এর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) প্রভাষক সাঈদ-উজ-জামান সাঈদ  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি গাজী ইমরান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা পক্ষে সাবরিন সুলতানা, ভূরুলিয়া ইউনিয়ন সমাজসেবা কর্মকর্তা তারক দেবনাথ, উপজেলা তথ্য সহায়তা কেন্দ্রের বিউটি রানী, নাগরিক উদ্যোগ খুলনা জেলা ভলান্টিয়ার দুলাল দাস, চেইজ্ঞ এজেন্ট ভবতোষ বৈরাগী প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় দলিত, হিজড়া ও ট্রান্সজেন্ডার, প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী সহ সমাজে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীদের ক্ষমতায়ন ও বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণ এর লক্ষ্যে পেশা সংক্রান্ত, প্রধান সমস্যা সমূহ, তাদের জীবন মান উন্নয়নে উদ্যোগ ও করনীয় সম্পর্কে মুক্ত আলোচনা করা হয়।

উন্নয়ন কার্যক্রমে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি বিষয়ক মতবিনিময় সভা

 উপকূলীয় অঞ্চল( শ্যামনগর ) প্রতিনিধিঃ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন ও বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণ   প্রকল্প এর আওতায় নাগরিক উদ্যোগ এর আয়োজনে শ্যামনগর উপজেলার ভূরুলিয়া, কাশিমাড়ী, শ্যামনগর সদর, নুরনগর, কৈখালী, বিস্তারিত....

 উপকূলীয় অঞ্চল (শ‍‍্যামনগর) প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপকূলীয় অঞ্চলের সকাল থেকে সূর্যের দেখা যায়নি, তবে কুয়াশার ভিতর হালকা বৃষ্টি সাথে ঠান্ডা বাতাস লক্ষ করা যায়।সপ্তাহ জুড়ে প্রচন্ড শীতে জনজীবন কিছুটা নাজুক থাকলেও (১৮ জানুয়ারি)বৃহস্পতিবার উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায় ঠান্ডা মৃদু বাতাস সাথে বৃষ্টির কারণে শৈতপ্রভাব শুরু হয়েছে। শৈতপ্রবাবের কারনেই মানুষের আনাগোনা কম থাকলেও  শ্রমজীবী মানুষের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।
নীলডুমুর বাজারে ৮২ বছরের বৃদ্ধ বক্স সরদার  বলেন,শীত যে হারে লাগেছে টিকে থাকা দায়,তার উপর ঠান্ডা বাতাস,বয়স হয়েছে অনেক কষ্টে আছি।
দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরার সোরা গ্রামের হাকিম শেখ জানান,শীত বাতাস পড়লে কি হবে কামাই করে খেতে হবে, গরিব মানুষের শীত লাগলে মুখে বলতে নেই।
এছাড়া উপজেলা সদর ইউনিয়ন বাদঘাটা গ্রামের (৭৫)বছর বয়সী নরসুন্দর নবী গাজী এমন ঠান্ডায় দোকান খুলেছেন কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,দোকান না খুললে খাব কি, সাত পেটের জোগন দিতে হয় কষ্ট হলেও কিছু করার নেই।
ঠান্ডা প্রকোপ বেশি হাওয়ায় উপজেলায় পক্ষ থেকে কতটা কম্বল বরাদ্দ আছে কিম্বা বিতরন করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে উপজেলা প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনুল ইসলাম বলেন,আমাদের উপজেলার মোট কম্বল বরাদ্দ আছে সাড়ে পাঁচ হাজারে মত, ইউনিয়ন ভিত্তিক চারশত করে,মুক্তিযোদ্ধাদের দুইশত সত্তর,প্রতিবন্ধদের ত্রিশটি,আশ্রায়ণদের ত্রিশটি এছাড়া কিছু ছিন্নমূল দুস্থদের এখান থেকে দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান। এছাড়া শীতের তিব্রতা বাড়ার কারণে শিশুদের ডায়রিয়া সহ শাষকষ্ট জানিত রুগী বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জনানা উপজেলা সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির সাথে জেঁকে বসেছে শীত জুবুথুবু পকূলীয় অঞ্চল

 উপকূলীয় অঞ্চল (শ‍‍্যামনগর) প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপকূলীয় অঞ্চলের সকাল থেকে সূর্যের দেখা যায়নি, তবে কুয়াশার ভিতর হালকা বৃষ্টি সাথে ঠান্ডা বাতাস লক্ষ করা যায়।সপ্তাহ জুড়ে প্রচন্ড শীতে জনজীবন কিছুটা নাজুক বিস্তারিত....

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে উপকূলীয় ও দূর্গম এলাকায় অবস্থিত বিদ্যালয়সমূহে আন্তর্জাতিক ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম পৌঁছে দেওয়া ও অংশগ্রহণমূলক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং জনমিতিক লভ্যাংশ আহরণের লক্ষ্যে সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশুদের জন্য আধুনিক ও সমতাভিত্তিক আন্তর্জাতিক ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম নিশ্চিত করার লক্ষে জেলা প্রশাসনের অর্থায়নে উপজেলা পুরাতন প্রশাসনিক ভবনে স্টেট অব আর্ট ডিবেটিং ক্লাব স্থাপন করেছেন উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারী) বিকেল ৪ টায় ভার্চুয়ালি স্টেট অব আর্ট ডিবেটিং ক্লাবের শুভ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাঃ খালিদ হোসেন।

ভার্চুয়ালি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি)মোঃ আব্দুল জব্বার, এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অরবিন্দ বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালিদ হোসেন অবজারভার প্রতিবেদককে জানান “এই ডিবেটিং ক্লাব প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি করবে বলে আমি মনে করি। এটা একটি অংশগ্রহণমূলক শিক্ষা কার্যক্রম।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ আব্দুল জব্বার জানান , এই আইকনিক ডিবেটিং ক্লাবটি গ্রামের শিক্ষার্থী ও শহরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইংরেজি চর্চার বিদ্যমান বৈষম্য হ্রাস করবে। এই উদ্যোগ ২০৪১ সালের মধ্যে জনমিতিক লভ্যাংশ আহরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম তারেক সুলতান জানান “ডিবেটিং ক্লাবটি বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করবে। আমরা দৈনন্দিন শিক্ষা কার্যক্রম ও ডিবেটিং কার্যক্রম ইউটিউব চ্যানেল ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করবো যাতে সকল শিক্ষার্থী এই শিক্ষার সুযোগ পাবে।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভাপতি এ্যাডভোকেট শাহ-ই- আলম বাচ্চু জানান,উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপটি শিক্ষার পরিবেশ এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

এসময়ে, উপজেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মুস্তাফিজুর রহমান ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস এম সাইফুল আলম তাদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

এসময়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল জাবির,আইসিটি কর্মকর্তা ত্রিদীপ সরকার, জাইকা প্রোগ্রাম অফিসার রিয়াজ হোসেন স্থানীয় গনমাধ্যম কর্মীরা,বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসন সুত্রে জানা যায়,এ ক্লাবে ৫জন বৃটিশ কাউন্সিল কর্তৃক প্রশিক্ষিত শিক্ষক দ্বারা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের ডিবেটিং শিখানো এবং আন্তর্জাতিক ভাষা শিখানো হবে।

ইতোপূর্বে, স্থানীয় সংসদ সদস্যের অর্থায়নে মোট ৮৭৪টি ডিকশনারি প্রদান করা হয়েছে যার মধ্যে ৪৩৭টি অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি এবং বাংলা একাডেমি ডিকশনারি রয়েছে। পাশাপাশি,উপজেলার সকল ইংরেজি বিষয়ক শিক্ষকদের ০৩দিন ব্যাপী টিওটি (ট্রেইনিং অফ দ্যা ট্রেইনার্স) প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

মোরেলগঞ্জে ডিবেটিং ক্লাবের শুভ উদ্বোধন

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে উপকূলীয় ও দূর্গম এলাকায় অবস্থিত বিদ্যালয়সমূহে আন্তর্জাতিক ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম পৌঁছে দেওয়া ও অংশগ্রহণমূলক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং জনমিতিক লভ্যাংশ আহরণের লক্ষ্যে সমাজের পিছিয়ে পড়া বিস্তারিত....

 উপকূলীয় প্রতিনিধিঃ
আইলা বিদ্ধস্ত মরুভূমি বনে যাওয়া শ্যামনগর উপজেলার দ্বীপ বেষ্টিত গাবুরা ইউনিয়নে উৎসব করে গাছ কাটার প্রতিবাদে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সিডিও ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর আয়োজনে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় শ্যামনগর বাসস্ট্যান্ডে সিডিওর নির্বাহী পরিচালক উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি গাজী আল ইমরান এর সভাপতিত্বে ও সিডিও ইয়ুথ টিমের সদস্য হাফিজুর রহমান হাফিজ এর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে সিডিও ইয়ুথ টিমের সদস্য রুহানি ইসলাম, আবু রায়হান, সাবেক ছাত্রনেতা মিডিয়া কর্মী মেহেদী মারুফ, সিএনআরএস এর উপজেলা সমন্বয়কারী স্মরণ চৌহান, সাইট অফিসার শহিদুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবী ও মিডিয়া কর্মী মারুফ হোসেন মিলন, ইউপি সদস্য ফরিদা পারভীন, সেচ্ছাসেবী ইমাম হোসেন, ফেইথ ইন একশনের সমন্বয়কারী মিল্টন বড়ই বক্তব্য রাখেন।
সিএনআরএস এর সার্বিক সহযোগিতায় মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,গাবুরা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে ২০৯০ মিটার ওয়াপদার বেড়িবাঁধের কাজ চলমান রয়েছে। বেড়িবাঁধের কাজ করতে যেয়ে নদীর পাড়ে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৩ হাজারের অধিক গাছ কেটে ফেলেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। লক্ষ লক্ষ টাকা মূল্যের কাটা গাছ গুলো নিয়ে স্থানীয়রা জ্বালানি থেকে শুরু করে নিজেদের বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করছেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ৩ হাজারের ও বেশি গাছ কাটলেও মাথাব্যথা নেই বন বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। এযেন হরিলুটের বাতসা যে যেভাবে পারছে লুটে নিচ্ছে। ৩ হাজারের অধিক বিভিন্ন ধরনের গাছ গুলো এলাকাবাসী ও শ্রমিকরা প্রতিনিয়ত নিয়ে নিজেদের কাজে লাগাচ্ছে।এভাবে গাছ কাটতে  থাকলে মারাত্মক ভাবে হুমকির মুখে পড়বে পরিবেশ ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী। বক্তারা আরও বলেন, নিশ্চই অবগত আছেন আইলা পরবর্তী সময়ে লোনা পানির আগ্রাসনে দ্বীপ বেষ্টিত গাবুরা ইউনিয়ন ধু ধু মরুভূমিতে পরিণত হয়। সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় গাবুরা ইউনিয়নে বিভিন্ন রাস্তার পাশ, বেড়িবাধ এবং নদীর চর বনায়ন করা হলেও কিছু স্বার্থনেষী পরিবেশ বিমুখ মানুষের কারণে উক্ত বনায়ন কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়তে শুরু করেছে।  ইতিমধ্যে গাবুরার স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গাবুরার চর বনায়নের গাছ কর্তনের বিরুদ্ধে মানবন্ধন সহ বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচী পালন করলেও সামাজিক বন বিভাগ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন মানববন্ধনকারীরা।

নদীর চরে উৎসব করে গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান 

 উপকূলীয় প্রতিনিধিঃ আইলা বিদ্ধস্ত মরুভূমি বনে যাওয়া শ্যামনগর উপজেলার দ্বীপ বেষ্টিত গাবুরা ইউনিয়নে উৎসব করে গাছ কাটার প্রতিবাদে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সিডিও ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর আয়োজনে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা বিস্তারিত....

 উপকূলীয় অঞ্চল(শ‍্যামনগর)প্রতিনিধিঃ
শ‍্যামনগর উপজেলার বৃহত্তম বাজারের মধ্যে কাচামাল বাজারটি সু-সংগঠিত একটি বাজার।
উক্ত কাচা বাজার ব‍্যবসায়ীদের পরিচালনা কমিটি তৈরির লক্ষে গত বুধবার ( ১৭ জানুয়ারি ২৪) তারিখে বাজার ব‍্যবসায়ীদের সমর্থনে মোঃ সোহরাব হোসেন কে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জে,এম নুরইসলাম কে নির্বাচিত করেন।
 কার্যকারি কমিটির ১১ জন বিশিষ্ট সদস্য নিয়ে কাচামাল ব‍্যবসায়ী পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলাম।
সভাপতি মোঃ সোহরাব হোসেন বলেন শ‍্যামনগর কাচামাল ব‍্যবসায়ীদের নিয়ে আমরা গত বুধবার এই কার্যকারি কমিটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠন করি।
আমারা নিয়ম অনুযায়ী এই বাজারকে সঠিক পথে পরিচালনা করব এ প্রত্যাশা নিয়ে আমরা এই কমিটি গঠন করেছি।

