সংবাদ শিরোনামঃ
কালিগঞ্জের মথুরেশপুর বিএনপির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নে আস্থার প্রতীক কৃষ্ণপদ পরমান্য, চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় জনগণ শ্যামনগরে প্যারাসুট সাদৃশ কাপড় ও ডিভাইস উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য ভিত্তিক জীবন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলেই জীবন পরিপূর্ণ- সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে -এমপি মুহা: রবিউল বাশার  কালিগঞ্জের ভাড়াশিমলা বিএনপির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হাদি হত্যার অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীর পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে সশস্ত্র ডাকাতি: বিকাশ এজেন্ট গুরুতর আহত, এলাকায় আতঙ্ক সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা. ফয়সাল আহমেদের যোগদান  তেল সিন্ডিকেটে কঠোর আঘাত ইউএনও”র, শ্যামনগরবাসীর মুখে স্বস্তির হাসি সুন্দরবন ভ্রমণের স্টেকহোল্ডারদের মাঝে ডাস্টবিন বিতরণ ও গাবুরার শিক্ষার্থীদের জন্য ট্রলার উপহার
ছোট বৌয়ের সহযোগিতায় বড় বউকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ

ছোট বৌয়ের সহযোগিতায় বড় বউকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ

শ‍্যামনগর প্রতিনিধিঃ

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ছোট বৌয়ের সহযোগিতায় বড় বউকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার চেষ্টা। শ্যামনগর উপজেলার রমজান নগর ইউনিয়নের সোনাখালী গ্রামের মাকসুদুর রহমান অভিযোগ করেন। তিনি বলেন আমার মেয়ে হাফিজ আক্তার কে শ্যামনগর কালীগঞ্জ ‌ কালিগঞ্জ সীমানা এলাকায় রতনপুর ইউনিয়নে মৃত দাউদ আলী সরদারের পুত্র মোঃ রহমত আলী এর সাথে শরীয়ত মোতাবেক ১৫ বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময় যৌতুকের দাবিতে মারধর ও মানসিক নির্যাতন করে । তাদের একটি পুত্র সন্তান হওয়ার পর কিছুদিন ভালো গেলেও আবারও টাকার জন্য নানাভাবে অত্যাচার করে। তাদের ১৩ বছরের একটি পুত্র ও ছয় বছরের একটি কন্যা সন্তান আছে। তারপরও আমার জামাতা পর নারী আসক্ত হয়ে বড় বউ সম্মতি নানিয়ে গোপনে শ্যামনগর সদরে বিয়ে করে। বিয়ে করার কিছুদিন পর ছোট বউ বাড়িতে নিয়ে যায়। আমার মেয়ে জামাইয়ের কাছে আবার দ্বিতীয় বিয়ে করেছে কেন জানতে চাইলে জামাই রহমত আলী ও তার ছোট স্ত্রী হুজাইফা আক্তার আকলিমা দুজনে ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পরে তার ঘরে মারধর করে, এক পর্যায় শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার চেষ্টা করে। আমার মেয়ের ছেলে রিফাত হোসেন তার ডাক চিৎকারে পার্শ্ববর্তী চাচারা এসে তাদের হাত থেকে উদ্ধার করে। তখন মেয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে ভর্তি করে। শ্যামনগর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসা ডাঃ সিউজ্জামান জানান, রোগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, তার শারীরিক অবস্থা অবনতি দেখে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। তিনি আরো বলেন, আমার মেয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে খুব খারাপ অবস্থায় পড়ে আছে । মেয়েকে মার ধরে সাথে জড়িত জামাই ও ছোট বউয়ের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কামনা করেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধ।

পায়ে সু আর চোঁখে সানগ্লাস পরা কি অপরাধ ? এমন প্রশ্ন তুলেছেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালক বশিরউদ্দীন। তার দাবি, ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে মনগড়া ও অসত্য তথ্য দিয়ে অপপ্রচার করছে একটি চক্র।

সংবাদমাধ্যমের কাছে এমন অভিযোগ তুলে বশিরউদ্দীন বলেন, আমি একজন সরকারি গাড়িচালক। নিয়ম মেনে দায়িত্ব পালন করি। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে গল্প সাজিয়ে বলা হচ্ছে, নষ্ট গাড়ির নামে বিল তোলা হয়। অথচ এ অভিযোগ সঠিক নয়।

তিনি জানান, হাসপাতালে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স ও একটি পিকআপসহ চারটি গাড়ি সচল রয়েছে। তবে সরকারি চালক মাত্র দুইজন। তিনি নিজে ও অপর চালক জয়নুল আবেদীন। বাকি দুইটি গাড়ি চালান স্বেচ্ছাসেবক সুমন গাজী ও হায়দার আলী। যেখানে সব গাড়ি সচল, সেখানে নষ্ট গাড়ির নামে বিল তোলার অভিযোগ হাস্যকর। পায়ে সু বা চোখে সানগ্লাস পরে ডিউটি করার বিষয়টিকে অপরাধ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। অথচ আইনে বলা আছে, চালকদের পায়ে সু পরা বাধ্যতামূলক। চশমাটি মূলত ২৫০ পাওয়ারে অটোসান চশমা। যা রোদে গেলে কালো ও ছায়ায় আসলে সাদা হয়।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক কুদরত-ই-খুদা বলেন, বশিরউদ্দীনের বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ এনে প্রচার করা হচ্ছে সেটি মনগড়া। লক্ষ্য করলে দেখবেন জনস্বার্থে তথ্য তুলে ধরা হয়নি, বরং ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা মেডিকেলের গাড়িচালক বশিরউদ্দীনকে নিয়ে অপপ্রচার

কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

কালিগঞ্জের পল্লীতে মাদকের বিরুদ্ধে  প্রতিবাদ করায় হামলার ঘটনায় পাঁচজন হাসপাতালে। ঘটনাটি উপজেলার কালিকাপুর গ্রামে ঘটেছে। থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানাগেছে, দীর্ঘদিন যাবৎ প্রশাসনের নজর এড়িয়ে স্থানীয় একটি চক্র অবাধে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে। সচেতনমহল হীন কাজের প্রতিবাদ করলেও বন্ধ হয়নি তাদের মাদক ব্যবসা ও সেবন। বৃহস্পতিবার বিকেলে কালিকাপুর খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী মুকুল ঢালী, আইয়ু আলী, মিজানুর রহমান, তরিকুল ইসলাম, মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করলে চক্রটির সদস্যরা প্রতিবাদকারিদের বেদম মারধর ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে মারাত্মক যখম অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জানা যায়, উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের কালিকাপুর এলাকার মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম, আজগার আলী, আলাউদ্দীন, নাসির উদ্দীন, সাইফুল ইসলাম, ইমরান হোসেন ও মনিরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রি করে আসছে। এলাকাবাসী বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিষেধ ও প্রতিবাদ করলেও তারা উল্টো হুমকি ধামকি দিয়ে শান্তি ভঙ্গের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে জাহাঙ্গীর গং আয়ুব আলীসহ প্রতিবাদ কারীদের বেধড়ক মারপিট করায় পাঁচজন মারাত্মক যখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা পুলিশ প্রশাসনের কাছে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও এলাকায় মাদক ব্যবসা বন্ধের জন্যে জোর দাবি জানিয়েছে।

কালিগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে  প্রতিবাদ করায় হামলায় হাসপাতালে পাঁচজন

শ্যামনগর, সাতক্ষীরা।
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহ সেবক আব্দুল মজিদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন,
মোঃ মারুফ হোসেন, পিতা- মৃতঃ শহিদুল ইসলাম, গ্রামঃ- গুমানতলী, পোষ্টঃ- ঈশ্বরীপুর, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা অসুস্থ্য হয়ে আব্দুল মজিদের কাছে চিকিৎসা গ্রহন করেন। পরবর্তীতে তার অভিযোগ অনুযায়ী তার পা কর্তন করতে হয়। তিনি আব্দুল মজিদের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ করে।
পরিচালক (স্বাস্থ্য), খুলনা বিভাগ, খুলনা।
 সিভিল সার্জন, সাতক্ষীরা।
আবাসিক মেডিকেল অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্তের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের তিন কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানা যায়।
তদন্ত কমিটিকে আগামী ০৩ কর্ম দিবসের মধ্যে যথাযথ তদন্ত পূর্বক লিখিত আকারে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
 এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেরে সহ সেবক আব্দুল মসজিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি আমি শুনেছি এবং আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে এটা আমি জানি।

সহ সেবক আব্দুল মজিদের ভুল চিকিৎসার কারণে রুগীর পা কর্তন করতে হয় অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *