সংবাদ শিরোনামঃ
আইলা দিবসে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইয়ুথ প্ল্যান বাংলাদেশের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বুড়িগোয়ালিনী, মুন্সিগঞ্জ বিএনপির মধ্যস্থতায় দুই পরিবারের ছেলে-মেয়ের বিয়ে, প্রশংসায় নেতৃবৃন্দ খোলপেটুয়া নদী ভাঙন পরিদর্শনে ড. মোঃ মনিরুজ্জামানসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ শ্যামনগরে টিসিবির ৪৭৮ কার্ডের বিপরীতে ৬ হাজার ৭২৫ কেজি চাল বরাদ্দ, হদিস নেই ৪ হাজার ৩৩৫ কেজির  ঘূর্ণিঝড় আইলা দিবস আজ,১৭ বছর পরও ভয়াল স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছে উপকূলের মানুষ বুড়িগোয়ালিনীতে লিডার্সের আয়োজনে কিশোরী মেয়েদের ডিগনিটি কিট বিতরণ গাবুরায় লিডার্সের আয়োজনে কিশোরী মেয়েদের ডিগনিটি কিট বিতরণ শ্যামনগর বুড়িগোয়ালিনী খোলপাটুয়া নদীর ভাঙনে হুমকিতে বুড়িগোয়ালিনী, প্লাবনের শঙ্কায় ৮-১০ গ্রাম  কলারোয়ায় সাফল্য ছড়াচ্ছেন আদর্শ কৃষক সাত্তার: ‘কৃষক দলগঠন’ মিটিংয়ে কৃষিতে বিপ্লব আলিপুরে প্রতিপক্ষের মারপিটে এক ব্যবসায়ী গুরুতর আহত: বিজ্ঞ আদালতে মামলা 
কেশবপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা

কেশবপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা

কেশবপুর প্রতিনিধি: কেশবপুরে পাকা কলার দাম বেশি রাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করছে। কেশবপুরে শহরের মধুসড়ক বাজারে ব্যবসায়ী আবু সাঈদ কে এই জরিমানা করা হয়়।

বুধবার (২৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এম এম আরাফাত হোসেন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানাজায়, কেশবপুরে প্রকারভেদে স্বাভাবিক বাজার দর পাকা কলা প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। ক্রেতা আবু সাঈদ এর কাজ থেকে ব্যবসায়ী ৭০ থেকে ৮০ টাকায় প্রতি কেজি পাকা কলা বিক্রি করছিলেন। বাজার দর থেকে বেশি দামে কলা বিক্রি করার অপরাধে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, ওই ব্যবসায়ী ৭০ থেকে ৮০ টাকায় প্রতি কেজি পাকা কলা বিক্রি করছিলেন। বাজারদরের চেয়ে ক্রেতাদের কাছে বেশি দামে কলা বিক্রি করার কারণে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করাসহ সতর্ক করা হয়েছে।বাজার দর নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য এই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়েছে এবং এটা অব্যাহত থাকবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘের ও জমিজমা দখলের অভিযোগ উঠেছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রসূত।
এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ একটি পরিকল্পিত চরিত্রহননের অংশ, যার মাধ্যমে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চলছে। এ ধরনের অপপ্রচার করে জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

 সংশ্লিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিদের কাছে অনুরোধ জানান, যেন তারা প্রমাণবিহীন অভিযোগ তুলে সমাজে বিভ্রান্তিসৃষ্টি না করেন, এবং সম্মানিয় ব্যক্তির মানহানি না ঘটান।

একই সঙ্গে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে তা বিশ্বাস না করার জন্য। আর সেই সাথে এধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।

প্রতিবাদকারী
এলাকাবাসী।
তারিখ ০৫ জুলাই ২০২৫।

প্রকাশিত সংবাদ এর প্রতিবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *