এম এ হালিম ঃ
আর মাত্র ১৮ দিন পর আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে উন্মুক্ত হচ্ছে সুন্দরবন। দীর্ঘ তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলে-বাওয়ালিরা আবারও সুন্দরবনে প্রবেশ করে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে পর্যটকদের জন্যও খুলে দেওয়া হবে সুন্দরবনের পর্যটনকেন্দ্রগুলো।
বন বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য, বন্যপ্রাণী ও মৎস্যসম্পদের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে চলতি বছরের ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে সব ধরনের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এ সময়ে জেলে, বাওয়ালি, মৌয়াল ও পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার ফলে সুন্দরবনসংলগ্ন সাতক্ষীরার শ্যামনগর, খুলনা ও বাগেরহাটের হাজারো বনজীবী পরিবার দীর্ঘদিন ধরে কর্মহীন অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে মাছ ও কাঁকড়া আহরণের ওপর নির্ভরশীল জেলেদের মধ্যে দীর্ঘ অপেক্ষার পর নতুন করে কর্মচাঞ্চল্যের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে অনুমতি ও প্রয়োজনীয় পাস নিয়ে জেলেরা সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ ও কাঁকড়া আহরণে যেতে পারবেন। পাশাপাশি পর্যটকরাও সুন্দরবনের নির্ধারিত পর্যটনকেন্দ্রগুলো ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। বন বিভাগ জানিয়েছে, সুন্দরবনে প্রবেশ ও আহরণ কার্যক্রম নির্ধারিত নিয়ম মেনেই পরিচালনা করতে হবে।
তিন মাসের নিষেধাজ্ঞায় প্রজনন মৌসুমে সুন্দরবনের মাছ, জলজ প্রাণী ও বন্যপ্রাণী নির্বিঘ্নে প্রজননের সুযোগ পেয়েছে। এখন নিষেধাজ্ঞা শেষে সুন্দরবন খুলে দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন বনজীবী ও পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ১ সেপ্টেম্বর থেকেই আবারও কর্মচঞ্চল হয়ে উঠবে সুন্দরবন—নদীতে নামবে জেলে-বাওয়ালিদের নৌকা, আর পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হবে সুন্দরবনের পর্যটনকেন্দ্রগুলো।
সম্পাদকঃ এম এ হালিম, মোবাইল: ০১৯১১-৪৫১৬৯৭,০১৭৮১১৫৮৯২৯ , Email- halim.nildumur@gmail.com.