সংবাদ শিরোনামঃ
আড়পাংগাশিয়া দুর্গামন্দিরে টানেলের ভেতর দিয়ে দেখা যাবে দুর্গাপ্রতিমা দেবহাটায় অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ শাঁখরা-কোমরপুর বেইলি ব্রিজ সংস্কার কাজের উদ্বোধন,খুব শিগগিরই এখানেই পাকা ব্রিজ নির্মাণ করব,আলহাজ্ব আব্দুর রউফ কয়রায় কিশোরী ও তাদের অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করণ সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষণ সামগ্রী এবং চেক ও ফলজ বৃক্ষ বিতরণ দেবহাটায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা বুধবার*স্মার্ট হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যে সকল বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ রোগী দেখবেন— বড়কুপুটে ২৫ ফুট উচ্চতার প্রতিমায় দক্ষযজ্ঞ ও শিবের মহাতাণ্ডব মাটি ও ফাইবারে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে পুরাণের হৃদয়স্পর্শী দৃশ্যপট কালিগঞ্জে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নলতায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হারুন অর রশিদের নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগর গাবুরায় বনদস্যুদের সহযোগিতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মানববন্ধন করেছে স্থানীয়রা
বিশ্ব পর্যটন দিবস আজ সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনে সম্ভাবনা বাড়লেও প্রয়োজন টেকসই উদ্যোগ

বিশ্ব পর্যটন দিবস আজ সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনে সম্ভাবনা বাড়লেও প্রয়োজন টেকসই উদ্যোগ

এম এ হালিম,
 আজ ২৭ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব পর্যটন দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়েছে। এবারের দিবসকে ঘিরে দেশের অন্যতম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার সুন্দরবন ও উপকূলীয় জনপদে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনসংলগ্ন সুন্দরবন এলাকায় প্রতি বছর দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা ছুটে আসেন। নদী, খাল, বন, বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্যের অপূর্ব সমন্বয় সুন্দরবনকে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। বিশেষ করে কলাগাছিয়া, আকাশলীনা, নীলডুমুর ও বুড়িগোয়ালিনী এলাকার সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন ঘিরে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হচ্ছে।
স্থানীয় পর্যটনসংশ্লিষ্টদের মতে, সুন্দরবনকে কেন্দ্র করে পর্যটনের আরও বিকাশ ঘটাতে হলে যোগাযোগব্যবস্থা, নিরাপত্তা, পর্যটকদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
 একই সঙ্গে পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে প্রশিক্ষিত গাইড, মানসম্মত নৌযান ও নিরাপদ ভ্রমণব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে পর্যটনকে এগিয়ে নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছেন পরিবেশসচেতনরা। তাদের মতে, অতিরিক্ত পর্যটকের চাপ, প্লাস্টিক ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ঘাটতি এবং অসচেতন কর্মকাণ্ড যাতে সুন্দরবনের পরিবেশ ও বন্যপ্রাণীর ওপর নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে, সে বিষয়ে কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন।
বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সুন্দরবন ও উপকূলীয় অঞ্চলের পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করে একটি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সুন্দরবন শুধু বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ঐতিহ্য নয়, এটি দেশের অর্থনীতি ও পর্যটন খাতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। পরিকল্পিত উদ্যোগ, স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা গেলে সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন ভবিষ্যতে উপকূলীয় অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *