বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রথম অভিযানে পুষ্পকাঠি অভয়ারণ্য কেন্দ্রের তালতলি খাল থেকে কাঁকড়া ধরার একটি ডিঙি নৌকা জব্দ করা হয়। এ সময় নৌকার সঙ্গে কাঁকড়া ধরার ৫৭টি আটুন ও তিনটি ড্রাম জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় বন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
অপর অভিযানে কদমতকলা স্টেশনের ফিরিঙ্গি খালের অভয়ারণ্য অংশ থেকে মাছ ধরার একটি ডিঙি নৌকাসহ সাতজনকে আটক করা হয়। এ সময় ৩০০ ফুট ফাঁস জাল, একটি ককশিট, একটি হাইল, একটি দাঁড়, দুটি বৈঠা, আনুমানিক ১৫০ কেজি মাছ, পানির নয়টি ড্রাম, দুটি হুক ও একটি কুড়াল জব্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—মোহাম্মদ তৈয়ব আলী (৫৫), পিতা জনাব আলী গাজী; শাহাবাজ আলী (৫২), পিতা সৈয়দ আলী; আইয়ুব আলী গাইন (৫৫), পিতা রুহুল আমিন গাইন; ওয়াহিদুল ইসলাম (৫৪), পিতা আমিন আলী; ছালাম গাইন (৫৬), পিতা করিম গাইন; আব্দুর রউফ (৪০), পিতা অলি গাজী এবং মো. আলিম (৩৮), পিতা আব্দুল রশিদ।
তাদের সবার ঠিকানা সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পাশ্বেমারি এলাকা বলে জানা গেছে।
আটক ব্যক্তিদের আদালতে সোপর্দ করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি জব্দ করা সরঞ্জাম ও নৌকার বিষয়ে বন আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সুন্দরবন রক্ষায় অভিযান অব্যাহত থাকবে
সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য, মৎস্যসম্পদ ও অভয়ারণ্য এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় বন বিভাগের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে জানান বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা এরফান উদ্দিন।
সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকায় অবৈধভাবে মাছ ও কাঁকড়া শিকার বন্ধ করা এবং বনের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে বন বিভাগের নজরদারি ও অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
Leave a Reply