সংবাদ শিরোনামঃ
মায়ের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ: ছেলের লাথিতে বৃদ্ধার দাঁত ভাঙল, থানায় মামলা বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেবহাটায় গাঁজাসহ ১জন ও পরোয়ানাভুক্ত অপর ১ আসামী আটক দেবহাটায় আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও র‌্যালী অনুষ্ঠিত ধর্মপ্রাণ মানুষকে ‘ধর্মান্ধ ’ আখ্যা দেওয়ার প্রতিবাদে দেবহাটায় মানববন্ধন সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটির শ্যামনগর উপজেলা পর্যবেক্ষক ও তথ্য সমন্বয়ক হলেন উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সদস্য মোঃ জহিরুল ইসলাম সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ‘দুলাভাই বাহিনী’র সঙ্গে কোস্ট গার্ডের গোলাগুলি; অভিযান এখনো চলমান। শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে জামায়াতের র‌্যালি ও সমাবেশ  বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ শ্যামনগর শাখার ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরাবাসীকে “ধর্মান্ধ” মন্তব্যের প্রতিবাদে ডিসির বিরুদ্ধে শ্যামনগরে ওলামাদের বিক্ষোভ সমাবেশ
নূরনগরে স্বামী কতৃক গৃহবধূকে আগুনে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা আটক এক

নূরনগরে স্বামী কতৃক গৃহবধূকে আগুনে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা আটক এক

পিযুষ বাউলীয়া পিন্টু মুন্সীগঞ্জ থেকেঃ

শ্যামনগর উপজেলার নূরনগরের এক গৃহবধুকে আগুনে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে আটক এক। নুরনগর গ্রামের সরকার পাড়া খালপাড় এলাকার নিমাই সরকারের মেয়ে তাপসী সরকারের সাথে কয়েক বছর আগে বিবাহ হয় কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের বাগবাটি জালালতলা গ্রামের বিমল ঢালির ছেলে অশোক ঢালি (৩৫) এর। তাদের দুই বছরের একটি পুত্র সন্তান আছে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ ফেব্রæয়ারি মঙ্গলবার রাত দশটার দিকে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী শ্বশুর বিমল ঢালি ও তার স্ত্রী শুধা এর ইন্ধনে ছেলে অশোক ঢালি তার স্ত্রী তাপসীকে ঘরে নিয়ে হাত-পা বেঁধে গায়ে প্রেট্রোল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়। এ সময় গৃহবধূ তাপসীর আত্ম চিৎকারে প্রতিবেশি কয়েকজন ছুটে এসে ঘরের দরজা খুলে আগুন নিভাতে সক্ষম হয়। এর মধ্যেই তাপসীর শরীরে অর্ধেকের বেশি অংশ আগুনে পুড়ে যায়। স্থানীয়রা তাৎক্ষনিক তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঐ সময় স্থানীয়রা গৃহবধূ তাপসীর বাবার বাড়ি শ্যামনগর উপজেলার নুরনগর (খালপাড়) সরকার পাড়া গ্রামের নিমাই সরকারকে জানায়। নিমাই সরকার ঋণের দায়ে ও অভাবের তাড়নায় কাজের তাগিদে যশোরে অবস্থান করছিলেন, মেয়ের এই অবস্থার খবর শুনে তিনি সাতক্ষীরা মেডিকেলে ছুটে আসেন কিন্তু মেয়ের অবস্থার অবনতি হওয়ায় সাতক্ষীরা মেডিকেল থেকে নিয়ে খুলনা মেডিকেলে ভর্তি করেন। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন কিন্তু অসহায় পিতার কাছে অর্থ না থাকায় মেয়েকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি নুরনগরে আসতে বাধ্য হয় তারা। বর্তমানে তাপসী পোড়া শরীর নিয়ে যন্ত্রনায় চটফট করছে। অন্যদিকে এই প্রতিবেদকের কাছে গৃহবধূ তাপসীর পরিবার জানিয়েছে, ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের বাগবাটি জালাল তলা গ্রামের বিমল ঢালি ও তার ছেলে অশোক ঢালি প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় থাকে বলে তাদের বিরুদ্ধে স্থানীয়রা কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। এছাড়া গৃহবধূ তাপসী ও তার পরিবারকে বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে মামলা না করার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী এই পরিবার। মামলা করলে হত্যা করার মত ঘটনাও ঘটাবে বলে আস্ফালন করে যাচ্ছে অশোক। এই ভয়ে আইনের আশ্রয় নিতে পারছে না ভুক্তভোগী এই পরিবারটি। এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অশোক ঢালির এর আগেও একজন স্ত্রী ছিলো, কিন্তু তাকেও সব সময়ই মারধর করতো বলে জানা গেছে। তাপসীর বাবা অসহায় দিনমুজুর নিমাই সরকার সাংবাদিকদের বলেন আমার মেয়েকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টাকারীর সুষ্ঠ বিচার চাই। এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মামুন রহমান এর সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি জানান এক জন কে আটক করা হয়েছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধ।

পায়ে সু আর চোঁখে সানগ্লাস পরা কি অপরাধ ? এমন প্রশ্ন তুলেছেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালক বশিরউদ্দীন। তার দাবি, ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে মনগড়া ও অসত্য তথ্য দিয়ে অপপ্রচার করছে একটি চক্র।

সংবাদমাধ্যমের কাছে এমন অভিযোগ তুলে বশিরউদ্দীন বলেন, আমি একজন সরকারি গাড়িচালক। নিয়ম মেনে দায়িত্ব পালন করি। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে গল্প সাজিয়ে বলা হচ্ছে, নষ্ট গাড়ির নামে বিল তোলা হয়। অথচ এ অভিযোগ সঠিক নয়।

তিনি জানান, হাসপাতালে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স ও একটি পিকআপসহ চারটি গাড়ি সচল রয়েছে। তবে সরকারি চালক মাত্র দুইজন। তিনি নিজে ও অপর চালক জয়নুল আবেদীন। বাকি দুইটি গাড়ি চালান স্বেচ্ছাসেবক সুমন গাজী ও হায়দার আলী। যেখানে সব গাড়ি সচল, সেখানে নষ্ট গাড়ির নামে বিল তোলার অভিযোগ হাস্যকর। পায়ে সু বা চোখে সানগ্লাস পরে ডিউটি করার বিষয়টিকে অপরাধ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। অথচ আইনে বলা আছে, চালকদের পায়ে সু পরা বাধ্যতামূলক। চশমাটি মূলত ২৫০ পাওয়ারে অটোসান চশমা। যা রোদে গেলে কালো ও ছায়ায় আসলে সাদা হয়।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক কুদরত-ই-খুদা বলেন, বশিরউদ্দীনের বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ এনে প্রচার করা হচ্ছে সেটি মনগড়া। লক্ষ্য করলে দেখবেন জনস্বার্থে তথ্য তুলে ধরা হয়নি, বরং ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা মেডিকেলের গাড়িচালক বশিরউদ্দীনকে নিয়ে অপপ্রচার

কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

কালিগঞ্জের পল্লীতে মাদকের বিরুদ্ধে  প্রতিবাদ করায় হামলার ঘটনায় পাঁচজন হাসপাতালে। ঘটনাটি উপজেলার কালিকাপুর গ্রামে ঘটেছে। থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানাগেছে, দীর্ঘদিন যাবৎ প্রশাসনের নজর এড়িয়ে স্থানীয় একটি চক্র অবাধে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে। সচেতনমহল হীন কাজের প্রতিবাদ করলেও বন্ধ হয়নি তাদের মাদক ব্যবসা ও সেবন। বৃহস্পতিবার বিকেলে কালিকাপুর খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী মুকুল ঢালী, আইয়ু আলী, মিজানুর রহমান, তরিকুল ইসলাম, মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করলে চক্রটির সদস্যরা প্রতিবাদকারিদের বেদম মারধর ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে মারাত্মক যখম অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জানা যায়, উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের কালিকাপুর এলাকার মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম, আজগার আলী, আলাউদ্দীন, নাসির উদ্দীন, সাইফুল ইসলাম, ইমরান হোসেন ও মনিরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রি করে আসছে। এলাকাবাসী বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিষেধ ও প্রতিবাদ করলেও তারা উল্টো হুমকি ধামকি দিয়ে শান্তি ভঙ্গের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে জাহাঙ্গীর গং আয়ুব আলীসহ প্রতিবাদ কারীদের বেধড়ক মারপিট করায় পাঁচজন মারাত্মক যখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা পুলিশ প্রশাসনের কাছে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও এলাকায় মাদক ব্যবসা বন্ধের জন্যে জোর দাবি জানিয়েছে।

কালিগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে  প্রতিবাদ করায় হামলায় হাসপাতালে পাঁচজন

শ্যামনগর, সাতক্ষীরা।
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহ সেবক আব্দুল মজিদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন,
মোঃ মারুফ হোসেন, পিতা- মৃতঃ শহিদুল ইসলাম, গ্রামঃ- গুমানতলী, পোষ্টঃ- ঈশ্বরীপুর, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা অসুস্থ্য হয়ে আব্দুল মজিদের কাছে চিকিৎসা গ্রহন করেন। পরবর্তীতে তার অভিযোগ অনুযায়ী তার পা কর্তন করতে হয়। তিনি আব্দুল মজিদের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ করে।
পরিচালক (স্বাস্থ্য), খুলনা বিভাগ, খুলনা।
 সিভিল সার্জন, সাতক্ষীরা।
আবাসিক মেডিকেল অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্তের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের তিন কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানা যায়।
তদন্ত কমিটিকে আগামী ০৩ কর্ম দিবসের মধ্যে যথাযথ তদন্ত পূর্বক লিখিত আকারে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
 এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেরে সহ সেবক আব্দুল মসজিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি আমি শুনেছি এবং আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে এটা আমি জানি।

সহ সেবক আব্দুল মজিদের ভুল চিকিৎসার কারণে রুগীর পা কর্তন করতে হয় অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *