সংবাদ শিরোনামঃ
কালিগঞ্জের মথুরেশপুর বিএনপির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নে আস্থার প্রতীক কৃষ্ণপদ পরমান্য, চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় জনগণ শ্যামনগরে প্যারাসুট সাদৃশ কাপড় ও ডিভাইস উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য ভিত্তিক জীবন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলেই জীবন পরিপূর্ণ- সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে -এমপি মুহা: রবিউল বাশার  কালিগঞ্জের ভাড়াশিমলা বিএনপির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হাদি হত্যার অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীর পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে সশস্ত্র ডাকাতি: বিকাশ এজেন্ট গুরুতর আহত, এলাকায় আতঙ্ক সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা. ফয়সাল আহমেদের যোগদান  তেল সিন্ডিকেটে কঠোর আঘাত ইউএনও”র, শ্যামনগরবাসীর মুখে স্বস্তির হাসি সুন্দরবন ভ্রমণের স্টেকহোল্ডারদের মাঝে ডাস্টবিন বিতরণ ও গাবুরার শিক্ষার্থীদের জন্য ট্রলার উপহার
পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে খুলে দিচ্ছে সুন্দরবনের দ্বার আনন্দে আছে উপকূলের জেলেরা

পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে খুলে দিচ্ছে সুন্দরবনের দ্বার আনন্দে আছে উপকূলের জেলেরা

জহিরুল ইসলাম বুড়িগোয়ালিনী ( শ্যামনগর) প্রতিনিধি।
গত তিন মাস বন্ধ ছিল সুন্দরবনের দ্বার, ধারদেনা করে চলেছে জেলে বাওয়ালীদের সংসার, সোমবার (০১সেপ্টেম্বর) থেকে সুন্দরবনের দ্বার খুলে দিচ্ছে বনবিভাগ। তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আবারও জেলে ও বাওয়ালীরা প্রবেশ করতে পারবেন বনাঞ্চলে মাছ, কাঁকড়া আহরণের জন্য। একই সঙ্গে পর্যটকদের জন্যও উন্মুক্ত হচ্ছে বিশ্ব ঐতিহ্যের এই অরণ্য।
এ বিষয়ে পশ্চিম বনবিভাগের সহকারি বন সংরক্ষক ফজলুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিবছরের মতোই প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে তিন মাস সুন্দরবনে সব ধরনের আহরণ ও পর্যটক প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছিল। নিষেধাজ্ঞা শেষে এখন জেলে ও পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে বন।রেঞ্জ কর্মকর্তা আরও বলেন জেলে বাওয়ালিদের সুন্দরবন কেন্দ্রিক সকল ধরনের সহযোগিতা ও নিরাপত্তা দিবে বনবিভাগ।
শ্যামনগর নীলডুমুর ঘাটের পর্যটকবাহী ট্রলার মালিক জয়নাল আবেদীন ও রিপন হোসেন বলেন গততিন মাস বন্ধ ছিল সুন্দরবনে প্রবেশে, কিন্তু ১ তারিখ থেকে পাশ দিবে, আর যদি আগামীকাল থেকে প্রর্যটক সুন্দরবন ভ্রমণ করতে আসে তাহলে হয়তো ভাড়া নিয়ে সুন্দরবনে যেতে পারবো। ট্রলার মালিক গণ আরো বলেন এই তিন মাস সুন্দরবনে প্রবেশ  বন্ধ করে দেওয়ায় যে ক্ষতি হয় আমাদের সেই ক্ষতি পুষিয়ে উঠেনা, তার পরেও এইকাজ করি জীবিকার তাগিদে, কারণ এই ছাড়াতো আর কোন আয়রোজগারের সুজোগ নেই আমাদের এলাকায়,তাই লাভ লস যা হয় এটা নিয়েই পড়ে থাকতে হয়।
সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবে বলে স্থানীয় জেলে ও বাওয়ালীদের মুখে এখন স্বস্তির হাসি,তারা আশাবাদী, এবার আহরণে বেশি বেশি মাছ, কাঁকড়া মিলবে। পর্যটক ও প্রকৃতিপ্রেমীরাও প্রস্তুত বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন দেখতে যাওয়ার জন্য।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *