সংবাদ শিরোনামঃ
জ্বালানী তেল বন্টনে স্বচ্ছতায় এগিয়ে গাবুরা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান, প্রশংসায় ৩ ইউনিয়নের জনগণ শ্যামনগরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোলকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা)–২০২৬ অনুষ্ঠিত বেসরকারি সংস্থা সিসিডিবির আয়োজনে জলবায়ু সচেতনতায় নাটক ও পটগান অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত এসএসসি পরীক্ষার্থীরা, ব্যাহত হচ্ছে পড়াশোনার শ্যামনগরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত- ১৪  দেবহাটায় অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলন করায় জরিমানা দেবহাটা থানার নবাগত ওসি’র সাথে উপজেলার ইউনিয়ন বিএনপির নেতাদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ দেবহাটা থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ইয়ুথ প্লান বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে মোঃ ইমাম হোসাইনকে দায়িত্ব প্রদান নওয়াপাড়ায় শিশুশ্রম তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা সভা
কালিগঞ্জে প্রচন্ড গরমের মধ্যে দফায় দফায় লোডশেডিংঃ দুর্বিষহ জনজীবন

কালিগঞ্জে প্রচন্ড গরমের মধ্যে দফায় দফায় লোডশেডিংঃ দুর্বিষহ জনজীবন

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বৈশাখের খরতাপে প্রাণ যায় যায় অবস্থা। সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ অঞ্চলের তাপমাত্রার পারদ গত ৯ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গে আরও উর্ধ্বমুখি। অস্বস্তিরকর গরমের মধ্যে শুরু হয়েছে দফায় দফায় লোডশেডিং। দুপুর, সন্ধ্যা, গভীর রাত কিংবা ভোর কোনো নিয়মই মানছে না বিদ্যুৎতের লুকোচুরি। প্রচন্ড গরমের মধ্যে দফায় দফায় লোডশেডিংয়ে দুবির্ষহ হয়ে উঠেছে কালীগঞ্জের জনজীবন। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে মশার উৎপাত। সব মিলিয়ে সীমাহীন কষ্টের মধ্যে সময় কাটাচ্ছে কালীগঞ্জের মানুষ।

সাতক্ষীরার আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী জানান, গত বুধবার সাতক্ষীরার তাপমাত্রা ছিলো ৩৯.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরায় মৌসুমের তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৭.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

এদিকে তীব্র গরমের মধ্যে বাতাসে আর্দ্রতা কমে গেছে। রাস্তায় বের হলে আগুনের হল্কা এসে গায়ে লাগছে। সুন্দরবনের শহরে মরুর আভা পাওয়া যাচ্ছে। প্রয়োজন ছাড়া দিনের বেলা কেউ বাইরে বের হচ্ছেন না। অবশ্য রাতে ঘরে ফিরেও স্বস্তি থাকার উপায় নেই। দফায় দফায় লোডশেডিংয়ে রাতেও ঘেমে ভিজে নাকাল হচ্ছে মানুষ।

উপজেলার পানিয়া গ্রামের রুহুল আমিন সরদার জানান, বুধবার সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ চলে যায়। তারাবিহ নামাজের সময় আরেক দফা গিয়েছে। রাত ২টা ২১ মিনিটে লোডশেডিং শুরু হয়ে ছিলো এক ঘণ্টা। আবার ভোর সাড়ে ৫টায় আবার লোডশেডিং শুরু হয়। এবারও বিদ্যুৎ ছিলো না এক ঘণ্টা।

তিনি বলেন, প্রচন্ড গরমে ফ্যান চালিয়েও ঘরে থাকা যায় না। এর মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকলে মনে হয় ‘ভয়ংকর আজাব’ শুরু হলো। মশার যন্ত্রণায় বাইরে বসে থাকারও উপায় নেই। এই কষ্ট বলে বোঝাতে পারবো না।

সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কালিগঞ্জ জোনাল অফিসের এজিএম মিজানুর রহমান বলেন, প্রচন্ড গরমে বেশিরভাগ এলাকায় বিদ্যুৎতের চাহিদা বেড়েছে। লোড বেড়ে যাওয়ায় ট্রান্সফর্মারসহ লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। মেরামতে সময় লাগছে। এছাড়া সরবরাহ কম থাকায় কিছু লোডশেডিং হচ্ছে। তবে পরিমানে কম।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *