শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:
ধর্মের বাধা অতিক্রম করে প্রেম ও বিয়ের সম্পর্ক গড়ে তোলার পর স্বামীর ঘর থেকে নগদ ৯ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে স্ত্রী বাবার বাড়িতে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় টাকা ও গহনা ফেরত চাইলে উল্টো যৌতুকের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী স্বামী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের বাসিন্দা আতিয়ার রহমানের মেয়ে সাগরিকা (৩৫) প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে সনাতন ধর্ম গ্রহণ করেন। ধর্মান্তরিত হওয়ার পর তার নাম রাখা হয় পারুল রানী। পরে তিনি খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বাকাঁ ঘোষপাড়া গ্রামের বাসিন্দা গোষ্ঠ কুমারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সংসারে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, পারুল রানীর পূর্বের সংসারে দুই কন্যাসন্তান ছিল। পরবর্তীতে তিনি সেই সংসার ছেড়ে গোষ্ঠ কুমারের সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করেন।
ভুক্তভোগী গোষ্ঠ কুমার জানান, বিয়ের পর তারা কয়েক বছর বরিশাল বন্দর থানা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। সংসার স্বাভাবিকভাবেই চলছিল। কিন্তু হঠাৎ একদিন তার স্ত্রী নগদ ৯ লাখ টাকা এবং প্রায় চার ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান।
তিনি বলেন, “স্ত্রী বাড়ি থেকে টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে চলে যাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে বরিশাল বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। বর্তমানে আমি আমার টাকা ও গহনা ফেরত চাইলে আমাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।”
গোষ্ঠ কুমারের অভিযোগ, টাকা-পয়সা ফেরতের দাবি জানালে তার বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানি করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পারুল রানীর বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার পরিবার এবিষয়ে কথা বলতে চায়না। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সম্পাদকঃ এম এ হালিম, মোবাইল: ০১৯১১-৪৫১৬৯৭,০১৭৮১১৫৮৯২৯ , Email- halim.nildumur@gmail.com.