শ‍্যামনগর কাচা বাজার ব‍্যবসায়ীদের কমিটি গঠন সভাপতি সোহরাব হোসেন সম্পাদক জে,এম নুরইসলাম

 উপকূলীয় অঞ্চল(শ‍্যামনগর)প্রতিনিধিঃ শ‍্যামনগর উপজেলার বৃহত্তম বাজারের মধ্যে কাচামাল বাজারটি সু-সংগঠিত একটি বাজার। উক্ত কাচা বাজার ব‍্যবসায়ীদের পরিচালনা কমিটি তৈরির লক্ষে গত বুধবার ( ১৭ জানুয়ারি ২৪) তারিখে বাজার ব‍্যবসায়ীদের সমর্থনে বিস্তারিত....

কয়রা থেকে মোঃ আল আমিন রানা

খুলনার কয়রা উপজেলার কয়রা মদিনাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ৫২ তম জাতীয় স্কুল,মাদরাসা ও কারিগারি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেছেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো.রশীদুজ্জামন মোড়ল।শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান কয়রা-পাইকগাছার সংসদ সদস্য মো.রশীদুজ্জামান মোড়ল ।

বুধবার কয়রা সদরে কয়রা মদিনাবাদ সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ৫২ তম জাতীয় স্কুল মাদ্রাসা ও কারিগরি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত সংসদ সদস্য মো.রশীদুজ্জামান মোড়ল বলেন, বর্তমান সরকারের যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা সর্বস্তরে বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষক, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।

ভালো ফল অর্জনে শিক্ষকদের ফলপ্রসূ পাঠদানে আরো যত্নবান এবং শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় আরো বেশি মনোযোগী হতে হবে।মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অন্তরে লালন করে এ দেশকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম শফিকুল ইসলাম,সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারিক উজ-জামান,ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,উপজেলা শিক্ষা অফিসার সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও অভিভাবক গণ।

পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা করতে হবে-এমপি রশীদুজ্জামান

কয়রা থেকে মোঃ আল আমিন রানা খুলনার কয়রা উপজেলার কয়রা মদিনাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ৫২ তম জাতীয় স্কুল,মাদরাসা ও কারিগারি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেছেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো.রশীদুজ্জামন মোড়ল।শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত....

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধি :

খুলনার কয়রায় উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করেছেন খুলনা-৬ আসনের নবাগত সংসদ সদস্য মোঃ রশিদুজ্জামান ।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুর ১ টায় কয়রা উপজপলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় মধ্যমণি ছিলেন খুলনা ৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মো. রশীদুজ্জামান।
মতবিনিময়কালে রশীদুজ্জামান বলেন,জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারীরা মিলে আয়লা,আম্পান ও সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত কয়রাকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করতে হবে। সকল ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সহযোগিতা পেলে আমার কাজকে সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারবো।
উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাল,ভাইস চেয়ারম্যান কমলেশ কুমার সানা,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম,উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভামি) এ বি এম তরিক-উজ- জামান,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেজাউল করিমসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা,ও ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ।
এর আগে কয়রা মদিনাবাদ সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ৫২ তম জাতীয় স্কুল,মাদ্রাসা ও কারিগরি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুভ উদ্বোধন করেন।

কয়রায় উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে নবাগত এমপি রশিদুজ্জামানের মতবিনিময়

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধি : খুলনার কয়রায় উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করেছেন খুলনা-৬ আসনের নবাগত সংসদ সদস্য মোঃ রশিদুজ্জামান । বুধবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুর ১ টায় কয়রা উপজপলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা বিস্তারিত....

মনির বাবু. বিশেষ প্রতিনিধি।

মাঠ পর্যায়েএমআই এস এ ইজিপিপি+ কর্মসূচির উপকারভোগীদের ডাটা এন্ট্রি, হাজিরা নিশ্চিত করণ ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন সমন্বয় সম্পর্কিত বিষয়ে সচেতনতা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল ১৫ জানুয়ারি (বুধবার) সকাল ৯টায় কক্সবাজার বিয়াম ফাউন্ডেশন হল রুমে SMoDMRPA প্রকল্প,দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরান, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন SMoDMRPA প্রকল্প পরিচালক ড.মোঃ মনিরুজ্জামান (অতিরিক্ত সচিব)।


আরো উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বিভীষণ কান্তি দাস,কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সম্রাট খীসা, ঈদগাহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুবল চাকমা, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফখরুল ইসলাম, পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার চাই থোয়াইহলা চৌধুরী, মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীকি মারমা, কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাশেদুল ইসলাম, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আদনান চৌধুরী, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর হোসেন, রামু উপজেলার এসিল্যান্ড নিরুপম মজুমদার।

SMoDMRPA প্রকল্পের প্রোগ্রাম স্পেশালিষ্ট প্রদীপ কুমার কুন্ডু,MIS স্পেশালিষ্ট আরিফুর রহমান,ডিডিএম কনসালটেন্ট মোঃ তুহিন,ফিরোজ হোসেন ও রফিকুল ইসলাম রফিক।

কক্সবাজার সদর ও রামু উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজ কুমার শীল, ঈদগাহ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হারুন উর রশিদ, চকরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু হাসনাত সরকার, পেকুয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু তাহের, মহেশখালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাউসার আহমেদ, কতুবদিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, টেকনাফ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান, উখিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আল মামুন।

ইজিপিপি+ কর্মসূচির কক্সবাজার জেলার ঈদগাহ উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান,সদর উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী শেখ বাহা উদ্দীন মজুমদার ,রামু উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাকির হোসেন,চকরিয়া উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী রায়হান শরীফ ও মামুন, পেকুয়া,উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী গিয়াস উদ্দিন,মহেশখালী উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী পলাশ কুমার রায়, কুতুবদিয়া উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোস্তাইম বিল্লাহ,টেকনাফ উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী জুয়েল রানা ও বেনজির আহমেদ, উখিয়া উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী সামিউল ইসলাম।

সুশীলনের ডেপুটি চীফ এক্সিকিউটিভ নাসির উদ্দীন ফারুক, ইজিপিপি+ কর্মসূচি সুশীলনের টিম লিডার শহিদুল ইসলাম, গভ.লিয়াজো ট্রেইনিং স্পেশালিষ্ট আনোয়ারা খানম, কমিউনিটি ওয়ার্ক ফেয়ার স্পেশালিষ্ট সুমনা সারাহ ভূইয়া, ইজিপিপি+ কর্মসূচি সুশীলনের চকরিয়া উপজেলা দ্বায়িত্বরত ডাটা এন্ট্রি অপারেটর কাম কমিউনিটি মবিলাইজার মাসুদূর রহমান মাসুদ,সদর উপজেলার মনির বাবু, রামু উপজেলার মজিবুর রহমান, ঈদগাহ উপজেলার ইমরান হোসেন,পেকুয়া উপজেলার পলাশ কুমার, মহেশখালী উপজেলার সাজ্জাদ হোসেন, কুতুবদিয়া উপজেলার তারিকুল ইসলাম রুবেল, টেকনাফ উপজেলার আলামিন হোসেন, উখিয়া উপজেলার মোক্তার হোসেন।

কর্মশালায় অতিদরিদ্রের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি প্লাস ইজিপিপি+ কার্যক্রম বাস্তবায়ন বিষয়ে বিভিন্ন দিক নির্দেশনায় বক্তারা বলেন,ইজিপিপি+ কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রামীণ অবকাঠামোকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে কর্মযজ্ঞের মান নিশ্চিতে কাজ করছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। রোহিঙ্গাদের কারণে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়া স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অর্থনীতি সচল রাখার পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরিতে ভুমিকা রাখছে সরকারের অতিদরিদ্রের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি প্লাস (ইজিপিপি+) প্রকল্পটি।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।

কক্সবাজারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সচেতনতা কর্মশালা

মনির বাবু. বিশেষ প্রতিনিধি। মাঠ পর্যায়েএমআই এস এ ইজিপিপি+ কর্মসূচির উপকারভোগীদের ডাটা এন্ট্রি, হাজিরা নিশ্চিত করণ ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন সমন্বয় সম্পর্কিত বিষয়ে সচেতনতা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ১৫ জানুয়ারি (বুধবার) বিস্তারিত....

