সংবাদ শিরোনামঃ
সুন্দরবনের হরিণ ধরার ৪২ টি মালা ফাঁদ উদ্ধার করেছে মুন্সিগঞ্জ বনটহল ফাঁড়ির সদস্যরা নওয়াপাড়ায় শিশুশ্রম তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা সভা শ্যামনগরে লিডার্সের সহযোগিতায় সমাজসেবা অফিসের গণশুনানি অনুষ্ঠিত অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড; সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড কে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করেছে কোস্ট গার্ড পারুলিয়ায় শিশুশ্রম তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা সভা মিসেস নুরজাহান পারভীন ঝর্ণার পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা বাসী ও জাতীয়তাবাদী দলের জন্য শুভেচ্ছা বার্তা শ্যামনগরের ০৮ নং ইশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদে গণশুনানী অনুষ্ঠিত সুন্দরবনে হরিণ শিকারের ৪১টি ফাঁদ উদ্ধার করেছে বনবিভাগ শ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষ দেবহাটার পারুলিয়ায় অসহায় পরিবারকে জামায়াতে ইসলামীর ভ্যান উপহার
কালিগঞ্জে উচ্ছেদ আতঙ্ক: জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনায় এলাকাবাসীর স্বারকলিপি প্রদান

কালিগঞ্জে উচ্ছেদ আতঙ্ক: জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনায় এলাকাবাসীর স্বারকলিপি প্রদান

হাফিজুর রহমান শিমুলঃ

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কাছে স্বারকলিপি দিয়েছেন কালিগঞ্জ উপজেলার বাজারগ্রাম মৌজার চার শতাধিক হতদরিদ্র পরিবার। চলমান উচ্ছেদ প্রক্রিয়া স্থগিত করে দীর্ঘদিনের বসতভিটা রক্ষায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
স্বারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বাজারগ্রাম মৌজার (জে.এল নং-৪২) জমি ১৯৬২ সালে এসএ খতিয়ানে স্থানীয়দের নামে নিবন্ধিত থাকলেও ১৯৬৪–৬৫ সালে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর উক্ত জমি অধিগ্রহণ করে; তবে কোনো ক্ষতিপূরণ প্রদান করেনি বলে দাবি করেন তারা। মাঠ জরিপে (৩০ ধারা সেটেলমেন্ট) অনেকের নাম রেকর্ড হওয়া সত্ত্বেও চূড়ান্ত বি.আর.এস খতিয়ানে কিছু পরিবার নাম না পাওয়ায় বিষয়টি বর্তমানে দেওয়ানী মামলা নং ৮৬/২২ হিসেবে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, ওই জমিতে তাদের পূর্বপুরুষসহ প্রায় ১১০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে চার শতাধিক পরিবার বসবাস করে আসছে। এলাকার স্কুল– কলেজের পরীক্ষার সময় এবং অসহায় পরিবারগুলোর বিকল্প আশ্রয় না থাকায় আকস্মিক উচ্ছেদ তাদের জীবনে চরম সংকট সৃষ্টি করবে বলে স্বারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়। এলাকাবাসী জানান, সওজ ১৯৬৫ সাল থেকে এত বছর জমি দখল বা উচ্ছেদের উদ্যোগ নেয়নি, কিন্তু সম্প্রতি হঠাৎ মাইকিং করে উচ্ছেদের ঘোষণা দেওয়া ভয়–আতঙ্ক দেখা দেয়। স্বারকলিপিতে তারা দাবি করেন, উন্নয়ন চাই, সড়ক চাই-কিন্তু প্রয়োজনের অতিরিক্ত জমি নিয়ে বসতভিটা ধ্বংস নয়। তাদের আরও অনুরোধ, চলমান মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কাউকে উচ্ছেদ না করে সড়ক নির্মাণের জন্য যতটুকু জমি প্রয়োজন ততটুকুই গ্রহণ করা হোক। এলাকাবাসীর ভাষ্য, ওই স্থানে তাদের পূর্বপুরুষদের কবরও রয়েছে, যা উচ্ছেদের ফলে বিলীন হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের পক্ষ থেকে স্বারকলিপি জমা দেন ইদ্রীস আলী স্বারকলিপির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে মন্ত্রী পরিষদ সচিব, সওজের প্রধান প্রকৌশলী সাতক্ষীরা সওজ নির্বাহী প্রকৌশলী, কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)এর নিকট।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *