সংবাদ শিরোনামঃ
শ্যামনগর খোলপেটুয়া নদী থেকে বালু উত্তোলন করায় একজনের কারাদন্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা শ্যামনগরে কলেজ পড়ুয়া যুবকের আত্ম*হ*ত্যা দেবহাটায় শ্রমিক দিবসে র‌্যালী ও শ্রমিক সমাবেশ মহান মে দিবস আজ: শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জামায়াত কর্মী আনোয়ার কে অব্যাহতি প্রদান দেবহাটায় র‌্যাবের অভিযানে ১ হাজার ৫৬৬ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার, দুই ব্যক্তি আটক বুড়িগোয়ালিনীতে মৎস্য ঘেরের বাসা থেকে রান্না হরিণের মাংস উদ্ধার করেছে প্রশাসন  কয়রায় পরিবেশ রক্ষায় বনজীবীদের প্লাস্টিকবিরোধী কর্মশালা  শ্যামনগরের নকিপুর বাজারে অভিযান: সুন্দরবন থেকে আনা ২২৫০ কেজি নিষিদ্ধ শামুক/ঝিনুক জব্দ শ্যামনগর ভামিয়া ও বনবিবিতলায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ইয়ুথদের রোড শো, ইউনিয়ন পরিষদে দাবি তুলে ধরলেন তরুণরা
বরিশাল লঞ্চঘাট এলাকায় আবাসিক হোটেলে প্রকাশ্যে দে*হব্যবসা, প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ

বরিশাল লঞ্চঘাট এলাকায় আবাসিক হোটেলে প্রকাশ্যে দে*হব্যবসা, প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ

বরিশাল প্রতিনিধি।
বরিশাল লঞ্চঘাট সংলগ্ন বেশ কিছু আবাসিক হোটেলে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে চলছে নারী দেহব্যবসা। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব হোটেলকে আড়ালের ব্যবসার আড্ডাখানায় পরিণত করা হয়েছে। দিনের বেলায় যেমন, রাতের আঁধারেও দেহ ব্যবসার নামে চলছে অনৈতিক কর্মকাণ্ড। অথচ প্রশাসন এসব বিষয়ে চোখ বুজে আছে বলে অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল লঞ্চঘাটের আশপাশে থাকা একাধিক হোটেল যেমন হোটেল চিল, পপুলার বোর্ডিং আবাসিক,শিকদার আবাসিক হোটেল, কেবল থাকার জন্য নয়, বরং গোপনে দেহ ব্যবসার আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। অল্প টাকার বিনিময়ে এসব হোটেলে অনৈতিক কাজে লিপ্ত করা হচ্ছে অসহায় নারীদের। তাদের অনেককে দালাল চক্র বিভিন্ন কৌশলে ফুঁসলিয়ে বা প্রতারণার মাধ্যমে এই পেশায় নামাতে বাধ্য করছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিদিনই লঞ্চঘাটে যাতায়াত করেন হাজারো যাত্রী। নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী, এমনকি পরিবার-পরিজন নিয়েও আসেন অনেকে। অথচ লঞ্চঘাট সংলগ্ন হোটেলগুলোতে এভাবে প্রকাশ্যে দেহব্যবসা চলতে থাকায় অস্বস্তি ও লজ্জায় পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। সামাজিক অবক্ষয়ের পাশাপাশি এতে তরুণ সমাজও মারাত্মকভাবে বিপথগামী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে এলাকার কয়েকজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাসিন্দা বলেন,
“আমরা বহুবার বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়েছি। কিন্তু তেমন কোনো পদক্ষেপ নেই। উল্টো যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, তারাই ক্ষমতার দাপটে নির্ভয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।তাছাড়া সাবেক সেনা কর্মকর্তার বাস ভবনের সাইনবোর্ড টানিয়া ও এব্যবসা চালানো হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নীরবতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা আরও বলেন, “প্রশাসন চাইলে একদিনেই এ ব্যবসা বন্ধ করা সম্ভব। কিন্তু রহস্যজনক কারণে কোনো অভিযান চলছে না।”
মানবাধিকার কর্মীদের দাবি, অবিলম্বে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে যারা এ কাজে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া প্রয়োজন।
স্থানীয়দের মতে, বরিশাল লঞ্চঘাট শুধু নদীপথে যাতায়াতকারীদের প্রধান কেন্দ্রই নয়, বরং এটি শহরের ভাবমূর্তিরও প্রতীক। তাই এখানকার হোটেলগুলোতে অবৈধ কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে একদিকে যেমন সমাজে অপসংস্কৃতির বিস্তার ঘটবে, অন্যদিকে বরিশালের সুনামও ক্ষুণ্ণ হবে।
 প্রশাসনের প্রতি এলাকাবাসীর জোর দাবি দ্রুত সময়ের মধ্যে বরিশাল লঞ্চঘাট সংলগ্ন সব আবাসিক হোটেলে অভিযান পরিচালনা করে এ অবৈধ দেহ ব্যবসার অবসান ঘটাতে হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *