সাইফুল ইসলাম রমজান নগর থেকেঃ
শ্যামনগর উপজেলার রমজানগর ইউনিয়নের তারানিপুর -সোরা গ্রামের জলবদ্ধতা নিরাসনে সরকারি খালের জমি অবৈধ ভাবে জবরদখল করে স্থাপনা নির্মাণকৃত জমিতে পূনরায় খাল খননের দাবী করেছেন এলাকাবাসী। বিশেষ করে মৃত রেহান মাস্টারের বাড়ি হতে আলহাজ্ব আব্দুল মোতালেব এর বাড়ি হয়ে সাত্তার শেখের বাড়ি পর্যন্ত খালটি ভূমিদস্যদের দখলে, স্থানীয়রা জানান, শ্যামনগর উপজেলার রমজানগর ইউনিয়নের তারানিপুর -সোরা সহ কয়েকটি গ্রাম বৃষ্টির মৌসুমে দীর্ঘ ৪ মাস জলবদ্ধতায় পানির নিচে ডুবে থাকে। কৃষি জমি, মৎস্য ঘের, জনবসতি ঘর, চলাচলের রাস্তা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃষ্টির পানি পড়তেই রাস্তা ঘাট জন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
৪ কিলোমিটার সরকারি খাল এখন অবৈধ স্থাপনা সহ মাটি ভরাট করে দখল করে আছে অবৈধ দখলদাররা। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি বলেন কয়েক জন ভূমিদস্যু নাকি এই খালের কিছু অংশ রেকর্ড করে নিয়েছে, এবং সেগুলো তারা দখলেও আছে। এতে করে কয়েক হাজার মানুষ পানি নিষ্কাশনের অভাবে জলবদ্ধতার নিচে বসবাস করে আসছে দীর্ঘদিন। জলবদ্ধতার কারণে কোমলমতি স্কুল পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের শিক্ষা গ্রহণে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। । গ্রাম বাসির প্রানের দাবী জলবদ্ধতার নিরাসনের জন্য খাল টি পুনঃ খননের
খালটি মাটি ভরাট করে কিছু মানুষ লাভবান হচ্ছে কিন্তু গ্রামের অধিকাংশ মানুষ গুলো প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। বিগত কয়েক বছর যাবৎ বৃষ্টির পানিতে ডুবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গ্রামবাসী । গ্রামবাসী দের দাবী খালটি যখন সক্রিয় ছিল তখন জলাবদ্ধতা ছিলনা।এই বিষয়ে রমজাননগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ আল মামুন বলেন খাল টি খনন করা খুবই জরুরি কিন্তু সরকারি ভাবে কোন বরাদ্দ না থাকায় খনন করা সম্ভব হচ্ছে না খালটি অনেক চওড়া ছিলো আস্তে আস্তে খাল টি একবারে ভরাট করে নিয়েছে কিছু অসাধু ব্যাক্তি বর্ষা মৌসুমের আগে যদি এই খালটি খনন না করা হয় তাহলে বর্ষা মৌসুমে তলিয়ে যাবে দুই টি গ্রাম। এই জলাবদ্ধতা নিষ্কাশনের প্রতিকার চেয়ে সরকারি খালের জমি অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদপুর্বক পুনরায় খাল খননের দাবী করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের এর হস্তক্ষেপ কামনা করছে গ্রামবাসী
Leave a Reply