সংবাদ শিরোনামঃ
শ্যামনগরের গাবুরায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে কৃষক দলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন লিটন  কয়রা উত্তরচক মাদ্রাসায় কর্মচারী নিয়োগকে কেন্দ্র করে অপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সোমবার** স্মার্ট হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যে সকল বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ রোগী দেখবেন— সুন্দরবনে বনদস্যু সম্রাট- ফজলু বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ জেলে-বাওয়ালীরা শ্যামনগরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা শাহজাহান রনি  কালিগঞ্জে পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম ​শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে শতাধিক পরিবারের মাঝে নিউ কৃষি ঘরের নগদ অর্থ বিতরণ কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের মায়ের দাফন সম্পন্ন  কুষ্টিয়ায় লালন সাঁইজির ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা শ্যামনগরে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ
সুন্দরবনে বনদস্যু সম্রাট- ফজলু বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ জেলে-বাওয়ালীরা

সুন্দরবনে বনদস্যু সম্রাট- ফজলু বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ জেলে-বাওয়ালীরা

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে বনজীবীদের ওপর বনদস্যুদের অত্যাচারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে ফজলু বাহিনীর বিরুদ্ধে জেলে ও বাওয়ালিদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়সহ নানা ধরনের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এতে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। জীবিকার তাগিদে বনে গেলেও নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারবেন কি না, সেই দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাঁদের। সুন্দরবনের নদী-খাল ও বিভিন্ন এলাকায় মাছ, কাঁকড়া, মধু ও গোলপাতা সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করেন উপকূলীয় এলাকার হাজারো মানুষ। তাঁদের কাছে সুন্দরবন শুধু প্রাকৃতিক সম্পদের আধার নয়, জীবন-জীবিকারও অন্যতম অবলম্বন। কিন্তু বনদস্যুদের ভয়ে অনেক বনজীবী স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। বনজীবীদের অভিযোগ, বনে প্রবেশের পর দস্যুদের কবলে পড়লে তাঁদের নানা ধরনের চাপ ও হয়রানির শিকার হতে হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে জিম্মি করে পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করার ভয়ও থাকে। ফলে ঋণ নিয়ে নৌকা, জাল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনে বনে যাওয়া জেলেরা আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

জানা গেছে, সুন্দরবনে সাম্প্রতি ২১ জন জেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করেন সম্রাট ও ফজলু বাহীনির দস্যুদল। তার দায়ভায় অন্য দস্যুদল সাত্তার ও কিবরিয়া বাহীনির উপর দোষারোপ করেন। মূলত সাত্তার ও কিবিয়া বাহীনি জেলে বাওয়ালীদের সাথে খারাপ আচরণ করেনি, বা কাওকে জিম্মিও করেনি। মুলত সম্রাট -ফজলু বাহিনি তাদের অপহরন করে। এই বাহিনিটি অত্যাচার নির্যাতন চালাচ্ছ।

নাম প্রকাশে একাধিক জেলে জানায়,
ছাত্তার ও কিবরিয়া বাীনির জেলেদেরকে হযরানী করেনা। তাদের ব্যাবহর ভাল। তারা অসহায মানুষের সহযোীতা করে থাকে। তারা জেলেদের নিকট থেকে মাছ নিলেও তারা টাকা দিয় দেয়। মুলত সুন্দরনবনে নির্যাচত চালাচ্ছে সম্রাট ফজলু বাহিনী। স্থানীয় বনজীবীরা সুন্দরবনে নিয়মিত টহল জোরদার, দস্যুদের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান এবং অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বনে মাছ, কাঁকড়া ও বনজ সম্পদ আহরণে নিয়োজিত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।সুন্দরবনকেন্দ্রিক বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে উপকূলীয় জনপদের দরিদ্র মানুষের জীবন-জীবিকা আরও সংকটে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *