সংবাদ শিরোনামঃ
মায়ের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ: ছেলের লাথিতে বৃদ্ধার দাঁত ভাঙল, থানায় মামলা বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেবহাটায় গাঁজাসহ ১জন ও পরোয়ানাভুক্ত অপর ১ আসামী আটক দেবহাটায় আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও র‌্যালী অনুষ্ঠিত ধর্মপ্রাণ মানুষকে ‘ধর্মান্ধ ’ আখ্যা দেওয়ার প্রতিবাদে দেবহাটায় মানববন্ধন সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটির শ্যামনগর উপজেলা পর্যবেক্ষক ও তথ্য সমন্বয়ক হলেন উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সদস্য মোঃ জহিরুল ইসলাম সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ‘দুলাভাই বাহিনী’র সঙ্গে কোস্ট গার্ডের গোলাগুলি; অভিযান এখনো চলমান। শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে জামায়াতের র‌্যালি ও সমাবেশ  বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ শ্যামনগর শাখার ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরাবাসীকে “ধর্মান্ধ” মন্তব্যের প্রতিবাদে ডিসির বিরুদ্ধে শ্যামনগরে ওলামাদের বিক্ষোভ সমাবেশ
শ্যামনগরে বহুল আলোচিত এম আরএ ক্লিনিক সরকারি আদেশে বন্ধ ঘোষনা

শ্যামনগরে বহুল আলোচিত এম আরএ ক্লিনিক সরকারি আদেশে বন্ধ ঘোষনা

নিজস্ব  প্রতিনিধিঃ

শ্যামনগর উপজেলার বহুল আলোচিত এমআরএ ক্লিনিক সরকারি আদেশে বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। ঘটনা সূত্রে জানাযায, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের বায়োকেমিস্ট প্রভাষক ডাঃ আনিসুর রহমানের অনিয়ম দুর্নীতি ও অত্যাচার সইতে না পেরে শ্যামনগরের বহুল আলোচিত এমআরএ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জন বরাবর ২৬-০৪-২৩ তারিখে লিখিত আবেদন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন ক্লিনিক মালিকপক্ষ। তারই পরিপেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৭/০৫/২০২৩ তারিখে ক্লিনিকটির লাইসেন্স বাতিল পূর্বক ক্লিনিকের সকল কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ প্রদান করে। এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প প কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ জিয়াউর রহমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি দৈনিক দৃষ্টিপাতকে জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিঠি মোতাবেক এবং সাতক্ষীরা জেলা সিভিল সার্জন এর নির্দেশনায় আমি সরজমিনে গিয়ে শয়ামনগর এম আর এ ক্লিনিক এর সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছি। উল্যেখ এম আর এ ক্লিনিকে অপারেশন করতে আসার সুবাদে ডাঃ আনিসুর রহমানের প্রস্তাবেই তার মেয়ের নামে একটি শেয়ার দেন ক্লিনিক মালিকপক্ষ। তার কিছুদিন পর থেকেই ডাঃ আনিসুরের আগ্রাসি মনভাব এবং অঢেল টাকার বিনিময়ে পুরো ক্লিনিকটি নিজে দখলে নেয়ার পায়তারা করেন। কোন ডাক্তারকে অপারেশন করতে দেন না, নিজেই অপারেশন করেন। কোন এ্যানেস্থেশিয়া ডাক্তার ছাড়াই, নিজেই ক্যাটামিন ইনজেকশন ও স্পাইনাল দেন, যে কারনে বহু রোগী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। বারবার রোগি মারা যাওয়ার কারণে ক্লিনিকের নাম হয় মৃত্যুপুরী। প্রতিনিয়ত এভাবে রোগী মারা যাওয়ার কারনে প্রায়শই বিভিন্ন গনমাধ্যমের শিরোনাম হলেও এতদিন ডাঃ আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহন করেন নাই। ক্লিনিকটিতে কোন ডিপ্লোমা নার্স নাই, নাই কোন এমবিবিএস ডিউটি ডাক্তার। ডাঃ আনিসুর এর এসব অন্যায় ক্লিনিক মালিকপক্ষ মেনে না নেয়ায় একের পর এক তাদের নামে মিথ্যা হামলা-মামলা দিয়ে ক্লিনিক থেকে তাড়িয়ে দেয়ার পায়তারা করে আসছিলো। ক্লিনিক মালিকপক্ষ এত কিছু সহ্য করতে না পেরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জন বরাবর ২৬-০৪-২৩ তারিখে ক্লিনিক বন্ধের আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদান করিলে ১৭-০৫-২০২৩ তারিখে ক্লিনিকটির লাইসেন্স বাতিল পূর্বক ক্লিনিকের সকল কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ প্রদান করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এদিকে মৃত্যুপুরী খ্যাত ক্লিনিকটি বন্ধ হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এলাকার সচেতন মহল, ভুক্তভোগী এবং ক্লিনিক মালিক পক্ষগণ।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধ।

পায়ে সু আর চোঁখে সানগ্লাস পরা কি অপরাধ ? এমন প্রশ্ন তুলেছেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালক বশিরউদ্দীন। তার দাবি, ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে মনগড়া ও অসত্য তথ্য দিয়ে অপপ্রচার করছে একটি চক্র।

সংবাদমাধ্যমের কাছে এমন অভিযোগ তুলে বশিরউদ্দীন বলেন, আমি একজন সরকারি গাড়িচালক। নিয়ম মেনে দায়িত্ব পালন করি। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে গল্প সাজিয়ে বলা হচ্ছে, নষ্ট গাড়ির নামে বিল তোলা হয়। অথচ এ অভিযোগ সঠিক নয়।

তিনি জানান, হাসপাতালে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স ও একটি পিকআপসহ চারটি গাড়ি সচল রয়েছে। তবে সরকারি চালক মাত্র দুইজন। তিনি নিজে ও অপর চালক জয়নুল আবেদীন। বাকি দুইটি গাড়ি চালান স্বেচ্ছাসেবক সুমন গাজী ও হায়দার আলী। যেখানে সব গাড়ি সচল, সেখানে নষ্ট গাড়ির নামে বিল তোলার অভিযোগ হাস্যকর। পায়ে সু বা চোখে সানগ্লাস পরে ডিউটি করার বিষয়টিকে অপরাধ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। অথচ আইনে বলা আছে, চালকদের পায়ে সু পরা বাধ্যতামূলক। চশমাটি মূলত ২৫০ পাওয়ারে অটোসান চশমা। যা রোদে গেলে কালো ও ছায়ায় আসলে সাদা হয়।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক কুদরত-ই-খুদা বলেন, বশিরউদ্দীনের বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ এনে প্রচার করা হচ্ছে সেটি মনগড়া। লক্ষ্য করলে দেখবেন জনস্বার্থে তথ্য তুলে ধরা হয়নি, বরং ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা মেডিকেলের গাড়িচালক বশিরউদ্দীনকে নিয়ে অপপ্রচার

কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

কালিগঞ্জের পল্লীতে মাদকের বিরুদ্ধে  প্রতিবাদ করায় হামলার ঘটনায় পাঁচজন হাসপাতালে। ঘটনাটি উপজেলার কালিকাপুর গ্রামে ঘটেছে। থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানাগেছে, দীর্ঘদিন যাবৎ প্রশাসনের নজর এড়িয়ে স্থানীয় একটি চক্র অবাধে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে। সচেতনমহল হীন কাজের প্রতিবাদ করলেও বন্ধ হয়নি তাদের মাদক ব্যবসা ও সেবন। বৃহস্পতিবার বিকেলে কালিকাপুর খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী মুকুল ঢালী, আইয়ু আলী, মিজানুর রহমান, তরিকুল ইসলাম, মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করলে চক্রটির সদস্যরা প্রতিবাদকারিদের বেদম মারধর ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে মারাত্মক যখম অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জানা যায়, উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের কালিকাপুর এলাকার মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম, আজগার আলী, আলাউদ্দীন, নাসির উদ্দীন, সাইফুল ইসলাম, ইমরান হোসেন ও মনিরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রি করে আসছে। এলাকাবাসী বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিষেধ ও প্রতিবাদ করলেও তারা উল্টো হুমকি ধামকি দিয়ে শান্তি ভঙ্গের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে জাহাঙ্গীর গং আয়ুব আলীসহ প্রতিবাদ কারীদের বেধড়ক মারপিট করায় পাঁচজন মারাত্মক যখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা পুলিশ প্রশাসনের কাছে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও এলাকায় মাদক ব্যবসা বন্ধের জন্যে জোর দাবি জানিয়েছে।

কালিগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে  প্রতিবাদ করায় হামলায় হাসপাতালে পাঁচজন

শ্যামনগর, সাতক্ষীরা।
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহ সেবক আব্দুল মজিদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন,
মোঃ মারুফ হোসেন, পিতা- মৃতঃ শহিদুল ইসলাম, গ্রামঃ- গুমানতলী, পোষ্টঃ- ঈশ্বরীপুর, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা অসুস্থ্য হয়ে আব্দুল মজিদের কাছে চিকিৎসা গ্রহন করেন। পরবর্তীতে তার অভিযোগ অনুযায়ী তার পা কর্তন করতে হয়। তিনি আব্দুল মজিদের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ করে।
পরিচালক (স্বাস্থ্য), খুলনা বিভাগ, খুলনা।
 সিভিল সার্জন, সাতক্ষীরা।
আবাসিক মেডিকেল অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্তের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের তিন কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানা যায়।
তদন্ত কমিটিকে আগামী ০৩ কর্ম দিবসের মধ্যে যথাযথ তদন্ত পূর্বক লিখিত আকারে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
 এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেরে সহ সেবক আব্দুল মসজিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি আমি শুনেছি এবং আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে এটা আমি জানি।

সহ সেবক আব্দুল মজিদের ভুল চিকিৎসার কারণে রুগীর পা কর্তন করতে হয় অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *