দেবহাটা প্রতিনিধিঃ
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস—বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন, যা একই সাথে দুটি বিপরীতমুখী ধারার রাজনৈতিক সমীকরণের এক ঐতিহাসিক মোহনা। এটি কেবল একটি তারিখ নয়, বরং স্বাধীনতা রক্ষার এক কঠিন পরীক্ষার প্রতীক।১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর আবার নতুন করে প্রমাণিত হয়েছিল। এই দিনটি ছিল বাংলাদেশের নিপীড়িত, বঞ্চিত ও শোষিত মানুষের শৃঙ্খলমুক্তির এক নতুন অধ্যায়, যা এতদিন পর্যন্ত বাকশালের নাগপাশে বন্দি ছিল।মুক্তিলাভের পর জিয়াউর রহমান দেশকে এক ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে তুলে এনেছিলেন। তার হাত ধরেই বহুদলীয় গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করার জন্য যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেন। ‘খাল কাটা’ কর্মসূচি, ‘গ্রাম সরকার’ ব্যবস্থা এবং নতুন শিল্পনীতি গ্রহণের মাধ্যমে তিনি কৃষি ও শিল্প খাতে নতুন জীবন সঞ্চার করেন। তার দূরদর্শী নেতৃত্ব বাংলাদেশকে একটি স্থিতিশীল ও প্রগতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত করে। তিনি বৈদেশিক সম্পর্ক জোরদার করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেন।তাই এই দিনটি দেবহাটা উপজেলা বিএনপির নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালান করে, তার ধারাবাহিকতায় ৭ই নভেম্বর রোজ শুক্রবার বিকাল চারটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রাটি সখিপুর মোড় হতে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ধোঁপাডাঙ্গা মোড়ে এসে শেষ হয় এবং সেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক ও জেলা বিএনপির সদস্য শেখ সিরাজুল ইসলাম।উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক বাবু, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোখলেছুর রহমান, বিএনপি নেতা আব্দুল হাবিব মন্টু, সাবেক ছাত্রনেতা শহিদুল ইসলাম,আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা ও দৈনিক দৃষ্টিপাতের নির্বাহী সম্পাদক আবু তাবেল মোল্যা, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামরুজ্জামান কামরুল, সদস্য সচিব মেহেদী হাসান সবুজ, সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান ফহরাদ,সদস্য সচিব ফিরোজ হোসেন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply