সংবাদ শিরোনামঃ
দেবহাটায় আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও র‌্যালী অনুষ্ঠিত ধর্মপ্রাণ মানুষকে ‘ধর্মান্ধ ’ আখ্যা দেওয়ার প্রতিবাদে দেবহাটায় মানববন্ধন সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটির শ্যামনগর উপজেলা পর্যবেক্ষক ও তথ্য সমন্বয়ক হলেন উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সদস্য মোঃ জহিরুল ইসলাম সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ‘দুলাভাই বাহিনী’র সঙ্গে কোস্ট গার্ডের গোলাগুলি; অভিযান এখনো চলমান। শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে জামায়াতের র‌্যালি ও সমাবেশ  বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ শ্যামনগর শাখার ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরাবাসীকে “ধর্মান্ধ” মন্তব্যের প্রতিবাদে ডিসির বিরুদ্ধে শ্যামনগরে ওলামাদের বিক্ষোভ সমাবেশ গাবুরায় বেড়িবাঁধের স্থিতিস্থাপকতায় মহিলাদের কণ্ঠস্বর: সম্প্রদায় পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত ভারত থেকে পুশ-ইন প্রতিরোধে সীমান্তে সতর্ক অবস্থানে নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি) গ্রামবাংলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে কাক, বাড়ছে পরিবেশগত উদ্বেগ
একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহিদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বনবিভাগ,নৌ ও ট‍্যুরিস্ট পুলিশ

একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহিদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বনবিভাগ,নৌ ও ট‍্যুরিস্ট পুলিশ

উপকূলীয় অঞ্চল প্রতিনিধিঃ
২১শে ফেব্রুয়ারি২০২৪ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেছেন পশ্চিম বন বিভাগের পক্ষে পশ্চিম বনবিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক এম, কে, এম ইকবাল হোসাইন চৌধুরী সহ বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন ও কলাগাছিয়া টহলফাঁড়ীর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিউল ইসলাম জামি,
বুড়িগোয়ালিনী নৌ-থানা পুলিশের ইনর্চাজ খাঁন আহসান হাবিব ও সাতক্ষীরা জোন ট‍্যুরিস্ট পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহ নৌ ও ট‍্যুরিস্ট পুলিশের সকল সদস্য সহ বুড়ি গোয়ালিনী ফরেস্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আইয়ুব আলী ও সকল শিক্ষকগণ উপস্থিত থেকে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জনগণের গৌরবোজ্জ্বল একটি দিন। এদিনটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবেও সুপরিচিত। বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত দিন হিসেবে পরিচিত।

আমার ভাষা বাংলা ভাষা

১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)। পাকিস্তানের স্থপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, `উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’ বলে ঘোষণা দেন। মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ’র ঘোষণার সাথে সাথেই ময়দানে উপস্থিত জনগণ সমবেতভাবে এ ঘোষণার প্রতিবাদ করেন। জিন্নাহ পুনরায় ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে গিয়ে একই রকম ভাষণ দেন। সাথে সাথেই সমবেত ছাত্ররা `না না’ বলে চিৎকার করে উঠেন। মূলত তারপর থেকেই সূচনা হয়েছিল ভাষা আন্দোলনের। তবে ভাষা আন্দোলনের চরম বহিঃপ্রকাশ ঘটে ২১ ফেব্র”য়ারি ১৯৫২ সালে। এদিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের আমতলায় দলে দলে ছাত্রজনতা জড়ো হয়েছিলেন। মুখে স্লোগান, বুকে সাহস। মিছিলে প্রকম্পিত হলো রাজপথ- `রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই, রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই।’ সে দিন ছাত্রদের ওপর পুলিশ গুলি চালালে পরিস্থিতি মুহূর্তে পাল্টে যায়। ছাত্রদের আন্দোলন হয়ে ওঠে সবার। ওই মাহেন্দ্রণে বাংলাদেশের ইতিহাস প্রবেশ করে এক নতুন যুগে। সেদিন বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা করতে ২১ ফেব্রুয়ারির মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহিদ হন সালাম, রফিক, জব্বার, শফিউরসহ আরও অনেকে। তাদের স্মৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সাতক্ষীরার বিভিন্ন সংগঠন ও সরকারি, ব-সরকারি প্রতিষ্ঠান।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *