সংবাদ শিরোনামঃ
শ্যামনগর উপজেলার গাবুরায় বেড়িবাঁধ রক্ষায় কঠোর অভিযানে চেয়ারম্যান  দেবহাটায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস যথাযথ ভাবে উদযাপন  দেবহাটা উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ আটুলিয়ায় ভিক্ষুকসহ তিন অসহায় মানুষের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বিকাশ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে, এলাকায় ক্ষোভ সাতক্ষীরার পারুলিয়ায় মৎস্যঘেরে ডাকাতিতে বাধা দেওয়ায় কুপিয়ে জখম। দেবহাটায় ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, অভিযুক্ত আটক সুন্দরবনে শিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকা বন্য শুকর উদ্ধার, বনবিভাগের অভিযানে অবমুক্ত পলাতক আসামী ফরিদকে আটক করেছে কালিগঞ্জ থানা পুলিশ         কালিগঞ্জে এডিবি’র বরাদ্ধে সংসদ সদস্যের মাধ্যমে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ কালিগঞ্জ উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে
গাবুরা ইউনিয়ন ডিজিটাল তথ্য সেবা কেন্দ্রে রবিউলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ

গাবুরা ইউনিয়ন ডিজিটাল তথ্য সেবা কেন্দ্রে রবিউলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ

গাবুরা শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার ১২নং গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের সেবা নিতে আসা সাধারন মানুষকে জিম্মি করে নির্ধারিত ফি এর চেয়ে অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের উদ্দোক্তা কবিরুলের সহকারী রবিউলের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগীরা বলেন, গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের যাত্রা শুরুর পর থেকে (ইউডিসি) উদ্যোক্তার কবিরুল ইসলামের সহকারী চাঁদনীমুখা গ্রামের মোঃ নেমাই গাজীর ছেলে রবিউল ইসলাম ইউনিয়ন পরিষদের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। বর্তমান সরকার ডিজিটাল দেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে প্রতিটি ইউনিয়নের জনসাধারনের মাঝে ডিজিটাল তথ্য ও সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে যে প্রকল্প হাতে নিয়েছেন তা যেন রাঘব বোয়াল গিলে খাচ্ছে। জন্ম নিবন্ধন, মৃত্যু সনদ, ভিজিডি র্কাডের আবেদনের জন্য অসদাচারণ, অসম্পূর্ণ কাজ, অদক্ষতা সহ সেবা কেন্দ্রে সঠিকভাবে সময় না দেওয়ারও    অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারী না থাকার কারনে ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র থেকে সেবার বিনিময়ে মিলছে হয়রানি। জরুরি প্রয়োজনের তাগিদে বাধ্য হয়ে এসব অনিয়ম সহ্য করছেন এলাকার সাধারন মানুষ।

গ্রাহকদের সাথে অন্যায় আচরণ যেন তার নিত্য দিনের সঙ্গী। জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম নির্ধারিত ৫০ টাকার বদলে নেওয়া হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত, এবং জরুরি প্রয়োজনে কেউ জন্ম সনদ নিতে চাইলে ফি আরো বেশি। জন্ম সনদের ভুল সংশোধন করতে আসা সাধারণ জনগণ হয়রানি হতে হয় ১ থেকে ২ মাস পর্যন্ত।বিষয়টি নিয়ে কয়েকজন প্রতিবাদ করে রবিউল ইসলাম কাছে হেনস্তার স্বীকার হয়েছেন।

ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকজন সদস্য জানান, আমরা জনপ্রতিনিধিরা তাই ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য কেন্দ্রের উদ্যােক্তার সহ-কর্মচারীর কাছে কোন মূল্য পাই না। পরিষদের সদস্য হওয়া সত্বেও যদি তাদের কাছে কোন মূল্য না পাই, তাহলে সাধারণ জনগণ কি মূল্যায়ন পাবে।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জি, এম, মাছুদুল আলম বলেন,অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে আমি বিষয়টি জানিনা কিন্তু (ইউডিসি) উদ্যোক্তার সহ-কর্মচারীর রবিউল ইসলাম যদি অতিরিক্ত টাকা নিয়ে থাকে তাহলে আমি তদন্ত সাপেক্ষে সে বিষয়ে প্রয়োজন ব্যবস্থা নিবো।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তার হোসেন বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের জন্ম নিবন্ধন সহ অন্যান্য কার্যক্রমে সরকার নির্ধারিত ফির বাহিরে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কোনো বিধান নেই। আমাকে কেউ কখনো অভিযোগ করেনি ও জানায়নি, যেহেতু বিষয়টি এখন জেনেছি তাই তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিব।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *