শ্যামনগর প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী এলাকার আত্মসমর্পণকারী হিসেবে পরিচিত বনদস্যু আলম সানা ও জাহাঙ্গীর সানার বিরুদ্ধে আবারও সুন্দরবনে সক্রিয় হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
তাঁদের ঘিরে নতুন করে বনদস্যু তৎপরতা শুরু হয়েছে—এমন অভিযোগে সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার জেলে, বাওয়ালি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, একসময় সুন্দরবনে বনদস্যু তৎপরতার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আলোচিত আলম সানা ও জাহাঙ্গীর সানা আবারও বনে সক্রিয় হয়েছেন। এবং তাদের সাথে বুড়িগোয়ালিনী দাতিনাখালী এলাকার মৃত ওহাব গাইনের ছেলে শহিদুল ইসলাম, মোসলেম সানাার ছেলে মাসুম সানা,মাওলা সানার ছেলে শাহিনুরও কয়রা উপজেলার নাম না জানা দুই জন এবং যশোর জেলায় এক জন মোট আট জন সদস্য রয়েছে এই নতুন বনদস্যুর দলে। কয়রা উপজেলা কালিকাপুর গ্রামের দবির উদ্দিনের এক জেলেকে জিম্মি করেছে শনিবার দূপুরে সুন্দরবনের তেরকাটি এলাকা থেকে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট নতুন এই দস্য বাহিনীর কোনো তথ্য নেই বলে জানাযায়।
সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল উপকূলের বহু মানুষ জীবিকার তাগিদে নদী ও বনে মাছ, কাঁকড়া, মধু ও অন্যান্য বনজ সম্পদ সংগ্রহ করেন। বনদস্যুদের তৎপরতা বেড়ে গেলে এসব পেশার মানুষের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত নদী ও খালে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের মধ্যে অপহরণ ও চাঁদাবাজির আশঙ্কা তৈরি হয়।
এ অবস্থায় সুন্দরবনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বন বিভাগের নজরদারি জোরদার, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং বনে যাতায়াতকারী জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তবে আলম সানা ও জাহাঙ্গীর সানার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের
বক্তব্য নিতে আলম সানার নাম্বারে ০১৯১৯৫১৫১৫৭ ফোন দিলে স্ত্রী ফোনটি রিসিভ করেন আলম সানার কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। সুন্দরবনের নতুন করে আর্ত সমাপনকারী জাহাঙ্গীরসহ তার সহযোগীরা নতুন করে সুন্দরবনে ডাকাত করতে নামার কারণ জানতে চাইলে ব্যবসায়ী হোসেন আলী বলেন সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে এই বাহিনী তাদের দস্যতার শুরু করেছে, তিনি আরো বলেন জাহাঙ্গীর জামাত ইসলামের সক্রিয় কর্মী এ কারণেই সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে বনে ডাকাতির কাজ করছেন।
Leave a Reply