উৎপল মণ্ডল,শ্যামনগর প্রতিনিধি।
প্রতিবছর শীত মৌসুমী পহেলা মাঘে সমগ্র সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকা জুড়ে সুন্দরবন নির্ভরশীল বনজীবী জেলে বাউলিয়া মুলত সুন্দরবনের উপর জীবন জীবিকায় নিরাপত্তায় জন্য তারা বিশ্বাস করে বনবিবি পূজা করে থাকেন।তারই ধারাবাহিকতায় উপকূলীয় কয়েকটি ইউনিয়নে সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে কালিঞ্চ,চুনকুড়ি,কূলতলি সহ পৌষসংক্রান্তি থেকে শুরু হয় এবং  মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নে কুলতলী গ্রামে বেশ জাঁকজমক ভাবে মেলা চলে দুই তিন দিন ধরে।
সুন্দরবনের পেশায় জীবন জীবিকা নির্ভরশীল বনজীবীরা বনের রক্ষাকর্তা হিসেবে বনবিবি পূজা তাদের বিশ্বাসের দেবতা।উপকূলের লোকা, কাহিনীতে বন বিবির ইতিহাসের কথা জানা যায়।অনেক পুরানো সেই ইতিহাস। এতদ্বকালে সুন্দরবনে সে সময় দ্বন্ডবক্ষ  নামে এক রাজা ছিলেন।তিনি ছিলেন প্রজাবৎসল্য সব্যসাচী তার স্ত্রী রায়মনি,তাদের যথেষ্ট আধিপত্য ছিল। প্রজাকুলের দেখভাল করতেন।কথিত আছে জঙ্গলে যত দানব দৈত্য ভূতপ্রেতা ডাকেনি যোগিনী সব তার অনুগত্য ছিল।তার ছিল ৩৭ কোটি সিপাহি  লসকার সমুদ্র সৈকতে কোনো একখানে ছিল তার রাজধানী।  তাদের ছিল একটি সন্তান নাম দক্ষিণারায়,সে দিনে দিনে দস্তর পরক্রমশালী হয়ে ওঠে।তপস্যা বলে বাঘ মূর্তি ধারণ করে মানুষ ধরে খেত।মানুষ ভীতি সন্ত্রস্ত হয়ে পড়লো।কেউ আর বাদাবনে মধু সংগ্রহ করতে যেতে পারে না।সৃষ্টিকর্তাকে ডাকতে থাকলো মানুষজন।পরম করুনাময় খোদাতালা দুষ্টের দমনের জন্য বনবিবি ও শাহ জঙ্গলিকে দুনিয়ায় পয়দা করলেন।১৮ ভাটিতে যাওয়ার জন্য হুকুম করলেন।  বনবিবির পিতৃপরিচয়ে তৎকালীন মক্কর ধর্মভিরু দরিদ্র এবরাহিম ফকিরের দ্বিতীয় স্ত্রী গুলাল বিবির গর্ভে বনবিবি ও শা-জঙ্গুলী নামে জমজ ভাই বোনের তাদের মা বনবাসে থাকাকালীন সুন্দরবনের মধ্যে  জন্ম হয়।উল্লেখ্য এবরহিম ফকির তার ১ম স্ত্রী ফুলবিবির সঙ্গে ওয়াদা রক্ষার্থে তার কথামতো পুণ মাসে নিষ্ঠুর ভাবে গুলাল বিবিকে বনবাসে পাঠায়। পরম করুনাময় রাব্বুল আলামীনের অশেষ কৃপায় জঙ্গলে দুই ভাই বোন ফলমূল হরিণদুগ্ধ পানে বড় হতে থাকে।এক পর্যায়ে দুই ভাই বোন মা ও বাবা ইব্রাহিম ফকিরের সঙ্গে জঙ্গলে তাদের মিলন ঘটে। তারা বাবা মায়ের কান্নাকাটি উপেক্ষা করে দুই ভাই বোন আল্লাহর ডাকে মদিনাতে চলে যান।ওখানে নবীজির আওলাদ এক কামেল সাহেবের কাছে মুরিদ হলো।মারফত কালাম বিদ্যায় তালিমও নিল। খোদার দরবারে দুই ভাই বোন মোনাজাত করলো।
 আল্লাহ পাক সন্তুষ্টিতে তাদের উপর ওহী নাযিল হলো।তোমাদেরকে খেলাফত দান করা হলো।১৮ ভাটিতে চলে যাও।আল্লাহপাক সব সময় তোমাদের সঙ্গে থাকবে।ওখানে ১৮ হাজার জাত( জীব) পয়দা আছে ।তুমি যে ১৮ ভাটিতে সবার মা।বিপদে পড়েছে তোমাকে মা বলে ডাক দিবে তাদের উদ্ধার করবে। সেই থেকে বনবিবি বনের দেবতা, মা বলেই জানেন সবাই।বন বিবির পুথীর ইতিহাসে বলা হয়েছে মায়ের প্রথম পূজা ও তার কীর্তি থেকে বনবিবি ও শা- জঙ্গলী মদিনা থেকে অনেক কষ্ট সহে ভাটির অঞ্চল ১৮ ভাটিতে পৌঁছায়।এবং ভুরকুন্ডে তার শিকড় গাড়েন।এখানে ছিল সেই দুষ্টু শাসক দক্ষিণা রায় তার মা রায় মনিকে যুদ্ধে পরাজিত করে সন্ধি স্থাপন করেন।উল্লেখ্য জঙ্গলে  বাদাবনের প্রথম মৌয়াল ধুনাই মৌলে তার বহর নিয়ে জঙ্গলে যায় মধু ভাঙতে। মধু না পেয়ে এক সময় চতুর দক্ষিণা রায়ের সঙ্গে তার দলের পাচক ছোট ছেলে দুখে কে খেতে দিলে তার সপ্তবহর মোম মধু  ভরিয়ে দেবে।ফন্দি করে চতুর্থ ধোনাই মৌলে দুখেকে কেঁদো খালি নামক স্থানে কাঠ কাটার জন্য তুলে দেয়। দক্ষিণা রায় বাঘ রূপ ধারণ করে দুখে কি খেতে আসলে তার অশীতিপর বৃদ্ধ মায়ের আদেশ মত বনবিবিকে মা-মা বলে চিৎকার করতে থাকে।মা-সঙ্গে সঙ্গে মক্ষি রূপে ছুটে আসে।আক্রান্ত দুখে কে কোলে তুলে নিয়ে জলের ছিটে দিলে  জ্ঞান ফিরে আসে।দুখে কে অনেক ধন দৌলত দিয়ে সেঁকো নামক কুমিরের পিঠপ তুলে দিয়ে  বাড়ি পৌঁছে দেন।দুখেকে বাঘে খেয়েছে বলে ধোনাই মৌলের মিথ্যা প্ররোচনায় দুঃখের মা পাগল বেশে ঘুরতে থাকে।দুখেকে পেয়ে তার বৃদ্ধ মা হয়ে  মা বনবিবি সন্তুষ্টির জন্য গলায় কুড়াল ঝুলিয়ে সাত সাতগ্রাম  মাং( ভিক্ষা)চাল চিনি দুধ দিয়ে রান্না করে বনবিবির পূজায় দেওয়া হল।সেই থেকে যুগ যুগ ধরে অদ্যবধি চলে আসছে মায়ের নামে পুথি পাঠ করে বন বিবি পূজা করা। যেহেতু বন বিবি ইসলাম ধর্মীয় অনুকরণীয় তাই তার পূজায় সকল শ্রেণীর মানুষ সহ বনজীবিরা ক্ষীর রান্না করে  মোরগ উড়িয়ে মানত করেন।বনবিবি মা আছেন সুন্দর বনে,থাকুন তিনি অমর হয়ে।

সুন্দরবনের বনজীবিদের বিশ্বাস বনবিবি পূজা 

উৎপল মণ্ডল,শ্যামনগর প্রতিনিধি। প্রতিবছর শীত মৌসুমী পহেলা মাঘে সমগ্র সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকা জুড়ে সুন্দরবন নির্ভরশীল বনজীবী জেলে বাউলিয়া মুলত সুন্দরবনের উপর জীবন জীবিকায় নিরাপত্তায় জন্য তারা বিশ্বাস করে বনবিবি পূজা বিস্তারিত....