সংবাদ শিরোনামঃ
কালিগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে শাড়ি বিতরণ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ধর্মীয় উপাসনালয়, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ওসর্বসাধারণের জান-মাল রক্ষায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে কোস্ট গার্ড বুধবার* স্মার্ট হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যে সকল বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ রোগী দেখবেন নিজ বিদ্যাপীঠ পরিদর্শনে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ফাতিমা তুজ জোহরা শ্যামনগরে প্রতিবন্ধকতা জয় করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন সোহাগের সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেন মোঃ আদম আলী গাবুরায় দুই পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাস্টার আব্দুর রহিম মহাঅষ্টমীতে শ্যামনগরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন যুবদল নেতা শাহজাহান রনি মঙ্গলবার* স্মার্ট হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যে সকল বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ রোগী দেখবেন— কালিগঞ্জে শতবর্ষি সরকারী গাছ কাটার অভিযোগ
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধকতা জয় করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন সোহাগের

শ্যামনগরে প্রতিবন্ধকতা জয় করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন সোহাগের

মাসুম বেলাল কাইয়ুম:

শারীরিক সীমাবদ্ধতা কখনো স্বপ্নের পথ রুদ্ধ করতে পারে না—তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সোহাগ হোসেন। জন্মগত প্রতিবন্ধকতা ও চলাচলের তীব্র অসুবিধা সত্ত্বেও ভিক্ষাবৃত্তি বা অন্যের অনুকম্পার মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজের মেধা ও পরিশ্রমে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য চেষ্টা করছে এই তরুণ।

সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর হাজীপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী হালদারের ছেলে সোহাগ হোসেন। জন্ম থেকেই তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী। দুই পায়ে শক্তি পান না বললেই চলে; চলাফেরার একমাত্র সম্বল একজোড়া বগলদাবা লাঠি। তবে জীবনের কঠিন বাস্তবতার কাছে হার মানেননি তিনি।

অনেকে শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে অজুহাত বানিয়ে সহজ পথ বেছে নিলেও সোহাগ হেঁটেছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে। বর্তমানে তিনি নূরনগর বাজারের সর্বজনীন দুর্গামণ্ডপসংলগ্ন সড়কের পাশে একটি অস্থায়ী দোকান দিয়ে ব্যবসা শুরু করেছেন। সেখানে তিনি বিক্রি করছেন নিজ বাড়িতে তৈরি হরেক রকমের সুস্বাদু কেক। সোহাগ জানান,ক্রেতাদের কাছ থেকে বেশ ভালো সাড়াও পাচ্ছেন।

পরিবারকে তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “বাড়িতে সম্পূর্ণ নিজস্ব উপায়ে মানসম্মত কেক তৈরিতে আমাকে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করছেন আমার বড় বোন শারমিন সুলতানা এবং বাবা-মা। তাঁদের নিরলস সমর্থন না থাকলে আমি এত দূর আসতে পারতাম না।”

সোহাগের আকুল আবেদন, সরকার বা কোনো সামাজিক সংস্থার পক্ষ থেকে যদি তাঁকে এককালীন আর্থিক সহায়তা কিংবা কম্পিউটার বিষয়ের ওপর উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো, তবে তিনি আরও বড় পরিসরে নিজের আত্ম কর্মসংস্থান গড়ে তুলতে পারতেন এবং সমাজে আরও উন্নত জীবনযাপন করতে পারতেন।

প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর এই অনন্য প্রয়াস স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। সুশীল সমাজের মতে, সোহাগের মতো আত্মপ্রত্যয়ী তরুণদের পাশে যদি সরকারি বা বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা দাঁড়ায়, তবে তাঁরা সমাজের বোঝা না হয়ে দেশের সম্পদে পরিণত হতে পারেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *