সংবাদ শিরোনামঃ
শ্যামনগর উপজেলার গাবুরায় বেড়িবাঁধ রক্ষায় কঠোর অভিযানে চেয়ারম্যান  দেবহাটায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস যথাযথ ভাবে উদযাপন  দেবহাটা উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ আটুলিয়ায় ভিক্ষুকসহ তিন অসহায় মানুষের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বিকাশ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে, এলাকায় ক্ষোভ সাতক্ষীরার পারুলিয়ায় মৎস্যঘেরে ডাকাতিতে বাধা দেওয়ায় কুপিয়ে জখম। দেবহাটায় ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, অভিযুক্ত আটক সুন্দরবনে শিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকা বন্য শুকর উদ্ধার, বনবিভাগের অভিযানে অবমুক্ত পলাতক আসামী ফরিদকে আটক করেছে কালিগঞ্জ থানা পুলিশ         কালিগঞ্জে এডিবি’র বরাদ্ধে সংসদ সদস্যের মাধ্যমে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ কালিগঞ্জ উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে
শ্যামনগর মুন্সীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান অসীম কুমার মুধার অনিয়ম দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে অনাস্হার অভিযোগ

শ্যামনগর মুন্সীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান অসীম কুমার মুধার অনিয়ম দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে অনাস্হার অভিযোগ

শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ
শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান অসীম কুমার মৃধা ও প্যানেল চেয়ারম্যান উৎপল জোয়ারদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম,দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে অনাস্হার দানিতে ৩০ জুলাই (রবিবার) সকালে ১১ জন ইউপি সদস্য শ্যামনগর ইউএনও বরাবর অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, মুন্সীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান অসীম মৃধা সরকারী/বে-সরকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সকল বাজেট (বরাদ্দ ও সুবিধাগুলি) ও প্যানেল চেয়ারম্যান উৎপল জোয়াদ্দার অনিয়ম, দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা করে আসছে। , ইউনিয়ন পরিষদ হইতে সরকারী কোন কিছু সুবিধা পাইতে হলে, বা সরকারী কোন বরাদ্দ নিতে গেলে চেয়ারম্যান অসীম মৃধাকে ঘুষ দিতে হয়। যেমন টি,আর/কাবিটা,কাবিখা ১% এর বরাদ্দ এবং উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের বরাদ্দ নিতে হলে চেয়ারম্যানকে ৫০ হাজার টাকা অগ্রীম ঘুষ দিতে হয়। জনগনের ব্যবহারের জন্য সরকারী ভাবে বরাদ্দ বা এনজিও কর্তৃক বরাদ্দ যেমন-ড্রাম/টিউবওয়েল নিতে হলে ১৫ হাজার টাকা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিনামূল্যে দেওয়া ভিডব্লিউবি এর চাউলের কার্ড নিতে হলে ৭ হাজার টাকা, রেশন কার্ড ৫ হাজার টাকা, গর্ভকালীন ভাতা-৫ হাজার টাকা,টিসিবি পণ্য কার্ড-২ হাজার টাকা,বয়স্ক ভাতা ৩ হাজার টাকা,বিধবা ভাতা ৩ হাজার টাকা,প্রতিবন্ধী ভাতা ৩ হাজার টাকা,ভূমিহীন প্রত্যয়নপত্র ৩ হাজার টাকা,জেলে বাওয়ালী কার্ড ২ হাজার টাকা, জন্ম নিবন্ধন ফি ২৫০ টাকা,ওয়ারেন কায়েম ফি ২০০ টাকা,ট্রেড লাইসেন্স ৯২০ টাকা অসীম মৃধাকে ঘুষ দিতে হয়। অনেক প্রজেক্ট পি,আই অফিসে ও উপজেলা পরিষদে দাখিল করিয়া প্রজেক্ট মাফিক কাজ না করিয়া প্রজেক্টের টাকা সম্পূর্ণ আত্মসাৎ করে। ইউপি সদস্যদের সম্মানী ভাতা প্রদান না করিয়া সম্মানী ভাতার টাকা নিজে আত্মসাৎ করে। রাস্তার পাশে । উক্তরূপ কাজগুলি প্যানেল চেয়ারম্যান উৎপল জোয়ারদারের সার্বিক সহযোগিতা করে চলেছে। এ ছাড়া অনিয়ম দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে ইউ এনও সাহেবের কাছে আরো একটি দরখাস্ত প্রদান করে। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আক্তার হোসেনের সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি অনাস্থা ও অনিয়ম দুর্নীতি স্বেচ্ছাচারিতার লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সরকারি বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইউপি চেয়ারম্যান অসীম কুমার মৃধা বলেন, আমার কোন বক্তব্য নেই। নির্বাহী অফিসারের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন বিষয়টা নির্বাহী অফিসার দেখবে।
ছবির ক্যাপশন- চেয়ারম্যান অসীম মৃধার ফাইল ছবি ও ইউএনও বরাবর দেওয়া অনাস্হার দরখস্ত।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *