সংবাদ শিরোনামঃ
সাতক্ষীরায় রোগীর খাবার খেয়ে সন্তুষ্ট স্বাস্থ্যমন্ত্রী বারসিক’র উদ্যোগে প্রাণী স্বাস্থ্য কর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রদান সুন্দরবনে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই বিষ দিয়ে মাছ শিকার, ২৯০ কেজি চিংড়ি বিক্রির অভিযোগ কয়রায় জমি দখল, চাঁদাবাজি ও মৎস্যঘের দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন মহাসড়কের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এমপি শ্যামনগর বুড়িগোয়ালিনীতে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত, নওয়াবেঁকি মিতালী সংঘের ২-০ গোলের জয় শ্যামনগর গাবুরার কাজীর বিরুদ্ধে ভুয়া বিবাহ নিবন্ধনের অভিযোগ, এমপি নজরুলের বিয়ে নিবন্ধন নিয়ে নতুন বিতর্ক সুন্দরবন বন্ধ, নাকি খোলা? বন বিভাগের ভূমিকা নিয়ে সচেতন মহলের প্রশ্ন শ্যামনগর বুড়িগোয়ালিনী নৌ পুলিশের অভিযানে ৫০ হাজার বাগদা-গলদা রেণু পোনা জব্দ, নদীতে অবমুক্ত নওয়াঁবেকি থেকে উদ্ধার করা ৭৭ বস্তা ঝিনুক সুন্দরবন সংলগ্ন মালঞ্চ নদীতে অবমুক্ত করেছে বনবিভাগ
শ্যামনগরে মাদক ও অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার: গাবুরা ইউনিয়নের তরুণ সমাজ ধ্বংসের মুখে

শ্যামনগরে মাদক ও অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার: গাবুরা ইউনিয়নের তরুণ সমাজ ধ্বংসের মুখে

নিজস্ব প্রতিবেদক।
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে মাদক বিক্রি ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। এলাকার কিছু অসাধু মাদক বিক্রেতা ও অনলাইন জুয়ার এজেন্টদের কারণে ধীরে ধীরে ধ্বংসের পথে যাচ্ছে এলাকার তরুণ ও যুব সমাজ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গাবুরা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গোপনে গড়ে উঠেছে মাদক ও অনলাইন জুয়ার আসর। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিলসহ নেশাজাতীয় দ্রব্য বিক্রি হচ্ছে প্রকাশ্যে। পাশাপাশি, স্মার্টফোনের সহজলভ্যতার সুযোগে অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম আসক্ত হয়ে পড়ছে অর্থলিপ্সা ও বিনোদনের নামে ধ্বংসের খেলায়।
অভিভাবক ও সচেতন মহল জানান, “আমাদের সন্তানরা এখন রাত জেগে মোবাইলে গেম খেলে, কিন্তু আসলে তারা অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হচ্ছে। অনেকে পরিবারের গচ্ছিত টাকা পর্যন্ত হারিয়ে ফেলছে। মাদক আর জুয়ার এই দুষ্টচক্র পুরো সমাজকে গ্রাস করছে।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় শিক্ষক বলেন, “একসময় গাবুরা ইউনিয়নের তরুণরা খেলাধুলা ও শিক্ষায় মনোযোগী ছিল। কিন্তু এখন অনেকেই মাদক ও অনলাইন জুয়ার জালে জড়িয়ে পড়েছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে।”
 প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েক দফা অভিযান চালানো হলেও এখনো মূল হোতারা ধরা ছোঁয়ার বাইরে। এলাকাবাসীর দাবি—দ্রুত এসব মাদক বিক্রেতা ও অনলাইন জুয়ার এজেন্টদের আইনের আওতায় আনা হোক এবং তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
অভিযোগ রয়েছে, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির ছত্রছায়ায় এই চক্রগুলো দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে। প্রশাসনকে যদি কঠোর অবস্থান নিতে হয়, তবে সমাজে পুনরায় শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করেন সচেতন নাগরিকেরা।
 স্থানীয়দের আহ্বান: “এখনই সময় একসাথে দাঁড়ানোর—মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে, নইলে গাবুরার তরুণ প্রজন্ম হারিয়ে যাবে চিরতরে।”

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *