কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
কালিগঞ্জে ত্রুটিপূর্ণ নিয়োগ বোর্ড সত্ত্বে নিয়োগে বাধ্য করতে নানামুখী চাপের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রধান শিক্ষক অজয় কুমার মন্ডল। তিনি উপজেলার বিষ্ণুপুর প্রাণকৃষ্ণ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। পাতানো নিয়োগে রাজী না হওয়ায় হুমকীর সন্মুখিন অজয় কুমার মন্ডল। বুধবার (৪ মার্চ-২৬) বেলা ১১টায় কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করে বলেন বিগত ০৯/০২/২০২৪ তারিখে পৃথক দুটি পদে যথাক্রমে কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর ও আয়া পদে নিয়োগে বোর্ড বসে। ঐ নিয়োগ বোর্ডটি ছিলো পূর্ব পরিকল্পিত সাজানো ও পাতানো। সেকারণেই পৃথক দুটি মামলায় ঝুলে যায় নিয়োগ প্রক্রিয়া। যার একটি মামলায় বাদী ছিলেন তৎকালীন বিদ্যোৎসাহী সদস্য সমির মন্ডল (০৫/০৫/২৪)। অপরটি শ্যামনগরের দুর্গাবাটি গ্রামের মধুসূদন মন্ডল ও বিষ্ণুপুরের তাপসী মন্ডল যৌথ ভাবে ১৯/০৫/২৪ তারিখে কালিগঞ্জ সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করে। অথচ ধুরন্ধর দাতা সদস্য গোবিন্দ লাল সরদার একই পদের দুই প্রার্থীর নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে চম্পট দেয়। এদিকে সরলমনা প্রধান শিক্ষককে বিভিন্ন ভাবে নাজেহাল করেই চলেছে এই চক্রটি। তারা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে একাধিকবার চাপ সৃষ্টি করেছে পাতানো নিয়োগ দিতে। বর্তমানেও নানাবিধ ভয়ভীতি ও হুমকী ধমকি দিচ্ছে। বর্তমানে এই প্রধান শিক্ষক অজয় কুমার নিরাপত্তা হীনতায় দিনাতিপাত করছে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করে বলেন আমি গোবিন্দ লাল চক্রের হাত থেকে রেহাই পেতে চাই। লাল গোবিন্দ চক্রের ভয়ে আমি সাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছিনা। তারা আমাকে একাকী পেলে ক্ষতিসাধন করবে এমন আশঙ্কা করছি।এরমধ্যে আয়াপদে তাপসী সরদার ও কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে মধুসূদন মন্ডল প্রধান শিক্ষক বরাবর নিয়োগপত্র প্রদানের আবেদন করেছে ১৯/০২/২০২৬ তারিখে। সেখানে ভুয়া স্মারক নম্বর উল্লেখ করেছে বলে আমি মনে করছি। এতোকিছু চাপ আর পাতানো ফাঁদে ফেলানোর চেষ্টা সত্তেও বিধি মোতাবেক ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়টির ঐতিহ্য ধরে রাখতে চাই। পাশাপাশি ত্রুটিপূর্ণ নিয়োগের নামে দুইজনের নিকট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছে এর বিহিত চাই। সবশেষে তিনি প্রশাসনের উদর্ধতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যথাযথ তদন্ত স্বাপেক্ষে নিয়োগসহ স্কুলের সকল কার্যক্রম পরিচালনার দাবী জানান।
সম্পাদকঃ এম এ হালিম, মোবাইল: ০১৯১১-৪৫১৬৯৭,০১৭৮১১৫৮৯২৯ , Email- halim.nildumur@gmail.com.