প্লাস্টিক ও পলিথিন ব্যবহারে বিরত থাকি, বসবাসযোগ্য পৃথিবী গড়ি এবং সুন্দরবনকে রক্ষা করি।
পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে অতিরিক্ত প্লাস্টিক ও পলিথিন ব্যবহার। নদ-নদী, খাল-বিল থেকে শুরু করে কৃষি জমি ও সমুদ্র পর্যন্ত এখন প্লাস্টিক বর্জ্যের দখলে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রাণীকুল ও মানবস্বাস্থ্য। সচেতনতার অভাবে প্রতিদিনই অগণিত প্লাস্টিক মাটিতে ও পানিতে মিশে যাচ্ছে, যা শত বছরেও নষ্ট হয় না।
বেসরকারি সংস্থা সিসিডিবি, পিসিআরসিবি প্রকল্প ও সিসিআরসির আয়োজনে সোমবার (৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ) সকাল দশটায় শ্যামনগর উপজেলার নীলডুমুর বাজারে সুন্দরবন ট্যুর অপেরেটর, সিসিআরসির সদস্য, বাজার ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে র্যালি, আলোচনা সভা এবং লিফলেট বিতরণ করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন নীলডুমুর বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হালিম, সিসিআরসির সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার আব্দুল হাকিম, ইয়ুথ টিমের শাহিন হোসেন, পিসিআরসি প্রকল্পের উপজেলা কো-অর্ডিনেটর স্টিভ রায় রুপন সহ প্রকল্পের অমিতাভ হালদার, জগদীশ সরদার, হার্মান আতিয়ারা, দিল আফরোজ প্রমূখ।
এসময় উপস্থিত অতিথিগন বলেন প্লাস্টিক ও পলিথিন সাধারণ ব্যবহারের পাশাপাশি খাবার মোড়ানো, বাজারের ব্যাগ, বোতল ও বিভিন্ন প্যাকেজিংয়ে ব্যবহৃত হওয়ায় দূষণের মাত্রা দ্রুত বাড়ছে। এ থেকে রক্ষা পেতে জনসচেতনতার পাশাপাশি বিকল্প পণ্য ব্যবহারের প্রবণতা বাড়াতে হবে। তাছাড়া দোকানপাট ও বাজারে কাপড় বা জুটের ব্যাগ ব্যবহারে উৎসাহিত করা জরুরি। স্কুল কলেজসহ জনসমাগম স্থানে প্লাস্টিক নিষিদ্ধে নিয়মিত প্রচারণা ও নজরদারি কার্যক্রম প্রয়োজন।
তারা আরো বলেন, “প্লাস্টিক ও পলিথিন ব্যবহারে বিরত থাকি, সুন্দরবনকে রক্ষা করি এবং বসবাসযোগ্য পৃথিবী গড়ি”—এই স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রতিটি মানুষের নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করা উচিত। পরিবেশ রক্ষায় আজকের সচেতনতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী উপহার দিতে পারে।