সংবাদ শিরোনামঃ
দরদির ১২৯ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা,নতুন দায়িত্ব পেলেন যারা কয়রায় মৎস্য ঘেরে লুটতরাজ আহত ১ ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাকাস্থ দেবহাটা সমিতির মতবিনিময় সভা সুন্দরবনের গোলখালীতে হরিণের মাংস, মাথা ও পা সহ চামড়া জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড শুক্রবার স্মার্ট হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আগামীকাল যে সকল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রোগী দেখবেন গাবুরার মেগা প্রকল্প পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, জলদস্যু নিয়ে এলাকাবাসীর ক্ষোভ জীবনসংগ্রাম, মেধা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও মানবিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে এগিয়ে নেওয়ার এক পরিচিত মুখ যুবদল নেতা শাহজাহান রনি। দৃষ্টিশক্তি হারানো যুবদল নেতা আলমগীরের পাশে কৃষক দলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন লিটন দ্বিতীয় টাকি’ খ্যাত শ্যামনগর দুর্গাবাটিতে হাজারো দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে প্রতিমা বিসর্জন সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল মামুনের পিতা ইন্তেকাল করেছেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন
কয়রায় মৎস্য ঘেরে লুটতরাজ আহত ১

কয়রায় মৎস্য ঘেরে লুটতরাজ আহত ১

কয়রা প্রতিনিধিঃ

খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের ৬৩ নং মহেশ্বরীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে ইউনুস আলী মোড়লের মৎস্য ঘেরে লুটতরাজ করার সময় বাঁধা দেওয়ায় মোছাঃ রোজিনা খাতুন নামের এক গৃহ বধুকে দেশিয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে মারপিট ও পরিধেয় বস্ত্র টেনে হিচরে বিবস্ত্র করে শ্রীলতাহানী করার অভিযোগ উঠেছে কালিকাপুর গ্রামের মোঃ কুদ্দুস গাজীর পুএ মোঃ সোহেল গাজী,মৃত জহর আলী গাজীর ২ পুএ মোঃ কুদ্দুস গাজী, মোঃ আছাদুল গাজী, ও দেয়াড়া গ্রামের মোঃ আঃ হাই, এবং মাদারবাড়িয়া গ্রামের মোঃ রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ এ বিষয়ে মহেশ্বরীপুর গ্রামের মোঃ মোবারেক মোড়লের পুএ মোঃ ইউনুস মোড়ল ১৯/১০/২০২৬ তারিখে কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূএে জানা গেছে, গত ১৬/১০/২০২৬ তারিখে সকাল আনুমানিক ১০ ঘটিকার সময় ইউনুস মোড়লের মৎস্য ঘেরে দখল করে নেওয়ার জন্য তাহারা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী বেআইনী জনতাববন্ধে অনধিকারভাবে দেশীয় অস্ত্র, লোহার রোড, লোহার শাবল, লোহার হাতুড়ি, ধারালো দা,এবং চাইনিজ কুড়াল হাতে নিয়ে মৎস্য ঘেরের পাশে এসে আমি সহ আমার পরিবারের সদস্যদেরকে খুন জখমের অসৎ উদ্দেশ্যে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ সহ হত্যার হুমকি দিয়ে আসতেছিলো। এক পর্যায়ে তাহারা আমার মৎস্য ঘেরে প্রবেশ করে ঘেরে ছাড়া বিভিন্ন প্রজাতির মাছ লুটতরাজ করতে থাকে। তাহাদের এহেন কার্যকলাপের বিষয়টি বাড়িতে থাকা আমার বড় ভাবি মোছাঃ রোজিনা খাতুন জানতে পেরে তাহাদের কার্যক্রমে বাধা দিতে গেলে মোঃ সোহেল গাজী তাহার হাতে থাকা লোহা রড দিয়ে আমার ভাবি রোজিনা খাতুনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিট করে গুরুতর যখন করে। কুদ্দুস গাজী আমার ভাবি রোজিনা খাতুনের চুলের মুঠো ধরে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পানিতে চুবায়য়া ধরে এবং নাকে, মুখে, চোয়ালে, এলোপাতাড়িভাবে মারপিট করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। যাহার ফলে আমার ভাবি রোজিনা খাতুনের নাক এবং কান দিয়ে অতিরিক্ত রক্ত খরণের ফলে আমার ভাবি অচেতন অবস্থায় পানিতে পড়ে গেলে আসাদুল গাজী আমার ভাবির পরিধের কাপর টেন হিচরে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানী ঘটায়। এবং মোস্তফা গাজী দূর থেকে হুমকি দিয়ে বলে শালীকে জীবনের তরে শেষ করে দে। আব্দুল হাই বলে শালীকে শেষ করে দিয়ে ওর লাশ গুম করে দিবো। এবং রবিউল ইসলাম আমার ভাবীর গলায় থাকা ৮ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন এবং কানে থানা ৬ আনা ওজনের স্বর্ণের দুল যার আনুমানিক মূল্য ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা চোরপূর্বক ভাবে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তাহাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপে হাত চিৎকার শুনে আমার ভাবির তাহাদের হাত থেকে উদ্ধার করতে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তাহারা স্থান ত্যাগ করে। তাহাদের কার্যকলাপের একটি ভিডিও আছে।
এবং আমার ভাবিকে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করলে তার অবস্থা আশংক্যজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক খুলনাতে প্রেরণ করেন।

এবিষয়ে জানতে কুদ্দুস গাজীর মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

কয়রা থানার এস আই নাজমুল বলেন, তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *