কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে মাদ্রাসার আড়াতে অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগে অভিভাবক মহলে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। সন্তানদের ভালোর জন্যে গত দুইদিনে ২৬ ছাত্রীকে নিজ নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনাটি উপজেলার ধলবাড়িয়া হাটখোলা সংলগ্নে বাগানের মধ্যে কথিত মহিলা মাদ্রাসায় ঘটেছে।
সরেজমিন ও অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, ধলবাড়িয়া দারুল কুরান মহিলা মাদ্রাসা ও লির্লাহ বোডিংটি ২০২১ সালে স্থাপিত হয়। বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে একজন মুহতামিম ও ৪জন আলেমা খালাম্মা আছেন। অধ্যায়নরত বিভিন্ন বয়সের ৫১জন ছাত্রী। অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ আবু সাঈদ গভীর রাতে এক ছাত্রীকে ডেকে নির্জনে নিয়ে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়। ঘটনাটি গত বৃহস্পতিবার ২৫ জুন-২৬ রাতে দেখে ফেলে আরো কয়েকজন ছাত্রী। মুহুত্বের মধ্যে বিষয়টি চাউর হয়ে উঠে অভিভাবক মহলে। একে একে ছাত্রীদের নিরাপদে বাড়িতে নিয়ে গেছে ২৬জন অভিভাবক।
এ নিয়ে এলাকার দুই একজন ছাড়া স্থানীয় সকলেই হুজুরের হীন অনৈতিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ ও শাস্তির দাবী করেছেন। অভিভাবক আল মামুন, অভিভাবক আবুল হোসেন, স্থানীয় মনিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, কাইয়ুমসহ ২০/২৫ জনের ভাষ্যে বেরিয়ে আসছে মহিলা মাদ্রাসার আড়ালে বিভিন্ন সময়ে অনৈতিক কর্মকান্ডের অজানা কাহিনী। স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রব বলেন এমন ঘটনার সংবাদে মাদ্রাসায় বসাবসি হয়। সেখানে পক্ষে বিপক্ষে অনেক কথা উঠে আসে। সেখানে হুজুর এঘটনায় অভিযুক্ত হওয়ায় প্রায় ৩০ জন ছাত্রী মাদ্রাসা থেকে অভিভাকরা নিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মুহতামিম আবু সাঈদের সাথে কথা হলে তিনি বলেন- এটি একটা ষড়যন্ত্র। মাদ্রাসা বিরোধী একটা চক্র এমন ঘটনা ছড়াচ্ছে। ছাত্রীদের চলে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ৫১জনের মধ্যে ২৬জন ছাত্রী গত দুইদিনে চলে গেছে বলে তিনি জানিয়ে দাবী করেন মাদ্রাসার যেনো ক্ষতি না হয় সেভাবে বাঁচিয়ে যায়েন।
Leave a Reply