সংবাদ শিরোনামঃ
শ্যামনগরে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ দেবহাটায় যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ২ আসামি গ্রেপ্তার শনিবার* স্মার্ট হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যে সকল বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ রোগী দেখবেন— কৃষি, পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষায় অবদান: উপকূলের ২৫ নারীকে বিশেষ সম্মাননা* দেবহাটা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত ২ জন আসামী গ্রেফতার শ্যামনগর বুড়িগোয়ালিনীতে গ্রামীণ নারী কৃষি মেলা নির্বাচিত হই বা না হই, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ছেড়ে যাইনি’—- সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দীন বৃহস্পতিবার* স্মার্ট হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যে সকল বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ রোগী দেখবেন দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দুই দফায় গণপিটুনি, যুবকের মৃ+ত্যু; ‘মানসিক ভারসাম্যহী ছিলেন, বলছে পরিবার সুন্দরবনে আত্মসমর্পণকারী বনদস্যুরা ফের সক্রিয় হয়ে জিম্মি করা শুরু করেছে জেলেদের 
লবণাক্ত পানির কারণে কৃষকদের অভিযোগ

লবণাক্ত পানির কারণে কৃষকদের অভিযোগ

মোঃ নুরউল্লাহ হোসেন আটুলিয়া প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরা জেলা শ্যামনগর উপজেলার ১০নং আটুলিয়া ইউনিয়নে ৮নং ওয়াডের সোয়ালিয়া গ্রামের প্রভাবশালী ঘের মালিকরা লবণাক্ত পানি উত্তোলন করে কৃষকদের কৃষির ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। ঘের মালিকরা লবণাক্ত পানির জন্য আউট ড্রেন না রেখে মৎস্য ঘেরে পানি প্রবেশ করাচ্ছে।

স্থানীয়রা বলেন, গ্রামের অল্প কিছু মৎস্য ঘেরের জন্য এই লোনা পানির কারণে আবাদি ফসলি জমি আবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না। অর্থ সামাজিক উন্নয়ন টেকসই করতে ঘেরের আউট ড্রেন নির্মাণ বাধ্যতামূলক করতে হবে। আউট ড্রেন না রেখে গ্রামীণ রাস্তাকে ঘেরের বেড়িবাঁধ হিসেবে ব্যবহার করায় তা দ্রুত ভেঙে চলে যাচ্ছে।
ঘের মালিকরা হলেন(,১)মোঃ ইব্রাহিম গাজী ছেলে মোঃ মজিবর রহমান
(২)আব্দুর রাজ্জাক গাজীর ছেলে মোঃ রাজু আহমেদ
(৩) মোঃ আব্দুল হামিদ গাজীর ছেলে মোঃ হান্নান গাজী
(৪) মোঃ মূত আইজুদ্দি সরদার ছেলে মোঃ রইছ উদ্দিন সরকার।


কৃষক বলেন, আমাদের এলাকার গরিব কৃষকরা তাদের বারবার বলার পরেও কোন প্রকার ত্বোয়ক্কা করে না এবং কিছু বলতে গিলে বিভিন্নভাবে ভয় ভীতি দেখায়। বর্তমানে আমাদের বোরো মৌসুম হওয়ার সত্ত্বেও প্রভাবশালী ঘের মালিকদের কারণে ধান করা সম্ভব হয়নি । আউট ড্রেন না থাকার কারনে বাঁধের মধ্যে দিয়ে পানি বের হয়ে ফসলের জমিতে প্রবেশ করে জমির মধ্যে লবণাক্ততা সৃষ্টি হয়ে গেছে। তাথে করে হাজার হাজার বিঘা ধানের ফসল জমি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ।এভাবেই চলতে থাকলে বিগত ১/২ বছরের মধ্যে আমরা আর জমিতে কোন ফসলের আবাদ করতে পারবে না।কৃষক আরো বলেন, আমরা জনসাধারণ কৃষকরা নিরুপায় হইয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত দরখাস্ত দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দ্রুত তদন্ত করার জন্য অনুরোধ করছি। যাতে আমরা কৃষি চাষ করতে পারি।আটুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সালেহ (বাবু) এ বিষয় তদন্ত সাপেক্ষে ওই এলাকার যে সমস্ত ঘের মালিকেরা আছে। তাদের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা গ্রহণ করে। যাতে লবণাক্ত পানি কৃষি জমিতে না যায়। তারই প্রেক্ষাপটে আউট দেওয়া লাগবে কৃষকরা দাবি জানান

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *