দেবহাটা প্রতিনিধিঃ
দেবহাটার উপজেলার টাউনশ্রীপুর গ্রামে জামিন সীমানা নিয়ে বিরোধ কে কেন্দ্র করে গ্রামের মৃত আব্দুল মিস্ত্রীর সন্তান আব্দুর রশিদ,বেবি খাতুন, রেজাউল করিম বাবু কতৃক উভয় গ্রামের মোঃ আব্দুল ওয়াহিদের বিভিন্ন ফলের গাছ কর্তন হুমকীসহ,পুকুরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ।
থানায় লিখিত অভিযোগের কপির লেখা নিন্মে হুবহু তুলে ধরা হয়েছে:
বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মোঃ আব্দুল ওয়াহিদ (৬৫), পিতা-মৃত দৌলত গাজী, সাং-টাউনশ্রীপুর, থানা-দেবহাটা, জেলা-সাতক্ষীরা। বিবাদী ১। মোঃ আব্দুর রশিদ (৬৮), পিতা-মৃত আব্দুল মিস্ত্রী ২। মোছাঃ বেবী খাতুন (৩০), স্বামী-মোঃ রেজাউল করিম (বাবু), উভয় সাং-টাউনশ্রীপুর, থানা-দেবহাটা, জেলা-সাতক্ষীরাদ্বয়ের বিরুদ্ধে এইমর্মে অভিযোগ করিতেছি যে, নিম্ন তফশীল বর্নিত সম্পত্তি আমার পৈত্রিক সম্পত্তি। উক্ত সম্পত্তিতে আমাদের পাকা বিল্ডিং ঘর আছে, একটি পুকুর আছে ও বিভিন্ন প্রকার গাছগাছালী আছে। যাহা আমরা ৫০ বছরের ঊর্ধ্বকাল যাবৎ ভোগ দখলে আছি। তফশীল সম্পত্তি আমার নামে নামজারী করা হইয়াছে এবং চলতি সন পর্যন্ত খাজনাদী পরিশোধ আছে। তফশীল জমির সীমনা লইয়া বিবাদীদের সহিত আমাদের গোলযোগ চলিতেছে। বিবাদীদ্বয় ইং-২৯/০৬/২০২৬ বেলা অনুমান বেলা ০২.০০ ঘটিকার সময় তফশীল জমির উপরীভাগে থাকা বিভিন্ন প্রকার ফলের গাছ কর্তন করিয়া অনুমান ২,০০০/=টাকার ক্ষতি সাধন হয়। ঐ সময় আমরা তাদের কাজে বাধার সৃষ্টি করিলে তাদের সহিত আমাদের মুখ বলাবলি হয় এবং তারা আমাদেরকে জীবন নাশের হুমকীসহ বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতির হুমকী দেয়। ইং-৩০/০৬/২৬ তাং সকাল অনুমান ০৫.৩০ টার সময় আমরা পুকুরে যাইয়া দেখি পুকুরের পানিতে মাছ মরিয়া ভাসিতেছে এবং পুকুরের পানিতে বিষের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ঐ সময় স্বাক্ষী ১। মোঃ ইসলাম শেখ, পিতা-মৃত পিয়ার আলী শেখ ২। মোঃ তারিকুল ইসলাম, পিতা-মৃত আব্দুল ওহাব ৩। মোঃ শহিদ গাজী, পিতা-মৃত দৌলত গাজী, সর্ব সাং-টাউনশ্রীপুর, থানা-দেবহাটা, জেলা-সাতক্ষীরাসহ আরও অনেককে ডাকিয়া উক্ত মাছ মরার ঘটনাটি দেখাই। উল্লেখিত বিবাদীদ্বয় আমাকে আর্থিক ক্ষতি করার নিমিত্তে আমার পুকুরে কীটনাশক বিষ দিয়াছে বলিয়া আমার দৃঢ় সন্দেহ হয়। পুকুরে কীটনাশক (বিষ) দেওয়ার ফলে মাছ মরিয়া অনুমান ৩০,০০০/=টাকার ক্ষতি হইয়াছে।অতএব প্রার্থনা এই যে, উল্লেখিত বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করিতে মর্জি হয়।
দেবহাটা থানায় অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আলীম বলেন অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে আমরা তদন্ত করার জন্য মৎস অফিসে প্রতিনিধি ও আমার থানার পুলিশ গিয়েছি, তবে এখনো তদন্ত চলছে।
সিনিয়র মৎস্য অফিসার প্রদিপ কুমার দাম বলেন অভিযোগের ভিত্তিতে আমার অফিস থেকে প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছিলো তারা পুকুর থেকে পানি ও মৃত মাছ উদ্ধার করে নিয়ে এসেছে, তবে এটি ল্যাব টেস্ট না করা পর্যন্ত বলা যাচ্ছেনা বিষ প্রয়োগের কারণে মারা গেছে কিনা।
সম্পাদকঃ এম এ হালিম, মোবাইল: ০১৯১১-৪৫১৬৯৭,০১৭৮১১৫৮৯২৯ , Email- halim.nildumur@gmail.com.