সংবাদ শিরোনামঃ
শ্যামনগর উপজেলার গাবুরায় বেড়িবাঁধ রক্ষায় কঠোর অভিযানে চেয়ারম্যান  দেবহাটায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস যথাযথ ভাবে উদযাপন  দেবহাটা উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ আটুলিয়ায় ভিক্ষুকসহ তিন অসহায় মানুষের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বিকাশ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে, এলাকায় ক্ষোভ সাতক্ষীরার পারুলিয়ায় মৎস্যঘেরে ডাকাতিতে বাধা দেওয়ায় কুপিয়ে জখম। দেবহাটায় ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, অভিযুক্ত আটক সুন্দরবনে শিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকা বন্য শুকর উদ্ধার, বনবিভাগের অভিযানে অবমুক্ত পলাতক আসামী ফরিদকে আটক করেছে কালিগঞ্জ থানা পুলিশ         কালিগঞ্জে এডিবি’র বরাদ্ধে সংসদ সদস্যের মাধ্যমে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ কালিগঞ্জ উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে
পিয়নের নেতৃত্বে পরিবার পরিকল্পনা অফিসের ঔষধ সামগ্রী পাচার

পিয়নের নেতৃত্বে পরিবার পরিকল্পনা অফিসের ঔষধ সামগ্রী পাচার

শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ

শ্যামনগর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের পিয়ন খান আহসান ইবনে সালাম ওরফে সুমনের বিরুদ্ধে অফিসের ঔষধ সামগ্রী পাচারের অভিযোগ উঠেছে। বহিরাগতদের সাথে আতাঁত করে তিনি পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের জম্ম নিয়ন্ত্রণ ও ঔষধ সামগ্রী পাচার করছেন বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার তার নিকট থেকে দুটি ব্যাগ ভরে ঔষধ নিয়ে পালানোর সময় দুই যুবককে হাতেনাতে ধরে ফেলে স্থানীয়রা। এসময় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত হয়ে ক্যামেরায় ভিডিও চিত্র ধারনের সুযোগে ঔষধ ভর্তি ব্যাগ ফেলে পালিয়ে যায় আটক যুবকরা।

জোবায়ের হোসেন ও উৎপলসহ স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে বিভিন্ন ইউনিয়নে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাসিক সভা চলছিল। এসময় অফিসের পিয়ন খান আহসান ইবনে সালামকে স্টোর রুম তদারকির নির্দেশনা দেয়া হয়। দুপুর সাড়ে বারটার দিকে দোতলার সভাকক্ষে অন্যরা ব্যস্ত থাকার সুযোগে খান আহসান সামনের রাস্তায় অপেক্ষমান দুই যুবকের নিকট থেকে দুটি ব্যাগ নিয়ে স্টোর রুমে যায়। স্বল্প সময়ের মধ্যে ব্যাগ দুটি ভর্তি করে নিয়ে বাইরে এসে গেটের সামনে দাড়িয়ে থাকা যুবকদ্বলেয় হাতে তা উঠিয়ে দেয়। এসময় ঘটনা বুঝতে পেরে স্থানীয়রা সাংবাদিকদের খবর দিলে তারা যেয়ে ভিডিও চিত্র ধারণের সুযোগে ব্যাগ ফেলে দুই যুবক পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানায় খান আহসান ইবনে সালাম দীর্ঘ দশ বছরের বেশী সময় ধরে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার র্কাযালয়ে চাকুরীরত। অফিসের আস্থাভাজন হওয়ার পাশাপাশি মাঝেমধ্যে স্টোর রুম রক্ষনাবেক্ষনের সুযোগে সে ঔষধসহ পণ্যসামগ্রী বাইরে পাচার করেন। তাদের দাবি সম্প্রতি সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবি’র অভিযানে আটক জম্ম নিয়ন্ত্রণ উপকরণ সামগ্রী পাচারের সাথে খান আহসান ইবনে সালামসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা জড়িত থাকতে পারে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে খান আহসান ইবনে সালাম জানান তিনি এদরনের ঘটনার সাথে জড়িত না। ভিডিও চিত্রে তার নেয়া ব্যাগ নিয়ে যুবকদের দৌড়ে পালানোর চেষ্টার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি বলেন, ঔষধ দেয়ার নির্ধরিত দিন থাকায় একটু তাড়াহুড়ো করা হয়েছিল।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ শাকির হোসেন জানান তিনি মাসিক সভায় ছিলেন। ভিডিও করার পরিবর্তে আটকের পরপরই পুলিশ কিংবা তাকে ডাকা হলে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়া যেতো।

ছবিঃ পরিবার পরিকল্পনা অফিস থেকে ঔষধভর্তি ব্যাগ নিয়ে পালাচ্ছে একজন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধ।

পায়ে সু আর চোঁখে সানগ্লাস পরা কি অপরাধ ? এমন প্রশ্ন তুলেছেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালক বশিরউদ্দীন। তার দাবি, ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে মনগড়া ও অসত্য তথ্য দিয়ে অপপ্রচার করছে একটি চক্র।

সংবাদমাধ্যমের কাছে এমন অভিযোগ তুলে বশিরউদ্দীন বলেন, আমি একজন সরকারি গাড়িচালক। নিয়ম মেনে দায়িত্ব পালন করি। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে গল্প সাজিয়ে বলা হচ্ছে, নষ্ট গাড়ির নামে বিল তোলা হয়। অথচ এ অভিযোগ সঠিক নয়।

তিনি জানান, হাসপাতালে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স ও একটি পিকআপসহ চারটি গাড়ি সচল রয়েছে। তবে সরকারি চালক মাত্র দুইজন। তিনি নিজে ও অপর চালক জয়নুল আবেদীন। বাকি দুইটি গাড়ি চালান স্বেচ্ছাসেবক সুমন গাজী ও হায়দার আলী। যেখানে সব গাড়ি সচল, সেখানে নষ্ট গাড়ির নামে বিল তোলার অভিযোগ হাস্যকর। পায়ে সু বা চোখে সানগ্লাস পরে ডিউটি করার বিষয়টিকে অপরাধ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। অথচ আইনে বলা আছে, চালকদের পায়ে সু পরা বাধ্যতামূলক। চশমাটি মূলত ২৫০ পাওয়ারে অটোসান চশমা। যা রোদে গেলে কালো ও ছায়ায় আসলে সাদা হয়।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক কুদরত-ই-খুদা বলেন, বশিরউদ্দীনের বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ এনে প্রচার করা হচ্ছে সেটি মনগড়া। লক্ষ্য করলে দেখবেন জনস্বার্থে তথ্য তুলে ধরা হয়নি, বরং ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা মেডিকেলের গাড়িচালক বশিরউদ্দীনকে নিয়ে অপপ্রচার

কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

কালিগঞ্জের পল্লীতে মাদকের বিরুদ্ধে  প্রতিবাদ করায় হামলার ঘটনায় পাঁচজন হাসপাতালে। ঘটনাটি উপজেলার কালিকাপুর গ্রামে ঘটেছে। থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানাগেছে, দীর্ঘদিন যাবৎ প্রশাসনের নজর এড়িয়ে স্থানীয় একটি চক্র অবাধে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে। সচেতনমহল হীন কাজের প্রতিবাদ করলেও বন্ধ হয়নি তাদের মাদক ব্যবসা ও সেবন। বৃহস্পতিবার বিকেলে কালিকাপুর খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী মুকুল ঢালী, আইয়ু আলী, মিজানুর রহমান, তরিকুল ইসলাম, মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করলে চক্রটির সদস্যরা প্রতিবাদকারিদের বেদম মারধর ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে মারাত্মক যখম অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জানা যায়, উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের কালিকাপুর এলাকার মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম, আজগার আলী, আলাউদ্দীন, নাসির উদ্দীন, সাইফুল ইসলাম, ইমরান হোসেন ও মনিরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রি করে আসছে। এলাকাবাসী বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিষেধ ও প্রতিবাদ করলেও তারা উল্টো হুমকি ধামকি দিয়ে শান্তি ভঙ্গের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে জাহাঙ্গীর গং আয়ুব আলীসহ প্রতিবাদ কারীদের বেধড়ক মারপিট করায় পাঁচজন মারাত্মক যখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা পুলিশ প্রশাসনের কাছে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও এলাকায় মাদক ব্যবসা বন্ধের জন্যে জোর দাবি জানিয়েছে।

কালিগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে  প্রতিবাদ করায় হামলায় হাসপাতালে পাঁচজন

শ্যামনগর, সাতক্ষীরা।
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহ সেবক আব্দুল মজিদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন,
মোঃ মারুফ হোসেন, পিতা- মৃতঃ শহিদুল ইসলাম, গ্রামঃ- গুমানতলী, পোষ্টঃ- ঈশ্বরীপুর, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা অসুস্থ্য হয়ে আব্দুল মজিদের কাছে চিকিৎসা গ্রহন করেন। পরবর্তীতে তার অভিযোগ অনুযায়ী তার পা কর্তন করতে হয়। তিনি আব্দুল মজিদের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ করে।
পরিচালক (স্বাস্থ্য), খুলনা বিভাগ, খুলনা।
 সিভিল সার্জন, সাতক্ষীরা।
আবাসিক মেডিকেল অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্তের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের তিন কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানা যায়।
তদন্ত কমিটিকে আগামী ০৩ কর্ম দিবসের মধ্যে যথাযথ তদন্ত পূর্বক লিখিত আকারে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
 এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেরে সহ সেবক আব্দুল মসজিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি আমি শুনেছি এবং আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে এটা আমি জানি।

সহ সেবক আব্দুল মজিদের ভুল চিকিৎসার কারণে রুগীর পা কর্তন করতে হয় অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *