সংবাদ শিরোনামঃ
অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড; সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড কে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করেছে কোস্ট গার্ড পারুলিয়ায় শিশুশ্রম তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা সভা মিসেস নুরজাহান পারভীন ঝর্ণার পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা বাসী ও জাতীয়তাবাদী দলের জন্য শুভেচ্ছা বার্তা শ্যামনগরের ০৮ নং ইশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদে গণশুনানী অনুষ্ঠিত সুন্দরবনে হরিণ শিকারের ৪১টি ফাঁদ উদ্ধার করেছে বনবিভাগ শ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষ দেবহাটার পারুলিয়ায় অসহায় পরিবারকে জামায়াতে ইসলামীর ভ্যান উপহার দেবহাটায় নবাগত ওসির সাথে ছাত্রদলের শুভেচ্ছা বিনিময় তেলের জন্য লম্বা লাইনে শিক্ষক,ক্লাস বন্ধ চাপে শিক্ষা কার্যক্রম শ্যামনগরে চিংড়িতে পুশ করায় ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা : চিংড়ি আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট
কয়রায় ২৩ একর জমির জিম্নায় থাকা ধান কেটে নেওয়ার পায়তারার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

কয়রায় ২৩ একর জমির জিম্নায় থাকা ধান কেটে নেওয়ার পায়তারার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান কয়রা থেকে।

খুলনার কয়রা উপজেলার হরিনগর মৌজার ২৩ একর সম্পত্তির জিম্মাকৃত ধান কেটে নেওয়ার পায় তারা চালানোর অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুর ১২ টায় কয়রা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তালবাড়িয়া গ্রামের মৃত বঙ্গ বৈরাগীর পুত্র কালিপদ বৈরাগী। তিনি লিখিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, হরিনগর মৌজায় সি এস ২৭ খতিয়ানে আমাদের ২৯ একর ৯১ শতক জমি আছে। এর মধ্যে ২৩ একর সম্পত্তি নিয়ে তালবাড়িয়া গ্রামের তারাপদ বৈরাগীর পুত্র খগেন বৈরাগী, মৃত হরিপদ বৈরাগীর দুই পুত্র পঞ্চরাম বৈরাগী ও সুধান্য বৈরাগী,এবং মানিক বৈরাগীর দুই পুত্র হরিদাস বৈরাগী ও অনাদি বৈরাগীর সাথে আমাদের ২৩ একর সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। আমরা আমাদের এই সম্পত্তি নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টে মামলা করেছিলাম৷ বিজ্ঞ আদালত থেকে আমরা রায় পেয়ে চলতি আমন মৌসুমে আমন ধান রোপণ করেছি যা গ্রামবাসী সবাই জানে। তাহারা আমাদের গায়ের ঘাম, পরিশ্রম করে লাগানো ধান কেটে নেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছে। সেকারণে আমরা বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৪৫ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছি যার মামলা নাম্বার ২১৬/২৫। বিজ্ঞ আদালত আমাদের মামলাটি আমলে নিয়ে কয়রা থানা কে ধান জিম্মায় রাখার নির্দেশ দেন। কিন্তু তদন্তকারী কর্মকর্তা আমাদেরকে অবগত না করে একতরফা তদন্ত করেছেন । পরে আমরা আদালতে না রাজি দিয়েছি। আমাদের প্রতিপক্ষের মিথ্যা প্রচারণায় একটি মহলের সহযোগিতায় তাহারা আমাদের গায়ের ঘাম পরিশ্রমে রোপন করা ধান কেটে নেওয়ার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। এবং আমাদের হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছে তাছাড়া তারা বলছে ধান কে লাগিয়েছে এটা আমাদের দেখার বিষয় না। প্রশাসনকে আমরা ম্যানেজ করে ফেলেছি কেউ আমাদের ধান কাটায় বাঁধা দিতে এলে তার লাশ পড়বে। আমরা এমন হুমকি ধামকি শুনে খুবই ভিত হয়ে পড়েছি। আমরা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রকৃত জমি ও ধানের মালিকদের যাতে তাদের ধান বুঝে পান সে ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি জানান।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *