আয়রন সমৃদ্ধ খাবারের কথা বলতে গেলে প্রথমেই আসে কচুশাকের কথা। কচুশাকে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। আজ আমরা একজন পুষ্টিবিদের কাছ থেকে কচুশাকের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানব।
কারও যদি হিমোগ্লোবিনের সমস্যা হয়ে থাকে, তাঁকে কচুশাকের কথা বলা হয়ে থাকে। কচুশাকে আয়রন রয়েছে, যা আমাদের রক্তে অক্সিজেন পরিবহণে সহায়তা করে। শরীরে যদি হিমোগ্লোবিনের অভাব হয়, তখন নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। কাজেই এ সময় যদি কচুশাক খাওয়া হয়, তাহলে আয়রনের ঘাটতি পূরণ হয়।
কালো কচুশাক ও কচুশাকের ডগায় আয়রন পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে এবং এতে ভিটামিন সি রয়েছে। এর ফলে আমরা যখন আয়রন গ্রহণ করছি, এতে ভিটামিন সি থাকায় আমাদের শরীরে ভালোভাবে কাজে লাগছে। কচুশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ। এটা আমাদের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, ফ্ল্যাবোনয়েড নামক বিভিন্ন রকমের উপাদান, যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ করতেও সহায়তা করে এবং আমাদের হাড়ের স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। কচুশাকে ফ্ল্যাবোনয়েড থাকায় এবং বিভিন্ন রকম ভিটামিন-মিনারেল থাকায় হৃদরোগ থেকে আমাদের রক্ষা করে।
তবে অনেকের বিভিন্ন রকম সমস্যার কারণে কচুশাক খেলে গলা ধরার ভাব থাকে, তবে এ জিনিসটি খেয়াল রাখতে হবে, কচুশাক বা যে কোনও শাক যখন রান্না করবেন, তখন একটু ভিজিয়ে রাখবেন, ভিজিয়ে রেখে যখন আপনি রান্না করবেন, তখন, এতে যেহেতু ভিটামিন এ থাকে, সামান্য পরিমাণ তেল দিতে হবে; কারণ, ভিটামিন এ না হলে কাজে লাগবে না। আপনি যখন কচুশাক খাবেন, সেটা বিভিন্ন ভাবে খাওয়া যেতে পারে। বাচ্চাদেরও কচুশাক খেতে অভ্যস্ত করবেন। এতে তাদের শরীর যেমন ভালো থাকবে, তাদের ভেতরে রোগ প্রতিরোধ শক্তিও তৈরি করবে। ছোটবেলা থেকে কচুশাক খেলে হিমোগ্লোবিনের অভাবে ভুগবে না। বিশেষ করে কিশোরী যারা রয়েছে, তাদের আয়রনযুক্ত খাবারের মধ্যে যদি কচুশাক যুক্ত করা হয়, যারা আয়রনের সমস্যায় ভুগে থাকে, তাদের এ সমস্যাগুলো হবে না। কাজেই কচুশাক খেলে শরীর যেমন ভালো থাকবে, আপনারা কর্মক্ষম হবেন এবং বিভিন্ন রোগ থেকেও মুক্ত থাকবেন।
পায়ে সু আর চোঁখে সানগ্লাস পরা কি অপরাধ ? এমন প্রশ্ন তুলেছেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালক বশিরউদ্দীন। তার দাবি, ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে মনগড়া ও অসত্য তথ্য দিয়ে অপপ্রচার করছে একটি চক্র।
সংবাদমাধ্যমের কাছে এমন অভিযোগ তুলে বশিরউদ্দীন বলেন, আমি একজন সরকারি গাড়িচালক। নিয়ম মেনে দায়িত্ব পালন করি। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে গল্প সাজিয়ে বলা হচ্ছে, নষ্ট গাড়ির নামে বিল তোলা হয়। অথচ এ অভিযোগ সঠিক নয়।
তিনি জানান, হাসপাতালে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স ও একটি পিকআপসহ চারটি গাড়ি সচল রয়েছে। তবে সরকারি চালক মাত্র দুইজন। তিনি নিজে ও অপর চালক জয়নুল আবেদীন। বাকি দুইটি গাড়ি চালান স্বেচ্ছাসেবক সুমন গাজী ও হায়দার আলী। যেখানে সব গাড়ি সচল, সেখানে নষ্ট গাড়ির নামে বিল তোলার অভিযোগ হাস্যকর। পায়ে সু বা চোখে সানগ্লাস পরে ডিউটি করার বিষয়টিকে অপরাধ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। অথচ আইনে বলা আছে, চালকদের পায়ে সু পরা বাধ্যতামূলক। চশমাটি মূলত ২৫০ পাওয়ারে অটোসান চশমা। যা রোদে গেলে কালো ও ছায়ায় আসলে সাদা হয়।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক কুদরত-ই-খুদা বলেন, বশিরউদ্দীনের বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ এনে প্রচার করা হচ্ছে সেটি মনগড়া। লক্ষ্য করলে দেখবেন জনস্বার্থে তথ্য তুলে ধরা হয়নি, বরং ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে করা হয়েছে।
কালিগঞ্জের পল্লীতে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় হামলার ঘটনায় পাঁচজন হাসপাতালে। ঘটনাটি উপজেলার কালিকাপুর গ্রামে ঘটেছে। থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানাগেছে, দীর্ঘদিন যাবৎ প্রশাসনের নজর এড়িয়ে স্থানীয় একটি চক্র অবাধে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে। সচেতনমহল হীন কাজের প্রতিবাদ করলেও বন্ধ হয়নি তাদের মাদক ব্যবসা ও সেবন। বৃহস্পতিবার বিকেলে কালিকাপুর খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী মুকুল ঢালী, আইয়ু আলী, মিজানুর রহমান, তরিকুল ইসলাম, মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করলে চক্রটির সদস্যরা প্রতিবাদকারিদের বেদম মারধর ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে মারাত্মক যখম অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জানা যায়, উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের কালিকাপুর এলাকার মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম, আজগার আলী, আলাউদ্দীন, নাসির উদ্দীন, সাইফুল ইসলাম, ইমরান হোসেন ও মনিরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রি করে আসছে। এলাকাবাসী বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিষেধ ও প্রতিবাদ করলেও তারা উল্টো হুমকি ধামকি দিয়ে শান্তি ভঙ্গের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে জাহাঙ্গীর গং আয়ুব আলীসহ প্রতিবাদ কারীদের বেধড়ক মারপিট করায় পাঁচজন মারাত্মক যখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা পুলিশ প্রশাসনের কাছে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও এলাকায় মাদক ব্যবসা বন্ধের জন্যে জোর দাবি জানিয়েছে।
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহ সেবক আব্দুল মজিদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন,
মোঃ মারুফ হোসেন, পিতা- মৃতঃ শহিদুল ইসলাম, গ্রামঃ- গুমানতলী, পোষ্টঃ- ঈশ্বরীপুর, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা অসুস্থ্য হয়ে আব্দুল মজিদের কাছে চিকিৎসা গ্রহন করেন। পরবর্তীতে তার অভিযোগ অনুযায়ী তার পা কর্তন করতে হয়। তিনি আব্দুল মজিদের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ করে।
পরিচালক (স্বাস্থ্য), খুলনা বিভাগ, খুলনা।
সিভিল সার্জন, সাতক্ষীরা।
আবাসিক মেডিকেল অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্তের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের তিন কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানা যায়।
তদন্ত কমিটিকে আগামী ০৩ কর্ম দিবসের মধ্যে যথাযথ তদন্ত পূর্বক লিখিত আকারে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেরে সহ সেবক আব্দুল মসজিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি আমি শুনেছি এবং আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে এটা আমি জানি।
Leave a Reply