আব্দুল্লাহ আল মামুনঃ
সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ আলিপুরে প্রতিপক্ষের মারপিটে অন-টাইম মালামাল বিক্রয়কারী এক ব্যবসায়ীকে এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিট করে ফোলা জখম করে। ঘটনাটি ঘটেছে ১৭ মে রবিবার রাত আনুঃ ৯.৩০ টার সময় দক্ষিণ আলিপুর টুটুল মেম্বারের ইটের ভাটার সামনের রাস্তার পার্শ্বে। ভিকটিম ব্যক্তি দক্ষিণ আলিপুর গ্রামের আজু ঢালীর ছেলে ব্যবসায়ী আমিরুল ইসলাম বাবু( ৩৫)। এব্যাপারে ভিকটিম ব্যক্তির পিতা-মো: আজু ঢালী বাদী হইয়া ৫ জনকে আসামি করে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আমলী ০১ নং আদালতে মামলা দায়ের করে। আসামিরা একই গ্রামের মো: ছাত্তারের ছেলে সুজল (৩০), মৃত: পান মুন্সীর ছেলে ছাত্তার (৫৮), শাহাজাহানের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন (৫০),মৃত: আবুল হোসেনের ছেলে শামিনুর (৩৬), ও পিতা: অজ্ঞাত- রাকিবুল( ২০)। মামলা সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম ব্যবসায়ী আমিরুল ইসলাম বাবু ও ১ নং আসামি সুজল দীর্ঘদিন যাবৎ এক সাথে ওয়ান টাইম মালামালের ব্যবসা করত। পরে উভয়ের মধ্যে সম্পর্কের মনোমালিন্য হওয়ার কারণে সুজল ভিকটিম আমিরুল ইসলাম বাবুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের পায়তারা করিতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় সুজলের সহযোগিতায় অন্যান্য আসামিরা বাদীর পুত্র অর্থাৎ ভিকটিম আমিরুল ইসলাম বাবুকে খুন জখম করিবার উদ্দেশ্যে গত ইং ১৭ /০৫/২৬ তারিখে রাত আনুঃ ৯.৩০ টার দিকে দক্ষিণ আলিপুর টুটুল মেম্বারের ইটের ভাটার সামনে রাস্তার পার্শ্বে লোহার রড,লোহার হাতুড়ি, ধারালো দা, বাঁশের লাঠি সহ অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে ওৎ পেতে থাকে। ভিকটিম আমিরুল ইসলাম বাবু তার নিজস্ব ইঞ্জিন চালিত ভ্যানে ওয়ান টাইমের মালামাল বিক্রয় করিয়া বাড়ী ফেরার পথে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো মাত্র আসামীগণ ভিকটিম আমিরুল ইসলাম বাবুকে ঘিরে ফেলে। অতঃপর ১ নং আসামি সুজল ভিকটিম আমিরুলকে খুন করিবার উদ্দেশ্যে লোহার হাতুড়ি দিয়া মাথা লক্ষ্য করে সজোরে আঘাত করিলে লক্ষ্য ভ্রষ্ট হইয়া ভিকটিমের নাকে মারাত্নক হাড়ভাঙ্গা জখম করে। ২ নং আসামি ছাত্তার ভিকটিমকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে ধারালো দা দিয়া কোপ মারিতে গেলে লক্ষ্য ভ্রষ্ট হইয়া ভিকটিমের বাম চোখে মারাত্মক রক্তাক্ত কাটা জখম করে। ৩নং আসামি জাহাঙ্গীর লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে ফোলা কালো শিরা জখম করে। ৪ নং আসামি রাকিবুল বাঁশের লাঠি দিয়া মেরে নীলাফোলা জখম করে এবং পকেট থেকে আশি হাজার টাকা চুরি করে নেয়। ৫নং আসামি শামিনুর ভিকটিমের গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করিবার চেষ্টা করে এবং হাতের নোখ দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত বেদনা দায়ক জখম করে। ভিকটিমের আত্নচিৎকারে স্বাক্ষীরা ঘটনাস্থলে এসে ভিকটিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালের ৪র্থ তলার সার্জারী বিভাগের ২৯ নং বেডে ১৭ থেকে ২১ তারিখ পর্যন্ত ৪ দিন চিকিৎসা শেষে বর্তমান ভিকটিম বাড়িতে চিকিৎসাধীনে আছেন। এব্যাপারে সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যু করতঃ সাক্ষী তলবান্তে সুবিচারের জন্য জোর দাবী জানান ভুক্তভোগী পরিবার।
সম্পাদকঃ এম এ হালিম, মোবাইল: ০১৯১১-৪৫১৬৯৭,০১৭৮১১৫৮৯২৯ , Email- halim.nildumur@gmail.com.