সংবাদ শিরোনামঃ
ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর আঘাতে এলাকায় ক্ষতিগ্রস্থ গরীব ও দুঃস্থ্যদের মাঝে ১৭ বিজিবির ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বুড়িগোয়ালিনী নৌ থানা পুলিশের পক্ষ থেকে  আশ্রয় কেন্দ্রে সাধারণ মানুষের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ নলিয়ান কালাবগী ঝুলন্ত পাড়ায় ৩৫০ ঘর পানিতে তুলিয়ে ১৫ শ মানুষ আশ্রয়হীন নলিয়ান নৌ থানা দাকোপ,খুলনা পুলিশের পক্ষ থেকে  জনসাধারণ কে আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য দিন ভর মাইকিং ১০ নম্বর মহা বিপদ সংকেত ঘূর্ণিঝড়ের কোন সংকেতের কী মানে? সাতক্ষীরা তালার আটারই ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী সাংবাদিক আকরামুল ইসলামের মতবিনিময় শ্রীমঙ্গলে বিষ খাইয়ে প্রতিবন্ধী সন্তান হত্যার অভিযোগে বাবা-মা কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ শ্যামনগরে ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রস্তুতি সভা উন্নয়ন কার্যক্রমে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি বিষয়ক মতবিনিময় সভা 
ইছামতি নদীরপাড় কেটে পাইপ বসিয়ে মৎস্য পয়েন্ট তৈরি, ঝুঁকিতে বেড়িবাঁধ

ইছামতি নদীরপাড় কেটে পাইপ বসিয়ে মৎস্য পয়েন্ট তৈরি, ঝুঁকিতে বেড়িবাঁধ

দেবহাটা প্রতিনিধি: ইছামতি নদীর পাড় কেটে অবৈধ ভাবে পাইপ বসিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে মৎস্য রেণু প্রসেসিং পয়েন্ট। নদীর পাড়ে সরকারি জমি দখল করে শত শত বিঘা জমিতে গড়ে তোলা হয়েছে এ মৎস্য পয়েন্ট বা হ্যাচারী। যা বছরের পর বছর ধরে আসলেও বন্ধের উদ্যোগ নেন না পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ইছামতি নদীর পাড় ঘেঁষে নদী পাড়ের জমি দখল করে তৈরি করা হয়েছে ছোট বড় মৎস্য পয়েন্ট। যেখানে গভীরতা করে পানি আটকে রেখে নদীর রেণু মাছ বড় করা হচ্ছে।নদী পাড়ের জমিতে বাঁধ দিয়ে পানি আটকে রাখা এবং পাইপ দিয়ে পানি উত্তোলন করছেন দখলকারীরা।সেই সাথে জোয়ারের পরে ভাটিতে পয়েন্টের পানি পাইপ যোগে নদীতে ফেলায় ভাঙছে পাড়। এতে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে নদী পাড়ের কয়েক শত বিঘা জমির মৎস্যঘের, ফসলের মাঠ, বসতবাড়ির আঙিনা। বিশেষ করে ইছামতি নদীর টাউনশ্রীপুর স্লুইসগেট সংলগ্ন এলাকায় দেখা গেছে, নুর মোহাম্মাদ আলী ও তার ছেলে আবু হাসান এবং জনাব আলী,দিন মোহাম্মাদ এর ছেলে আশরাফুল ইসলাম,করিম উল্লাহ,নুর মোহাম্মাদের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক, জনৈক ইব্রাহিম,জনৈক অহেদ আলী, জিয়াদ আলীর ছেলে আফসার আলী,সাফাতুল্লাহ’র ছেলে আয়ুব আলী, জনৈক আব্দুল বেটলো,ইমান আলীর ছেলে পিন্টু ও মিন্টু পাড় দখল করে গড়ে তুলেছেন আলাদা আলাদা মৎস্য পয়েন্ট।
এবিষয়ে জনাব আলী জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা নদীর পাড় কেটে মাছের পয়েন্ট করছেন।তাদের এই বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সেকশন অফিসার মাহাবুব রহমান সহ অনেকে জানেন।তিনি আরো জানান,পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন কাজ করে দেয় তাই বাড়তি সুবিধা পায়।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩ নং পোল্ডারের সেকশন অফিসার (এসও) মাহাবুব রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, এসব বিষয়ে তার কিছু জানা নেই। বিষয়টি সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে অপরাধ পরিলক্ষিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগীতায়- সুন্দরবন আইটি লিমিটেড