সংবাদ শিরোনামঃ
সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করার দাবিতে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি বনদস্যু নির্মূলে জেলেদের সাত দিনের আলটিমেটামের ঘোষণা, মানববন্ধন থেকে কঠোর আন্দোলনের ডাক শ্যামনগরে বনদস্যু নির্মূলের দাবিতে মানববন্ধনে ভেটখালী বাজারে জেলে-বাওয়ালিদের ঢল দেবহাটায় থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক :৫ শ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ১৪ বোতল ফেন্সিডিল ও বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ওষুধ জব্দ সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলের দাবিতে শ্যামনগর বুড়িগোয়ালিনীতে গন মিছিল ও  অবস্থান কর্মসূচি সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদে ভিডাব্লিউ কার্ডের চাল বিতরণ এন‌জিএফ এর তৈরী পা‌নির প্লান্ট নষ্ট, খাবার পা‌নির সংক‌টে গাবুরা ৯নং সোরা। দেবহাটায় নেতিবাচক জেন্ডারভিত্তিক ধারণা দূরীকরণে অ্যাডভোকেসি সংলাপ অনুষ্ঠিত দেবহাটায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
বনদস্যু নির্মূলে জেলেদের সাত দিনের আলটিমেটামের ঘোষণা, মানববন্ধন থেকে কঠোর আন্দোলনের ডাক

বনদস্যু নির্মূলে জেলেদের সাত দিনের আলটিমেটামের ঘোষণা, মানববন্ধন থেকে কঠোর আন্দোলনের ডাক

 এম এ হালিম।
সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করা এবং জেলে-বাওয়ালিদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সাত দিনের বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন জেলে ও বনজীবীরা। রবিবার (১ নভেম্বর ২০২৬) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধন থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
বনদস্যু নির্মূল কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন লিটনের নেতৃত্বে জেলে-বাওয়ালিরা এ আন্দোলনে অংশ নেন। মানববন্ধনে সুন্দরবনে বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় এবং জেলে-বাওয়ালিদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের জীবিকা নির্বাহের অন্যতম প্রধান উৎস। প্রতিদিন জীবিকার তাগিদে জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালরা সুন্দরবনে প্রবেশ করেন। কিন্তু বনদস্যুদের আতঙ্কে তারা নিরাপদে মাছ, কাঁকড়া ও মধু আহরণ করতে পারছেন না। অনেক সময় বনদস্যুদের হাতে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। মুক্তিপণের দাবিতে জেলে পরিবারগুলোকে চরম আর্থিক ও মানসিক সংকটের মধ্যে পড়তে হচ্ছে।
তারা আরও বলেন, সুন্দরবন শুধু বনজ সম্পদের আধার নয়, এটি উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। তাই বনদস্যুদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, সুন্দরবনের গুরুত্বপূর্ণ নদী ও খালে টহল বৃদ্ধি এবং জেলে-বাওয়ালিদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
মানববন্ধন থেকে ঘোষিত সাত দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আন্দোলনকারীরা জানান, তাদের দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
এদিকে বনদস্যু নির্মূলের দাবিতে ইতোমধ্যে পাঁচ দিনব্যাপী টানা বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। এসব কর্মসূচিতে সুন্দরবনসংলগ্ন বিভিন্ন এলাকার জেলে, বাওয়ালি ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বন বিভাগ, কোস্ট গার্ড ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি দ্রুত সমন্বিত অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানান।

তাদের একটাই দাবি—সুন্দরবন হবে বনদস্যুমুক্ত, নিরাপদ হবে জেলে-বাওয়ালিদের জীবন এবং নিশ্চিত হবে উপকূলীয় মানুষের জীবিকা।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *