সংবাদ শিরোনামঃ
অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড; সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড কে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করেছে কোস্ট গার্ড পারুলিয়ায় শিশুশ্রম তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা সভা মিসেস নুরজাহান পারভীন ঝর্ণার পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা বাসী ও জাতীয়তাবাদী দলের জন্য শুভেচ্ছা বার্তা শ্যামনগরের ০৮ নং ইশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদে গণশুনানী অনুষ্ঠিত সুন্দরবনে হরিণ শিকারের ৪১টি ফাঁদ উদ্ধার করেছে বনবিভাগ শ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষ দেবহাটার পারুলিয়ায় অসহায় পরিবারকে জামায়াতে ইসলামীর ভ্যান উপহার দেবহাটায় নবাগত ওসির সাথে ছাত্রদলের শুভেচ্ছা বিনিময় তেলের জন্য লম্বা লাইনে শিক্ষক,ক্লাস বন্ধ চাপে শিক্ষা কার্যক্রম শ্যামনগরে চিংড়িতে পুশ করায় ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা : চিংড়ি আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক।
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের বিভিন্ন পয়েন্টে বনজীবী অপরাধ দমন ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে বনবিভাগ। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা, এবং সন্ধ্যা হতে রাতভর চলা এ অভিযানে অংশ নেন সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান।
 সাতক্ষীরা রেঞ্জারের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা
 জানান, সুন্দরবনের কলাগাছিয়া, আড়পাংশিয়া নদী, সোনাখালী,ধানঘরা খাল,দোবেকীর আওতাধীন খবরাখালী, হরিখালী, মুক্তবাংগাল এলাকাসহ কয়েকটি পয়েন্টে হঠাৎ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে অবৈধভাবে কাঁকড়া, মাছ আহরণসহ কয়েকটি ফাঁদ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি বন্যপ্রাণী শিকারে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামও জব্দ করা হয়।
সাতক্ষীরা রেঞ্জ সহকারী কর্মকর্তা আরো জানান, অবৈধভাবে বনজসম্পদ আহরণে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বন রক্ষায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।
অভিযানের কারণে অবৈধ বনজ সম্পদ  সংগ্রহকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত অভিযান না থাকায় কিছু সময় ধরে বিভিন্ন পয়েন্টে অবৈধ প্রবেশ ও বনজসম্পদ আহরণের ঘটনা বাড়ছিল।তবে বনবিভাগ বর্তমান সময়ে যে ভাবে প্রতিদিন অভিজান চলাচ্ছে বনে অবৈধভাবে প্রবেশ করা সম্ভব হচ্ছে না।
বনবিভাগ জানিয়েছে, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এমন অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

সাতক্ষীরা রেঞ্জের বিভিন্ন পয়েন্টে বনবিভাগের অভিযানে অবৈধভাবে বনজ সম্পদ আহরণের সরঞ্জাম উদ্ধার 

নিজস্ব প্রতিবেদক। সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের বিভিন্ন পয়েন্টে বনজীবী অপরাধ দমন ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে বনবিভাগ। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা, এবং সন্ধ্যা হতে রাতভর চলা এ অভিযানে অংশ বিস্তারিত....

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

তোর সন্তানের নাঁড়ি আজ বাস্ট করে ফেলবো বলেই বেধড়ক মারপিট। প্রথমে ওরা আমার চায়ের দোকানে গালিগালাজ করতে শুরু করে, আমি মাত্র ইফতারী করে এসেছি। শান্ত ১০/১৫ জন আমার উপর লেলিয়ে দিলো। ওরা আমাকে লাঠি, হকস্টিক, জিআই পাইপ, রড, হাত, পা দিয়ে বিবর্ণনীয় মারপিট করতে থাকে। এক পর্যায়ে একটা কালো প্রাইভেট কারে এসে শান্তর ছেলে সাকিব আমার গলা চেপে ধরে, শান্ত ও তার চ্যালারা আমাকে টেনে হেঁচড়ে ঐ গাড়িতে তোলে। অন্ধকারাচ্ছন্ন একটা অচেনা জায়গায় নিয়ে আমাকে আবার মারপিট করতে থাকে তারা।

শান্ত আমাকে বলে আজ তোর সন্তানের নাঁড়ি বাস্ট করে ফেলবো। একথা বলেই জিআই পাইপ দিয়ে আমার গোপনাঙ্গে আঘাত করতে থাকেন। আমি যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলাম, আমার পেনিস দিয়ে তখন রক্তক্ষরণ হচ্ছিলো। এমন অমানবিক কাজের বিররণ দেন ভুক্তভোগী পারভেজ মিয়া (২৬)। ঘটনাটি সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে কলেজ পড়ুয়া পারভেজ মিয়ার। ফেঁসে যান একটি মিথ্যা মামলার স্বাক্ষী হয়ে। তবে সে মামলার স্বাক্ষী হলেও নিজেই জানতেন না কেন তাকে স্বাক্ষী বানানো হল, কি ঘটনা নিয়ে মামলা কিছুই জানতেন না।

একই ইউনিয়নের ভাড়াশিমলা গ্রামের তাজিবর শিকারির ছেলে আতিকুর রহমান অরফে শান্ত ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বে মিঠু নামে একজনের নামে মামলা করলে স্বাক্ষী হিসাবে নাম দেন পারভেজ মিয়াকে। সে মামলায় পুলিশ সাতক্ষীরা থেকে তদন্তে আসলে স্বাক্ষী পারভেজ মিয়া এ ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানেন না বলে স্বীকারোক্তি দেন। কেন তাকে স্বাক্ষী বানানো হলো সেটাও সে জানেন না বলে জানান থানা পুলিশকে। এটিই কাল হয়ে দাঁড়ায় পারভেজ মিয়ার।

এ ঘটনার পরদিন থেকে আতিকুর রহমান শান্তর কাছ থেকে হুমকি-ধামকি, গালিগালাজসহ ভয়-ভীতি পেতে থাকেন পারভেজ মিয়া। আর এ ঘটনার কিছুদিন পরেই আতিকুর রহমান শান্ত ভাড়া করা গুন্ডা বাহিনী, নিজে ও তার ছেলে কর্তৃক অমানবিক নির্যাতন করেন পারভেজ মিয়াকে। ভুক্তভোগী পারভেজ মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, ঐ দিন মারপিটের সময় আমার গলায় থাকা পঁচাত্তর হাজার টাকার স্বর্ণের চেইন, দোকানে থাকা ছয় হাজার তিনশত পঞ্চাশ টাকা নিয়ে নেন ও দোকানের প্রায় বিশ হাজার টাকার মালামাল ভাংচুর-তছনছ করেন শন্ত বাহিনী। দূরে নিয়ে মারপিট করার পর আমি যখন জ্ঞান হারিয়ে ফেলি তখন ওরা আমার দোকানের সামনে ফেলে রেখে যায়।

পারভেজ মিয়ার চাচা বাবু খাঁ বলেন, ঐদিন সন্ধ্যার পর তাজিবরের ছেলে শান্ত ও তার চ্যালারা এসে হঠাৎ পারভেজকে মারপিট করতে থাকে। আমি সেখানে গেলে ওরা আমাকে ধাক্কা দিয়ে দূরে ফেলে পারভেজকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। পরে অজ্ঞান অবস্থায় দোকানের সামনে পারভেজকে পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি করি। প্রতিবেশি ইব্রাহীম হোসেন বলেন, নির্যাতনের স্বীকার অর্ধ মৃত্যুপ্রায় পারভেজকে দোকানের সামনে পড়ে থাকতে দেখে অচেনা পথযাত্রীর বাইকে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। টানা সাত দিন চিকিৎসা শেষে কিছুটা সুস্থতা বোধ করলে পারভেজকে আমরা বাড়িতে নিয়ে আসি। এ ঘটনার পরে ভুক্তভোগী পারভেজ মিয়া কালিগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।

পরে উভয়ের উপস্থিতিতে পুলিশি শালিশে মিট-মিমাংসার কথা হয় ও দোকানে ক্ষয়ক্ষতি পূরণে আতিকুর রহমান শান্তকে ক্ষতিপূরণের জন্য বলা হয়। পরদিন থেকে শান্ত আরো অশান্ত হয়ে গালিগালাজ ও জীবন নাশের হুমকি দিতে থাকেন। পারভেজের পরিবার অতিষ্ঠ হয়ে এ ঘটনার বিবরণ দিয়ে বিজ্ঞ আদালতে আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন ২০০২ এর ৪/৫ মামলা নং ২২/২৫ ধারায় আতিকুর রহমান শান্ত, ছেলে সাকিব ও একই গ্রামের বাবুর আলীর ছেলে সুজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

পরে সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে বিজ্ঞ আদালত তিনজন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। ১৪ নভেম্বর বিকালে নিজ গ্রাম থেকে তৃতীয় আসামি সুজন ও ২০ নভেম্বর দিনেরবেলা প্রথম ও দ্বিতীয় আসামি আতিকুর রহমান শান্ত ও সকিবকে গ্রেফতার করেন পুলিশ। এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন আসামীরা ওয়ারেন্টভুক্ত ছিলো।

কালিগঞ্জে যুবক মিথ্যা স্বাক্ষী না দেওয়াতে ফিল্মি কায়দায় গাড়িতে তুলে নিয়ে মারপিট

বিশেষ প্রতিনিধিঃ তোর সন্তানের নাঁড়ি আজ বাস্ট করে ফেলবো বলেই বেধড়ক মারপিট। প্রথমে ওরা আমার চায়ের দোকানে গালিগালাজ করতে শুরু করে, আমি মাত্র ইফতারী করে এসেছি। শান্ত ১০/১৫ জন আমার বিস্তারিত....

এম এ হালিম উপকূল থেকে।
সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গোলপাতা না কাটার ফলে ব্যাপক পরিমাণ গোলপাতা শুকিয়ে মারা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে সুন্দরবন ভ্রমণে যাওয়া পর্যটক ও স্থানীয় সাংবাদিকদের সরেজমিন পর্যবেক্ষণে এমন চিত্র চোখে পড়ে।
স্থানীয় বনজীবীরা জানান, নিয়মিত ব্যবধানে গোলপাতা কাটার একটি স্বাভাবিক চক্র রয়েছে। কিন্তু অভয়ারণ্য (সাংরক্ষিত) এলাকায় বহু বছর ধরে নিষেধাজ্ঞার কারণে গোলপাতার ঝোপ ঘন হয়ে অতিরিক্ত ভারী হয়ে পড়েছে। বাতাস, লবণাক্ততা ও আলো-বাতাসের অভাবে এসব গাছ ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে শুকিয়ে মারা যাচ্ছে।
একাধিক বনজীবীর ভাষ্য—
গোলপাতা কাটলে যেমন নতুন কুঁড়ি গজায়, তেমনি গাছ সুস্থ থাকে। কিন্তু এখানে বছরের পর বছর কিছুই কাটতে দেওয়া হয়নি। ফলে পুরোনো পাতা জমে গাছ ভেঙে ও শুকিয়ে মরছে।
সরেজমিন দেখা যায়, অভয়ারণ্য এলাকার বিভিন্ন খাল ও বনের ছোট ছোট চরজুড়ে গোলপাতার শুকনো ঝোপে ভরে গেছে। অনেক জায়গায় গাছের ডাঁটাও ভেঙে পড়ে রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গোলপাতা কাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বন ব্যবস্থাপনায় টেকসই পরিকল্পনার অভাবেই এমন সমস্যা তৈরি হচ্ছে।
বন বিভাগের কিছু কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অভয়ারণ্য এলাকায় মানুষের প্রবেশ সীমিত থাকায় স্বাভাবিক ব্যবস্থাপনার সুযোগ কম। তবে গোলপাতা রক্ষায় পর্যবেক্ষণ জোরদার ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বিবেচনায় নিয়ে আশা দরকার।
স্থানীয়রা মনে করেন, অভয়ারণ্য রক্ষা গুরুত্বপূর্ণ হলেও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গোলপাতায় প্রয়োজনীয় ছাঁটাই বা বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা জরুরি। অন্যথায় বড় পরিসরে গোলপাতার জমি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সুন্দরবনের অভয়রণ্য এলাকায় গোলপাতা না কাটায় শুকিয়ে মারা যাচ্ছে, ভ্রমণে গিয়ে সরেজমিনে দেখা

এম এ হালিম উপকূল থেকে। সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গোলপাতা না কাটার ফলে ব্যাপক পরিমাণ গোলপাতা শুকিয়ে মারা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে সুন্দরবন ভ্রমণে যাওয়া পর্যটক ও স্থানীয় সাংবাদিকদের সরেজমিন বিস্তারিত....

নিজস্ব প্রতিবেদক।

মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা মূল্যের বিদেশি বিয়ার ও মদ জব্দ করেছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত( ২৩ নভেম্বর ২০২৫) তারিখ রবিবার বিকাল ৪টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা কর্তৃক মোংলার লাউডোব ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকায় সন্দেহজনক ২ জন ব্যক্তিকে তল্লাশি করে প্রায় ১ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা মূল্যের ৯৪ ক্যান বিদেশি বিয়ার ও ১০ বোতল মদ সহ আটক করা হয়।

জব্দকৃত আলামত ও আটককৃত ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাকোপ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

মাদকের ভয়াল থাবা থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।

মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা মূল্যের বিদেশি বিয়ার ও মদ জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক। মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা মূল্যের বিদেশি বিয়ার ও মদ জব্দ করেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত( ২৩ নভেম্বর ২০২৫) তারিখ রবিবার বিকাল ৪টায় কোস্ট গার্ড বিস্তারিত....

হাফিজুর রহমান শিমুলঃ

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কাছে স্বারকলিপি দিয়েছেন কালিগঞ্জ উপজেলার বাজারগ্রাম মৌজার চার শতাধিক হতদরিদ্র পরিবার। চলমান উচ্ছেদ প্রক্রিয়া স্থগিত করে দীর্ঘদিনের বসতভিটা রক্ষায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
স্বারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বাজারগ্রাম মৌজার (জে.এল নং-৪২) জমি ১৯৬২ সালে এসএ খতিয়ানে স্থানীয়দের নামে নিবন্ধিত থাকলেও ১৯৬৪–৬৫ সালে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর উক্ত জমি অধিগ্রহণ করে; তবে কোনো ক্ষতিপূরণ প্রদান করেনি বলে দাবি করেন তারা। মাঠ জরিপে (৩০ ধারা সেটেলমেন্ট) অনেকের নাম রেকর্ড হওয়া সত্ত্বেও চূড়ান্ত বি.আর.এস খতিয়ানে কিছু পরিবার নাম না পাওয়ায় বিষয়টি বর্তমানে দেওয়ানী মামলা নং ৮৬/২২ হিসেবে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, ওই জমিতে তাদের পূর্বপুরুষসহ প্রায় ১১০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে চার শতাধিক পরিবার বসবাস করে আসছে। এলাকার স্কুল– কলেজের পরীক্ষার সময় এবং অসহায় পরিবারগুলোর বিকল্প আশ্রয় না থাকায় আকস্মিক উচ্ছেদ তাদের জীবনে চরম সংকট সৃষ্টি করবে বলে স্বারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়। এলাকাবাসী জানান, সওজ ১৯৬৫ সাল থেকে এত বছর জমি দখল বা উচ্ছেদের উদ্যোগ নেয়নি, কিন্তু সম্প্রতি হঠাৎ মাইকিং করে উচ্ছেদের ঘোষণা দেওয়া ভয়–আতঙ্ক দেখা দেয়। স্বারকলিপিতে তারা দাবি করেন, উন্নয়ন চাই, সড়ক চাই-কিন্তু প্রয়োজনের অতিরিক্ত জমি নিয়ে বসতভিটা ধ্বংস নয়। তাদের আরও অনুরোধ, চলমান মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কাউকে উচ্ছেদ না করে সড়ক নির্মাণের জন্য যতটুকু জমি প্রয়োজন ততটুকুই গ্রহণ করা হোক। এলাকাবাসীর ভাষ্য, ওই স্থানে তাদের পূর্বপুরুষদের কবরও রয়েছে, যা উচ্ছেদের ফলে বিলীন হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের পক্ষ থেকে স্বারকলিপি জমা দেন ইদ্রীস আলী স্বারকলিপির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে মন্ত্রী পরিষদ সচিব, সওজের প্রধান প্রকৌশলী সাতক্ষীরা সওজ নির্বাহী প্রকৌশলী, কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)এর নিকট।

কালিগঞ্জে উচ্ছেদ আতঙ্ক: জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনায় এলাকাবাসীর স্বারকলিপি প্রদান

হাফিজুর রহমান শিমুলঃ সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কাছে স্বারকলিপি দিয়েছেন কালিগঞ্জ উপজেলার বাজারগ্রাম মৌজার চার শতাধিক হতদরিদ্র পরিবার। চলমান উচ্ছেদ প্রক্রিয়া স্থগিত করে দীর্ঘদিনের বসতভিটা রক্ষায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন বিস্তারিত....

হালিম শ্যামনগর থেকে।
সুন্দরবন সংলগ্ন বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের আলাউদ্দিন মার্কেট চত্বরে, বেড়ে চলা প্লাস্টিক দূষণ রোধে গন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে সোমবার (২৪ নভেম্বর)সকাল ১০ টায়। বুড়িগোয়ালিনী ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম এর সভাপত্তিতে
ইয়ুথ ফর সুন্দরবন এর আয়োজনে বেসরকারি সংস্থা রূপান্তরের সহযোগিতায়।
সভায় অংশনেন জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, পরিবেশবাদী সংগঠন এবং সাধারণ মানুষ।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন উপকূলীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল হলিম, সাধারণ সম্পাদক আল- হুদা, ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান (ফয়সাল), সাতক্ষীরা রেঞ্জের ইকো সুন্দরবনের ডিস্টিক কো-অর্ডিনেটর গোলাম কবরিয়া, ইযুথফর সুন্দরবনের সভাপতি আশিক, সহ-সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত, মোস্তাকিম ইসলাম রোহানী, পরিবেশ সম্পাদক মোঃ ইমরান হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আফরিন, ইযুথফর সুন্দরবনের সদস্য রাজিয়া সুলতানাসহ  উপকূলীয় এলাকার অসংখ্য উপকূলবাসী।
বক্তারা জানান, নদী-খাল, চিংড়িঘের ও সুন্দরবনের প্রবেশমুখে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক জমে পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। এতে বিভিন্ন মাছ, কাঁকড়া, বণ্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়ছে।
প্লাস্টিক ব্যবহার কমানো, যথাযথ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং স্থানীয়ভাবে সচেতনতা বাড়াতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় আরো বলা হয়, প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন, ব্যবসায়ী, জেলে, পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের যৌথ ভূমিকা অপরিহার্য।
সভা শেষে প্লাস্টিকমুক্ত বুড়িগোয়ালিনী গড়তে বিভিন্ন সচেতনতা কর্মসূচি গ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হয় আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে।

শ্যামনগরে প্লাস্টিক পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে গনশুনানি  অনুষ্ঠিত

হালিম শ্যামনগর থেকে। সুন্দরবন সংলগ্ন বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের আলাউদ্দিন মার্কেট চত্বরে, বেড়ে চলা প্লাস্টিক দূষণ রোধে গন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে সোমবার (২৪ নভেম্বর)সকাল ১০ টায়। বুড়িগোয়ালিনী ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বিস্তারিত....

হাফিজুর রহমান শিমুলঃ

রাস্তার কাজে বাঁধা নয়’ সড়ক ও জনপদ বিভাগের অপ্রয়োজনীয় জমিতে বসবাসকারী ভূমিহীনদের উচ্ছেদের প্রতিবাদে শতশত ভূমিহীন নারী, পুরুষ, সাধারণ জনগণ ও ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ মিছিল এবং মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। রবিবার (২৩ নভেম্বর) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ মহাসড়কের কালিগঞ্জস্থ ফুলতলা মোড়ে মানববন্ধন কর্মসূচির আগে বিক্ষোভ মিছিল উপজেলার প্রধান সড়ক প্রদক্ষীন করে। বিক্ষোভ শেষে মানববন্ধন কর্মসূচিতে ভূমিহীন ছাড়াও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা তাদের বক্তব্যে বলেন ১৯৬৪ সালে সড়ক ও জনপদ বিভাগ রাস্তার কাজে কালিগঞ্জ বাস টার্মিনাল থেকে ফুলতলা পর্যন্ত শতাধিক বিঘার বেশি জমি হুকুম দখল করে অধিকগ্রহণ করে। অধিগ্রহণকৃত জমিতে রাস্তা নির্মাণের পরে অতিরিক্ত জমিতে আস্তে আস্তে এলাকার ভূমিহীনরা বাড়ি ঘর তৈরি করে বসবাস করে আসলেও সড়ক ও জনপদ বিভাগ কোন বাঁধা বা কিছুই বলেনি। সেই থেকে শতশত ভূমিহীন পরিবার পরিজন নিয়ে বাড়ি নির্মাণ করে তারা বসবাস করে আসছে। বর্তমানে সড়ক ও জনপদ বিভাগের রাস্তা নির্মাণের জন্য তাদেরকে পুনর্বাসন না করে উচ্ছেদের জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তাদের দাবি রাস্তা নির্মাণে কোন বাঁধা নয়, উন্নয়নমূলক কাজ এগিয়ে যাক কিন্তু অপ্রয়োজনীয় জায়গায় বসবাসকারী শতশত ভূমিহীন নারী পুরুষকে পুনর্বাসন না করে যেন তাদের উচ্ছেদ না করা হয়। এই দাবিতেই তারা আন্দোলন বিক্ষোভ, মানবন্ধন কর্মসূচি পালন করে আসছে। এছাড়াও বক্তারা বলেন ভূমিহীনদের দাবির সঙ্গে যে সমস্ত রাজনৈতিক সংগঠন তাদের সাহায্যে এগিয়ে না আসলে সেই দলকে তারা ভোট না দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। সড়ক ও জনপদের জায়গায় অবৈধভাবে বসবাসকারী ভূমিহীন ছাড়াও স্থানীয় ব্যবসায়ীদেরকেও আগামী ২৮ নভেম্বরের মধ্যে নিজ উদ্যোগে অবৈধ স্থাপনার অপসারণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে। অপরদিকে এর মধ্যে অবৈধ বসবাসকারী নিজ নিজ উদ্যোগে অপসারিত না হলে আগামী ৪ ডিসেম্বর থেকে প্রশাসনিকভাবে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে অপসারণে বাধ্য করা হবে। রবিবারের মানববন্ধন কর্মসূচিতে ভূমিহীন নেতা আব্দুল আলীমের সভাপতিত্বে এবং ব্যবসায়ী মাসুদ রানার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ভূমিহীন নেত্রী কহিনুর বেগম, জোসনা বেগম, মরিয়ম খাতুন, হোসনে আরা বেগম, কামরুজ্জামান বাবু, শমসের আলী, মমিন আলী ছাড়াও ভূমিহীনদের সাথে একাত্ব ঘোষণা করে বক্তব্য রাখেন ব্যবসায়ী সরদার আফসার উদ্দিন, রেদাওয়ান ফেরদাউস রনি, সাহেব আলী সরদার, সরদার কাওতালি প্রমূখ। দাবি না মানলে আগামীকাল অর্থাৎ সোমবারও ভূমিহীনদের একাত্ব ঘোষণা করেসঙ্গে ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলো সোমবার সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদানের ডাক দিয়েছে।

কালিগঞ্জে ব্যবসায়ী ও ভূমিহীনদের উচ্ছেদের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

হাফিজুর রহমান শিমুলঃ রাস্তার কাজে বাঁধা নয়’ সড়ক ও জনপদ বিভাগের অপ্রয়োজনীয় জমিতে বসবাসকারী ভূমিহীনদের উচ্ছেদের প্রতিবাদে শতশত ভূমিহীন নারী, পুরুষ, সাধারণ জনগণ ও ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ মিছিল এবং মানববন্ধন কর্মসূচি বিস্তারিত....

হাফিজুর রহমান শিমুলঃ

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে পলিথিন ও প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৩ নভেম্বর) সকালে উপজেলার সুশীলন অফিসের মিলনায়তনে গণশুনানির আয়োজন করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তর। রূপান্তরের বাস্তবায়নে এবং সুইজারল্যান্ড সরকারের সহায়তায় পরিচালিত সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ বন ও সংলগ্ন অঞ্চলে পলিথিন ও প্লাস্টিক দূষণ কমানো এবং বাস্তুসংস্থান উন্নয়ন” প্রকল্পের আওতায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।রূপান্তরের জেলা সমন্বয়কারী গোলাম কিবরিয়া’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম আকরাম হোসেন। তিনি বলেন- পরিবেশ রক্ষা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব। পলিথিন ও প্লাস্টিকের অতিরিক্ত ব্যবহার পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। এই সমস্যা সমাধানে তরুণ সমাজ, ব্যবসায়ী ও প্রশাসনের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সুশীলনের পরিচালক মোস্তফা আখতারুজ্জামান পল্টু,প্রশিক্ষক খালিদ লামি, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাস বাচ্চু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম হাফিজুর রহমান শিমুল, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক এসএম আহমাদুল্লাহ বাচ্চু, উপজেলা রূপান্তরের সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসান প্রমুখ। বক্তারা সকলেই পলিথিন ও প্লাস্টিক ব্যবহারে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। গণশুনানিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পর্যায়ের ইয়ুথ ফর সুন্দরবন সদস্যবৃন্দ, সাংবাদিক, বিভিন্ন যুব সংগঠনের প্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকরা। এ সময় তারা পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর নীতি ও স্থানীয় পর্যায়ে কড়া বাস্তবায়নের দাবি জানান। প্রায় দুই শতাধিক যুবক যুবতী অংশগ্রহন করেণ।

কালিগঞ্জে পলিথিন ও প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে গণশুনানি অনুষ্ঠিত

হাফিজুর রহমান শিমুলঃ সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে পলিথিন ও প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৩ নভেম্বর) সকালে উপজেলার সুশীলন অফিসের মিলনায়তনে গণশুনানির আয়োজন করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তর। রূপান্তরের বাস্তবায়নে বিস্তারিত....

বুড়িগোয়ালিনী শ্যামনগর প্রতিনিধি।

শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম জেলেখালি গ্রামে বারসিকের উদ্যোগে দাতা সংস্থা অক্সফামের সহযোগিতায় জৈব বালাইনাশক, ভার্মি কম্পোস্ট ও জৈব সার প্রস্তুতকরণ বিষয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২৩ নভেম্বর) সারাদিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে এলাকার ১৮ জন যুব, কৃষক, গৃহিণী, এএলসি (এগ্রোইকোলজি লার্নিং সেন্টার) ও শতবাড়ির কৃষিপ্রতিবেশীয় চর্চাকারীরা অংশগ্রহণ করেন।

জেলেখালী কৃষিপ্রতিবেশবিদ্যা শিখন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক পূর্ণিমা বর্মনের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীরা কীটনাশকের বিকল্প নিরাপদ জৈব বালাইনাশক তৈরির পদ্ধতি, ঘরে তৈরি ভার্মি কম্পোস্টের প্রক্রিয়া, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে জৈব সার ব্যবহারের উপকারিতা এবং টেকসই কৃষি চর্চার বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে হাতে–কলমে শিখতে পারেন। পাশাপাশি নিজ নিজ বাড়ি ও জমিতে জৈব সার উৎপাদন ও ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি ব্যয় কমানো এবং ফসলের গুণগত মান বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার বলপন, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বনির্ভরতা বাড়ানো, পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থার প্রসার এবং রাসায়নিকের ওপর নির্ভরতা কমাতে এই ধরনের নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। অংশগ্রহণকারীরাও প্রশিক্ষণকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে জানান, তারা অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগ করে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে ভূমিকা রাখতে চান।

এ সময়ে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারসিক নেত্রকোনা রিসোর্স সেন্টারের সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শংকর ম্রং। দিনব্যাপি প্রশিক্ষণ ও পরিকল্পনা সভায় তিনি কেঁচো কম্পোস্ট, জৈবসার, তরল সার, কুইক কম্পোস্ট, সবুজ সার, ফসলের রোগ বালাই দমনে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে জৈববালাইনাশক হাতে কলমে তৈরী করা শেখান। বারসিকের বরষা গাইনের সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি সকলের স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহণের মধ্যে দিয়ে প্রাণবন্ত ভাবে সম্পাদিত হয়।

প্রকৃতি বাঁচিয়ে কৃষি চর্চা, নিশ্চিত হোক নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা

বুড়িগোয়ালিনী শ্যামনগর প্রতিনিধি। শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম জেলেখালি গ্রামে বারসিকের উদ্যোগে দাতা সংস্থা অক্সফামের সহযোগিতায় জৈব বালাইনাশক, ভার্মি কম্পোস্ট ও জৈব সার প্রস্তুতকরণ বিষয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ ও পরিকল্পনা সভা বিস্তারিত....

নূরনগর (শ্যামনগর) প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়নে রামজীবনপুর আল-মদিনা কমপ্লেক্স নূরানী বিভাগের বিদায়ী সংবর্ধনা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২২ নভেম্বর ২০২৫) সকল ১০ টায় অত্র মাদ্রাসার মাঠে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে অত্র মাদ্রাসার পরিচালক মাস্টার আব্দুল হামিদ এর সভাপত্বিতে মাওঃ আব্দুল মজিদ এর সঞ্চালনায়।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামজীবনপুর মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা সুপার মাওঃ আতিয়ার রহমান শিক্ষার্থীদের উজ্জল ভবিষ্যত ও সফলতা কামনা করে বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে প্রত্যেককেই আদর্শ ও সু-নাগরীক হিসেবে গড়ে তোলা। তাই আমি বিশ্বাস করি আগামীতে তোমরা সর্বোচ্চ সফতলা অর্জন করে এবং আলোকিত মানুষ হয়ে এই মাদ্রাসার সুনাম ও ঐতিহ্য ধরে রাখবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৌলভী আব্দুল কাদের , হাফেজ মাসুদ সাইফুল্লাহ, আব্দুর রাশেদ, মৌলভী নাজমুল হোসেন, গোলাম মোস্তফা, মনসুর রহমান, নুরুল ইসলাম,প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে পরীক্ষার্থীদের মঙ্গল কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাস্টার আব্দুল হামিদ।
অনুষ্ঠানে অত্র মাদ্রাসার সকল শিক্ষক গন এবং অভিভাবক সহ সকল শ্রেণির শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শ্যামনগর রামজীবনপুর আল-মদিনা কমপ্লেক্স নূরানী বিভাগের বিদায়ী সংবর্ধনা

নূরনগর (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়নে রামজীবনপুর আল-মদিনা কমপ্লেক্স নূরানী বিভাগের বিদায়ী সংবর্ধনা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২২ নভেম্বর ২০২৫) সকল ১০ টায় অত্র মাদ্রাসার মাঠে বিস্তারিত....