সংবাদ শিরোনামঃ
কয়রায় জামায়াত কর্মীকে ‘এমপির এপিএস’ বলে অপপ্রচার, ভিত্তিহীন তথ্য এলাকা জুড়ে তীব্র ক্ষোভ শ্যামনগর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা শ্যামনগরে এক সন্তানের জননী কাকা শশুরের সাথে নগদ টাকা গহনা নিয়ে উধাও, থানায় লিখত অভিযোগ  দেবহাটায় গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বার্ষিক ক্যাম্পেইন ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত।  কালিগঞ্জে ভুয়া ডাক্তারকে ৬ মাসের কারাদণ্ড     দেবহাটায় ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে মহিলাদের ক্ষমতায়ন” প্রকল্পের আয়োতায় উঠান বৈঠাক দেবহাটা সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরন সাতক্ষীরা তে ৩৩ লক্ষ টাকা ফেন্সিডিল ও ভারতীয় ঔষধ জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড শ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে দুইজনের কারাদণ্ড, বাল্কহেড জব্দ সাংবাদিক মিজানকে হত্যার হুমকি আল আজিমের নামে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে শ্যামনগরে মানববন্ধন
লামিয়ার লাশ মিলল সাতদিন পর বঙ্গোপসাগরের মাঝে

লামিয়ার লাশ মিলল সাতদিন পর বঙ্গোপসাগরের মাঝে

 

মোঃ বনি আমিন রাঙ্গাবালী পটুয়াখালীঃ

ধর্ষণের পর খুন করে নদীতে ফেলে দেয়ার সাতদিন পর সাগরে ভাসমান অবস্থায় শিশু লামিয়ার (১২) অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার রূপারচর সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর থেকে মরদেহটি তীরে আনা হয়।

রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম মজুমদার জানান, রূপারচর সংলগ্ন শিবচর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরের গভীর সাগর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া ও সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

মরদেহ উদ্ধার অভিযানে থাকা চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সজল কান্তি দাস বলেন, মরদেহ উদ্ধারকালে শিশুর গায়ে থাকা জামা এবং তাকে যে চাদর দিয়ে পেঁচিয়ে ফেলা হয়েছিল, সেটিও পাওয়া যায়। তবে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ পচে গলে বিকৃত হয়ে গেছে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত ৬ জানুয়ারি সন্ধ্যায় উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরআন্ডা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরের সাগরপাড় বাজার থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনে ফেরার পথে নিখোঁজ হয় শিশু লামিয়া। পরদিন ৭ জানুয়ারি দুপুরে চরআন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার একটি পুকুর পাড় থেকে তার পায়ের একটি জুতা ও বাজার থেকে কেনা পণ্য এবং খাল সংলগ্ন বিলের মাঝে পাওয়া যায় তার ওড়না। নিখোঁজের এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ওইদিন রাতে আল-আমিন নামের এক অটোচালককে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে স্থানীয় লোকজন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটিকে অপহরণ করে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে খুন করার পর বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে ফেলে দেওয়ার বিষয়টি পুলিশের কাছে স্বীকার করে ওই অটোচালক।

এ ঘটনায় ৮ জানুয়ারি রাতে রাঙ্গাবালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশুটির বাবা বাদি হয়ে অটোচালক আল-আমিনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। এ মামলায় ৯ জানুয়ারি আসামিকে আদালতে হাজির করলে স্বীকারোক্তিমূলক ঘটনার বিস্তারিত জবানবন্দি দেন তিনি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *