সংবাদ শিরোনামঃ
শ্যামনগরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজন পালিত হচ্ছে পহেলা বৈশাখ বুড়িগোয়ালিনীতে পহেলা বৈশাখে বর্ণিল সাংস্কৃতিক আয়োজন শিক্ষার্থী ফোরামের সদস্যদের সাথে দুই দিনব্যাপী দ্বন্দ্ব-সংবেদনশীল বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত শ্যামনগর বুড়িগোয়ালিনীর খোলপেটুয়া নদীর চরের গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন সিলেটে ১৩ম জাতীয় মুন্ডা সম্মেলন অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে জমি দখলের অভিযোগ, আদালতে মামলা চলাকালীন পাকা ঘর নির্মাণের চেষ্টা সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে কোস্ট গার্ড দেবহাটায় খেজুরবাড়িয়াতে ক্লাব বাস্তবায়ন ও ক্লাবের জায়গা নির্ধারণ সম্পর্কে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগর বুড়িগোয়ালিনীতে নদীর চরে গাছ কেটে মাটিচাপা দেবহাটায় ইউপি জমি দখল: সচিবের দেওয়া অভিযোগপত্র ‘নিখোঁজ’, প্রাচীর নির্মাণেই দায় সারছে প্রশাসন
পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে খুলে দিচ্ছে সুন্দরবনের দ্বার আনন্দে আছে উপকূলের জেলেরা

পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে খুলে দিচ্ছে সুন্দরবনের দ্বার আনন্দে আছে উপকূলের জেলেরা

জহিরুল ইসলাম বুড়িগোয়ালিনী ( শ্যামনগর) প্রতিনিধি।
গত তিন মাস বন্ধ ছিল সুন্দরবনের দ্বার, ধারদেনা করে চলেছে জেলে বাওয়ালীদের সংসার, সোমবার (০১সেপ্টেম্বর) থেকে সুন্দরবনের দ্বার খুলে দিচ্ছে বনবিভাগ। তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আবারও জেলে ও বাওয়ালীরা প্রবেশ করতে পারবেন বনাঞ্চলে মাছ, কাঁকড়া আহরণের জন্য। একই সঙ্গে পর্যটকদের জন্যও উন্মুক্ত হচ্ছে বিশ্ব ঐতিহ্যের এই অরণ্য।
এ বিষয়ে পশ্চিম বনবিভাগের সহকারি বন সংরক্ষক ফজলুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিবছরের মতোই প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে তিন মাস সুন্দরবনে সব ধরনের আহরণ ও পর্যটক প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছিল। নিষেধাজ্ঞা শেষে এখন জেলে ও পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে বন।রেঞ্জ কর্মকর্তা আরও বলেন জেলে বাওয়ালিদের সুন্দরবন কেন্দ্রিক সকল ধরনের সহযোগিতা ও নিরাপত্তা দিবে বনবিভাগ।
শ্যামনগর নীলডুমুর ঘাটের পর্যটকবাহী ট্রলার মালিক জয়নাল আবেদীন ও রিপন হোসেন বলেন গততিন মাস বন্ধ ছিল সুন্দরবনে প্রবেশে, কিন্তু ১ তারিখ থেকে পাশ দিবে, আর যদি আগামীকাল থেকে প্রর্যটক সুন্দরবন ভ্রমণ করতে আসে তাহলে হয়তো ভাড়া নিয়ে সুন্দরবনে যেতে পারবো। ট্রলার মালিক গণ আরো বলেন এই তিন মাস সুন্দরবনে প্রবেশ  বন্ধ করে দেওয়ায় যে ক্ষতি হয় আমাদের সেই ক্ষতি পুষিয়ে উঠেনা, তার পরেও এইকাজ করি জীবিকার তাগিদে, কারণ এই ছাড়াতো আর কোন আয়রোজগারের সুজোগ নেই আমাদের এলাকায়,তাই লাভ লস যা হয় এটা নিয়েই পড়ে থাকতে হয়।
সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবে বলে স্থানীয় জেলে ও বাওয়ালীদের মুখে এখন স্বস্তির হাসি,তারা আশাবাদী, এবার আহরণে বেশি বেশি মাছ, কাঁকড়া মিলবে। পর্যটক ও প্রকৃতিপ্রেমীরাও প্রস্তুত বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন দেখতে যাওয়ার জন্য।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *