সংবাদ শিরোনামঃ
নওয়াপাড়ায় শিশুশ্রম তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা সভা সুন্দরবনের হরিণ ধরার ৪২ টি মালা ফাঁদ উদ্ধার করেছে মুন্সিগঞ্জ বনটহল ফাঁড়ির সদস্যরা নওয়াপাড়ায় শিশুশ্রম তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা সভা শ্যামনগরে লিডার্সের সহযোগিতায় সমাজসেবা অফিসের গণশুনানি অনুষ্ঠিত অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড; সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড কে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করেছে কোস্ট গার্ড পারুলিয়ায় শিশুশ্রম তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা সভা মিসেস নুরজাহান পারভীন ঝর্ণার পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা বাসী ও জাতীয়তাবাদী দলের জন্য শুভেচ্ছা বার্তা শ্যামনগরের ০৮ নং ইশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদে গণশুনানী অনুষ্ঠিত সুন্দরবনে হরিণ শিকারের ৪১টি ফাঁদ উদ্ধার করেছে বনবিভাগ শ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষ
শ্যামনগরে মাদক ও অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার: গাবুরা ইউনিয়নের তরুণ সমাজ ধ্বংসের মুখে

শ্যামনগরে মাদক ও অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার: গাবুরা ইউনিয়নের তরুণ সমাজ ধ্বংসের মুখে

নিজস্ব প্রতিবেদক।
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে মাদক বিক্রি ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। এলাকার কিছু অসাধু মাদক বিক্রেতা ও অনলাইন জুয়ার এজেন্টদের কারণে ধীরে ধীরে ধ্বংসের পথে যাচ্ছে এলাকার তরুণ ও যুব সমাজ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গাবুরা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গোপনে গড়ে উঠেছে মাদক ও অনলাইন জুয়ার আসর। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিলসহ নেশাজাতীয় দ্রব্য বিক্রি হচ্ছে প্রকাশ্যে। পাশাপাশি, স্মার্টফোনের সহজলভ্যতার সুযোগে অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম আসক্ত হয়ে পড়ছে অর্থলিপ্সা ও বিনোদনের নামে ধ্বংসের খেলায়।
অভিভাবক ও সচেতন মহল জানান, “আমাদের সন্তানরা এখন রাত জেগে মোবাইলে গেম খেলে, কিন্তু আসলে তারা অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হচ্ছে। অনেকে পরিবারের গচ্ছিত টাকা পর্যন্ত হারিয়ে ফেলছে। মাদক আর জুয়ার এই দুষ্টচক্র পুরো সমাজকে গ্রাস করছে।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় শিক্ষক বলেন, “একসময় গাবুরা ইউনিয়নের তরুণরা খেলাধুলা ও শিক্ষায় মনোযোগী ছিল। কিন্তু এখন অনেকেই মাদক ও অনলাইন জুয়ার জালে জড়িয়ে পড়েছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে।”
 প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েক দফা অভিযান চালানো হলেও এখনো মূল হোতারা ধরা ছোঁয়ার বাইরে। এলাকাবাসীর দাবি—দ্রুত এসব মাদক বিক্রেতা ও অনলাইন জুয়ার এজেন্টদের আইনের আওতায় আনা হোক এবং তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
অভিযোগ রয়েছে, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির ছত্রছায়ায় এই চক্রগুলো দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে। প্রশাসনকে যদি কঠোর অবস্থান নিতে হয়, তবে সমাজে পুনরায় শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করেন সচেতন নাগরিকেরা।
 স্থানীয়দের আহ্বান: “এখনই সময় একসাথে দাঁড়ানোর—মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে, নইলে গাবুরার তরুণ প্রজন্ম হারিয়ে যাবে চিরতরে।”

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *