*গাবুরা (শ্যামনগর) প্রতিনিধি।
পিকেএসএফ এর অর্থ সহায়তায় নোয়াবেকি গণমুখী ফাউন্ডেশন (NGF) কর্তৃক গাবুরা ইউনিয়নে নির্মিত খাবার পানির প্লান্ট অপরিকল্পিত নির্মাণের কারণে এক বছর ধরে অচল হয়ে পড়ে আছে। এতে তীব্র পানি সংকটে পড়েছে ৯নং সোরা এলাকার হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে NGF গাবুরায় ৫টি খাবার পানির প্লান্ট চালু করে। নির্মাণকালে পুকুরের পানি শোষণ চেম্বারে কোনো পাথর-খোয়া ব্যবহার করা হয়নি। নিয়ম না মেনে দায়সারাভাবে প্লান্ট নির্মাণ করায় অল্পদিনের মধ্যেই ৫টির মধ্যে ৩টি অচল হয়ে যায়। পুকুরের ময়লা জমে বাকিগুলোর ফিল্টারও এখন অকেজো প্রায়।
এর মধ্যে গাবুরার ৯নং সোরা দৃষ্টিনন্দন খাবার পানির পুকুর সংলগ্ন প্লান্টটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বৃহৎ এই পুকুরের প্লান্ট থেকে ৯নং সোরা, ডুমুরিয়া গ্রামসহ সুন্দরবনের বনজীবীরা খাবার পানি সংগ্রহ করত। প্লান্টটি প্রায় ১ বছর যাবত অচল থাকায় পুরো এলাকায় সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, বিষয়টি একাধিকবার ইউনিয়ন পরিষদ ও NGF কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। প্লান্ট সংস্কারে বড় অংকের অর্থ প্রয়োজন হওয়ায় পরিচালনা কমিটি বা এলাকাবাসীর পক্ষে তা সম্ভব হচ্ছে না। আবার কর্তৃপক্ষ অন্য কোনো দাতা সংস্থার মাধ্যমে সংস্কারেও আগ্রহী নয়।
বর্ষা পরবর্তী এ সময়ে এলাকার মানুষ চরম পানীয় জল কষ্টে দিন পার করছে। অতি দ্রুত অপরিকল্পিত এই প্লান্টটি সংস্কার করে পুনরায় চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী
Leave a Reply